ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কদমবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত । অবৈধভাবে একই সময়ে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তুলেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার নিয়োগপ্রাপ্ত ই/এম এর জাহাঙ্গীর আলম‌‌। দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবি–বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক। মাদারীপুরের রাজৈরে ২৪ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ। স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার।

অবৈধভাবে একই সময়ে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তুলেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার নিয়োগপ্রাপ্ত ই/এম এর জাহাঙ্গীর আলম‌‌।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮ জন সংবাদটি পড়েছেন
73

 

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের মহা কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে অবৈধভাবে উচ্চতর পদে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সকল নিয়মনীতিকে থোড়াই কেয়ার করে তাদেরকে পদোন্নতি ও দেওয়া হয়। আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থগিতাদেশের মধ্যে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

 

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এ অবৈধ নিয়োগ পেয়ে একই সময়ে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তুলেছেন। সবকিছু ধামা চাপা দিয়ে দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছে জাহাঙ্গীর আলম।

 

জানা যায়, গণপূর্তের বদরুল আলম খান এর ছত্র-ছায়ায় জাহাঙ্গীর আলম আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বদরুল আলমের বিভিন্ন দরপত্র বাণিজ্যের অর্থ উত্তোলন এবং নারী সরবরাহ করে জাহাঙ্গীর এখন গণপূর্তের মাফিয়া হয়ে উঠেছেন।

 

এই জাহাঙ্গীর একদিকে বিআইডব্লিউটিএ থেকে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেতন নিয়েছেন, আবার গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে উক্ত সময়ে এককালীন বেতন তুলেছেন। এমন তুঘলকি কাণ্ড সত্ত্বেও কিভাবে চাকরি থাকে জাহাঙ্গীর আলমের -সে প্রশ্ন এখন সকলের। জাহাঙ্গীর আলমের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেতন তোলার একটি কপি এসেছে এ প্রতিবেদকের হাতে।

ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তার দাপটে ডিপার্টমেন্টের সকলে থাকত সন্ত্রস্ত, আবার বদরুল খানের ডান‌হাত হবার সুবাদে জাহাঙ্গীর আলম ভয়ংকর রূপে ডিপার্টমেন্টে বিচরণ করছে। শত শত কোটি টাকার মালিক হয়ে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। অবাধ দুর্নীতি আর ব্যভিচার করে অধিদপ্তরকে কলঙ্কিত করছেন জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু কোন টু শব্দটি নেই কর্তাব্যক্তিদের।

 

চাকরি বিধি অনুযায়ী সরাসরি উচ্চতর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পদোন্নতির বিধিমালা নেই | সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ফিডার পদ নবম গ্রেডে যোগদান করলে সেক্ষেত্রে পদোন্নতির বিধিমালা রয়েছে | কিন্তু উচ্চতর পদে সরাসরি নিয়োগ হলে সেটি ব্লক পোস্ট হিসেবে বিবেচিত | সে হিসেবে ষষ্ট গ্রেডে নিয়োগপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা বিধিমতে এখনো উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী থাকার কথা | কিন্তু তারা বিধি ভেঙে পদোন্নতি পেয়ে পঞ্চম গ্রেডের নির্বাহী প্রকৌশলী হয়েছেন | আর এ সব অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত ছিলেন সাবেক পূর্ত সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকার , সাবেক প্রধান প্রকৌশলী এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সভাপতি কবির আহমেদ ভূইয়াঁ , সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম এবং গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের শেখ পরিবারের সদস্য শেখ সেলিম ও শেখ হেলাল | এ নিয়োগে সরাসরি শেখ হাসিনা ও শেখ পরিবারের হস্তক্ষেপ ছিল | নিয়োগকৃত এ সকল প্রকৌশলী শুধুমাত্র আওয়ামী ক্যাডারই নন বরং তারা জুলাই আন্দোলনের বিপরীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন | এদের অনেকের নামেই রয়েছে অর্থদাতা হিসেবে হত্যা মামলা | সমীরণ মিস্ত্রি , জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ প্রকৌশলী অর্থ যোগানদাতা হিসেবে হয়েছেন হত্যা মামলার আসামি | কি এক অদৃশ্য শক্তিবলে এখনও তারা দাপটের সাথে বর্তমান সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রাইজ পোস্টিং পেতে ব্যস্ত | আর এ কাজে সক্রিয় সহযোগিতা করছেন ভন্ড পীর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার |

