ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
রাজৈর উপজেলাকে সতিনের দৃষ্টিতে দেখতো বিগত দিনের এমপিরা, ডক্টর কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারি। রাজৈরের দক্ষিন গোয়ালদী গ্রামে, মেয়ে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে মেলানি খাইতে আসলো জামাই।  জাতীয় শীতকালীন ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। উন্নয়নের নামে আওয়ামী ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বামীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। নাহিদ গ্রুপের আড়ালে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী মাফিয়া সিন্ডিকেটের সদস্য তন্ময়,কিতাব আলীর উত্থান, ঝন্টু সাহার ছায়া সাম্রাজ্য। মাগুরায় বিবাহ কাবিননামা জালিয়াতি মামলায় স্ত্রী মুরশিদা খাতুনকে জেল হাজতে প্রেরণ।  বিআইডব্লিউটিএতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অপর নাম নিজাম উদ্দিন পাঠান : ক্ষমতা, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটের নেপথ্যকথা। গৃহীত ঔষধ ও কেমিকেলের ল্যাব টেষ্টের দাবী: মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ওষুধ,গজ, ব্যান্ডেজ,কেমিকেল ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি  সাপ্লাইয়ে ঠিকাদারের শুভংকরের ফাঁকি!  জামালপুর-৩ সংসদীয় আসনে সনাতনী সমাবেশে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান।

গডফাদার সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরায় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন রশিদ মুহিতের সম্পদের পাহাড়।

মাত্র ১৫ বছর ১৫ শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো: হুমায়ুন রশিদ মুহিত। তার সম্পদের ফিরিস্তি দেখলে যে কোন বিবেকবান ব্যক্তি অবাক হবেন। তার এই ধন সম্পদ অর্জনের পেছনে মূল কলকাঠি নেড়েছেন দেশ মাফিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাবেক এপিএস ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক ভোট ডাকাতি করা এমপি মো: সাইফুজ্জামান শিখর।

অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, আজ থেকে ১৫ বছর আগে মুহিত ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করতেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মুহিত তার ক্লাসমেট বন্ধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস সাইফুজ্জামান শিখরের আর্শীবাদ নিয়ে মাগুরায় ফিরে গিয়ে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এরপর শিখর প্রভাব খাঁটিয়ে

২০১৬ সালে ব্যাপক ভোট ডাকাতি করে মুহিতকে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বসান। ২০১৭ সালে অসংখ্য সিনিয়র নেতাদের ডিংগিয়ে মুহিতকে শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদ প্রদান করেন। সবই হয় দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের হস্তক্ষেপে।

এরপর দলীয় ক্ষমতা হাতে পেয়ে হুমায়ুন রশিদ মুহিত নিজেকে মাগুরার বিকল্প এমপি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাগুরার পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে নগ্নভাবে ব্যবহার করে টাকার পাহাড় গড়তে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন।

এ সময় তিনি মাগুরা কামারখালির বৃহত্তর বালুমহলটি নিজ দখলে নিয়ে প্রতিদিন রক্ষ লক্ষ টাকার বালু বিক্রি করতে থাকেন। একই সময় গড়াই সহ একাধিক নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে অগাধ টাকার মালিক বনে যান। গোটা আওয়ামী লীগ আমলে মুহিত তার স্কুল বন্ধু সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় নিয়োগ বাণিজ্য,মামলা বাণিজ্য, ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের মনোনয়ন বাণিজ্য করে প্রায় অধর্ শত কোটি টাকা উপার্জন করেন।

সাইফুজ্জামান শিখর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস থাকাকালে তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে তদবীর করিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা কৃষিভিত্তিক ডেইরী ফার্ম খাতে লোন হাতিয়ে নেন। এরপর সাইফুজ্জামান শিখর ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মাগুরা-১ আসনে এমপি হলে মুহিত মহাক্ষমতাধর বনে যান। এসময় তিনি শ্রীপুর উপজেলার অঘোষিত মালিক বা গডফাদার হয়ে বসেন।

দখল করতে থাকেন হাট,বাজার,ঘাট,নদী ও সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত জমি। ততসময়ে কেবল কামারখালি বালু মহলের বালি বিক্রি করেই কোটি কোটি টাকা পকেটে তোলেন মুহিত। এ ছাড়া নাকোলের রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হয়ে শিক্ষক কর্মচারি নিয়োগ ও মার্কেট নির্মাণের নামে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাত করেন।

এভাবে অবৈধ অর্থ আয় করে সেই টাকায় একটি ইটভাটা তৈরি করেন। ব্ল্যস্কাই (রশিদ গ্রুপ) নামে শুরু করেন রিয়েল এস্টেট ও হাউজিং ব্যবসা। ঢাকায় এই কোস্পানীর প্রধান অফিস স্থাপন করে মাগুরায় সাব অফিস খুলে বসেন। এই কোম্পানীর নামে মাগুরা শহরের ৫/৬ টি স্পটে জমি কিনে বহুতলা ভবন নির্মাণ করেন। এ সব ভবনের মুল্য প্রায় শত কোটি টাকা। ভবনগুলো মাগুরা শহরের সৈয়দ আতর আলী রোডের সাবুতলা (৭তলা বাড়ি) মাগুরা, কেশব মোড় (১০ তলা বাড়ি) মাগুরা হাজী সাহেবের রোড( ১০ তলা বাড়ি), মাগুরা শহরের হাসপাতালপাড়া (৫তলা বাড়ি), বদ্দি বাড়ী এলাকা নতুনবাজার এ অবস্থিত। এছাড়া নাকোল এলাকায়১৪ একর জমিতে ইট ভাটা এবং ৩ একর জমিতে ডেইরী ফার্ম রয়েছে। এসব জমির বেশি অংশই জোর করে দখল করা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকার খিলগাঁও,রামপুরা,বনশ্রী ও গাজিপুর ও সাভার এলাকায় প্রচুর জমি কিনেছেন। এরমধ্যে খিলগাঁও ও বনশ্রী এলাকায় কয়েকটা ১০ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন বলে তথ্য পাওয়াগেছে।

এখানেই থেমে নেই। মুহিত তার আত্মীয় স্বজনের নামে বিদেশে ( অস্ট্রেলিয়া,কানাডা ও আমেরিকায়) প্রায় শত কোটি টাকা পাচার করেছেন মর্মে অভিযোগ আছে। নাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বসে তিনি সরকারি বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে আত্মসাত করেছেন বলে তার মেয়াদকঅলীন সময়ের মেম্বারগণ অভিযোগ তুলেছেন। সরকারিভাবে অডিট করলেই তার দুর্নীতির প্রমাণ মিলবে বলে দাবী করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

৫ আগষ্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার গণঅভ্যত্থানের পর এই আওয়ামী দুর্বৃত্ত প্রথমে ঢাকায় পালিয়ে যায়। এরপর ভারতে চলে যায়। এখন অষ্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে আছে বলে একাধিক সুত্র দাবী করেছেন। তার নামে ছাত্র হত্যার একাধিক মামলা রয়েছে মাগুরা ও ঢাকার বিভিন্ন থানায়। অনেকেই দাবী করেন যে, হুমায়ুন রশিদ মুহিতের কাছে দেশ মাফিয়া মো: সাইফুজ্জামান শিখরের শত কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।

মাগুরাবাসীর দাবী: অতিসত্তর এই অবৈধ টাকার কুমির আওয়ামী দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা দায়ের করে অবৈধপথে অর্জিত তার যতো সম্পদ ( বাড়ি,জমি,ইট ভাটা,ডেইরী ফামর্, মার্কেট এবং হাউজিং প্রজেক্ট আছে সেগুলো সরকারি অনুকুলে বাজেয়প্তি করা হোক। এ বিষয়ে তারা দুদক চেয়ারম্যানের পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজৈর উপজেলাকে সতিনের দৃষ্টিতে দেখতো বিগত দিনের এমপিরা, ডক্টর কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারি।

গডফাদার সাইফুজ্জামান শিখর মাগুরায় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন রশিদ মুহিতের সম্পদের পাহাড়।

আপডেট সময় : ০২:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মাত্র ১৫ বছর ১৫ শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো: হুমায়ুন রশিদ মুহিত। তার সম্পদের ফিরিস্তি দেখলে যে কোন বিবেকবান ব্যক্তি অবাক হবেন। তার এই ধন সম্পদ অর্জনের পেছনে মূল কলকাঠি নেড়েছেন দেশ মাফিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাবেক এপিএস ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক ভোট ডাকাতি করা এমপি মো: সাইফুজ্জামান শিখর।

অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, আজ থেকে ১৫ বছর আগে মুহিত ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করতেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মুহিত তার ক্লাসমেট বন্ধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস সাইফুজ্জামান শিখরের আর্শীবাদ নিয়ে মাগুরায় ফিরে গিয়ে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এরপর শিখর প্রভাব খাঁটিয়ে

২০১৬ সালে ব্যাপক ভোট ডাকাতি করে মুহিতকে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বসান। ২০১৭ সালে অসংখ্য সিনিয়র নেতাদের ডিংগিয়ে মুহিতকে শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদ প্রদান করেন। সবই হয় দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের হস্তক্ষেপে।

এরপর দলীয় ক্ষমতা হাতে পেয়ে হুমায়ুন রশিদ মুহিত নিজেকে মাগুরার বিকল্প এমপি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাগুরার পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে নগ্নভাবে ব্যবহার করে টাকার পাহাড় গড়তে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন।

এ সময় তিনি মাগুরা কামারখালির বৃহত্তর বালুমহলটি নিজ দখলে নিয়ে প্রতিদিন রক্ষ লক্ষ টাকার বালু বিক্রি করতে থাকেন। একই সময় গড়াই সহ একাধিক নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে অগাধ টাকার মালিক বনে যান। গোটা আওয়ামী লীগ আমলে মুহিত তার স্কুল বন্ধু সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় নিয়োগ বাণিজ্য,মামলা বাণিজ্য, ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের মনোনয়ন বাণিজ্য করে প্রায় অধর্ শত কোটি টাকা উপার্জন করেন।

সাইফুজ্জামান শিখর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপিএস থাকাকালে তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে তদবীর করিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা কৃষিভিত্তিক ডেইরী ফার্ম খাতে লোন হাতিয়ে নেন। এরপর সাইফুজ্জামান শিখর ভোট ডাকাতির মাধ্যমে মাগুরা-১ আসনে এমপি হলে মুহিত মহাক্ষমতাধর বনে যান। এসময় তিনি শ্রীপুর উপজেলার অঘোষিত মালিক বা গডফাদার হয়ে বসেন।

দখল করতে থাকেন হাট,বাজার,ঘাট,নদী ও সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত জমি। ততসময়ে কেবল কামারখালি বালু মহলের বালি বিক্রি করেই কোটি কোটি টাকা পকেটে তোলেন মুহিত। এ ছাড়া নাকোলের রাইচরণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হয়ে শিক্ষক কর্মচারি নিয়োগ ও মার্কেট নির্মাণের নামে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাত করেন।

এভাবে অবৈধ অর্থ আয় করে সেই টাকায় একটি ইটভাটা তৈরি করেন। ব্ল্যস্কাই (রশিদ গ্রুপ) নামে শুরু করেন রিয়েল এস্টেট ও হাউজিং ব্যবসা। ঢাকায় এই কোস্পানীর প্রধান অফিস স্থাপন করে মাগুরায় সাব অফিস খুলে বসেন। এই কোম্পানীর নামে মাগুরা শহরের ৫/৬ টি স্পটে জমি কিনে বহুতলা ভবন নির্মাণ করেন। এ সব ভবনের মুল্য প্রায় শত কোটি টাকা। ভবনগুলো মাগুরা শহরের সৈয়দ আতর আলী রোডের সাবুতলা (৭তলা বাড়ি) মাগুরা, কেশব মোড় (১০ তলা বাড়ি) মাগুরা হাজী সাহেবের রোড( ১০ তলা বাড়ি), মাগুরা শহরের হাসপাতালপাড়া (৫তলা বাড়ি), বদ্দি বাড়ী এলাকা নতুনবাজার এ অবস্থিত। এছাড়া নাকোল এলাকায়১৪ একর জমিতে ইট ভাটা এবং ৩ একর জমিতে ডেইরী ফার্ম রয়েছে। এসব জমির বেশি অংশই জোর করে