 

গণপূর্তের এই ১১ জন প্রকৌশলী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সব ধরণের অবৈধ পদোন্নতি ও সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন | এমনকি আদালতের রায় অনুযায়ী রিটকারী ১৭ জন কর্মকর্তার পদ সংরক্ষণ করতে বলা হলেও গণপূর্ত অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় সেটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদেরকে বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের উপরে জেষ্ঠ্যতা দিয়েছে | সরকার পরিবর্তনের পর বিসিএস কর্মকর্তাবৃন্দ প্রধান প্রকৌশলীর নিকট তাদের জেষ্ঠ্যতা প্রদানপূর্বক গ্রেডেশন করার পত্র দিলেও প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার স্বৈরাচারের দোসরদের পক্ষাবলম্বন করে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন | যেখানে আদালত থেকে বিসিএস কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ করার আদেশ দেয়া হয়েছে সেখানে এ ধরণের কালক্ষেপণ আদালতের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন এবং স্বৈরাচারের দোসরদেরকে অনৈতিক সুবিধা দেয়ার কৌশল বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা |

 

জনপ্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন , এ পদোন্নতি বিধিসম্মত হয়নি | নিশ্চয় এর পেছনে বড় কোন শক্তির ইন্দন ছিল | অন্যথায় এ ধরণের মারাত্মক বিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটা সম্ভব নয় |

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের এক কর্মকর্তা আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যে এ ধরণের যোগদান এবং চাকরি না করে অর্থ তুলে নেয়াকে ফ্যাসিবাদী সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন | এ কর্মকর্তা অভিমত দেন যে , দুদক এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে আত্মসাৎকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নিতে বাধ্য করবেন এবং বিধিহীনভাবে পদোন্নতির সাথে জড়িত গণপূর্তের কর্মকর্তা এবং মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে |

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কদমবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ।

অবৈধভাবে একই সময়ে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তুলেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার নিয়োগপ্রাপ্ত ই/এম এর জাহাঙ্গীর আলম‌‌।

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
73

 

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের মহা কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে অবৈধভাবে উচ্চতর পদে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সকল নিয়মনীতিকে থোড়াই কেয়ার করে তাদেরকে পদোন্নতি ও দেওয়া হয়। আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থগিতাদেশের মধ্যে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

 

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এ অবৈধ নিয়োগ পেয়ে একই সময়ে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন তুলেছেন। সবকিছু ধামা চাপা দিয়ে দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছে জাহাঙ্গীর আলম।

 

জানা যায়, গণপূর্তের বদরুল আলম খান এর ছত্র-ছায়ায় জাহাঙ্গীর আলম আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বদরুল আলমের বিভিন্ন দরপত্র বাণিজ্যের অর্থ উত্তোলন এবং নারী সরবরাহ করে জাহাঙ্গীর এখন গণপূর্তের মাফিয়া হয়ে উঠেছেন।

 

এই জাহাঙ্গীর একদিকে বিআইডব্লিউটিএ থেকে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেতন নিয়েছেন, আবার গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে উক্ত সময়ে এককালীন বেতন তুলেছেন। এমন তুঘলকি কাণ্ড সত্ত্বেও কিভাবে চাকরি থাকে জাহাঙ্গীর আলমের -সে প্রশ্ন এখন সকলের। জাহাঙ্গীর আলমের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেতন তোলার একটি কপি এসেছে এ প্রতিবেদকের হাতে।

ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তার দাপটে ডিপার্টমেন্টের সকলে থাকত সন্ত্রস্ত, আবার বদরুল খানের ডান‌হাত হবার সুবাদে জাহাঙ্গীর আলম ভয়ংকর রূপে ডিপার্টমেন্টে বিচরণ করছে। শত শত কোটি টাকার মালিক হয়ে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। অবাধ দুর্নীতি আর ব্যভিচার করে অধিদপ্তরকে কলঙ্কিত করছেন জাহাঙ্গীর আলম। কিন্তু কোন টু শব্দটি নেই কর্তাব্যক্তিদের।

 

চাকরি বিধি অনুযায়ী সরাসরি উচ্চতর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পদোন্নতির বিধিমালা নেই | সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী ফিডার পদ নবম গ্রেডে যোগদান করলে সেক্ষেত্রে পদোন্নতির বিধিমালা রয়েছে | কিন্তু উচ্চতর পদে সরাসরি নিয়োগ হলে সেটি ব্লক পোস্ট হিসেবে বিবেচিত | সে হিসেবে ষষ্ট গ্রেডে নিয়োগপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগীরা বিধিমতে এখনো উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী থাকার কথা | কিন্তু তারা বিধি ভেঙে পদোন্নতি পেয়ে পঞ্চম গ্রেডের নির্বাহী প্রকৌশলী হয়েছেন | আর এ সব অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত ছিলেন সাবেক পূর্ত সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকার , সাবেক প্রধান প্রকৌশলী এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সভাপতি কবির আহমেদ ভূইয়াঁ , সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম এবং গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের শেখ পরিবারের সদস্য শেখ সেলিম ও শেখ হেলাল | এ নিয়োগে সরাসরি শেখ হাসিনা ও শেখ পরিবারের হস্তক্ষেপ ছিল | নিয়োগকৃত এ সকল প্রকৌশলী শুধুমাত্র আওয়ামী ক্যাডারই নন বরং তারা জুলাই আন্দোলনের বিপরীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন | এদের অনেকের নামেই রয়েছে অর্থদাতা হিসেবে হত্যা মামলা | সমীরণ মিস্ত্রি , জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ প্রকৌশলী অর্থ যোগানদাতা হিসেবে হয়েছেন হত্যা মামলার আসামি | কি এক অদৃশ্য শক্তিবলে এখনও তারা দাপটের সাথে বর্তমান সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রাইজ পোস্টিং পেতে ব্যস্ত | আর এ কাজে সক্রিয় সহযোগিতা করছেন ভন্ড পীর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার |

 

গণপূর্তের এই ১১ জন প্রকৌশলী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সব ধরণের অবৈধ পদোন্নতি ও সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন | এমনকি আদালতের রায় অনুযায়ী রিটকারী ১৭ জন কর্মকর্তার পদ সংরক্ষণ করতে বলা হলেও গণপূর্ত অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় সেটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদেরকে বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের উপরে জেষ্ঠ্যতা দিয়েছে | সরকার পরিবর্তনের পর বিসিএস কর্মকর্তাবৃন্দ প্রধান প্রকৌশলীর নিকট তাদের জেষ্ঠ্যতা প্রদানপূর্বক গ্রেডেশন করার পত্র দিলেও প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার স্বৈরাচারের দোসরদের পক্ষাবলম্বন করে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন | যেখানে আদালত থেকে বিসিএস কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ করার আদেশ দেয়া হয়েছে সেখানে এ ধরণের কালক্ষেপণ আদালতের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন এবং স্বৈরাচারের দোসরদেরকে অনৈতিক সুবিধা দেয়ার কৌশল বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা |

 

জনপ্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন , এ পদোন্নতি বিধিসম্মত হয়নি | নিশ্চয় এর পেছনে বড় কোন শক্তির ইন্দন ছিল | অন্যথায় এ ধরণের মারাত্মক বিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটা সম্ভব নয় |

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের এক কর্মকর্তা আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যে এ ধরণের যোগদান এবং চাকরি না করে অর্থ তুলে নেয়াকে ফ্যাসিবাদী সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন | এ কর্মকর্তা অভিমত দেন যে , দুদক এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে আত্মসাৎকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নিতে বাধ্য করবেন এবং বিধিহীনভাবে পদোন্নতির সাথে জড়িত গণপূর্তের কর্মকর্তা এবং মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে |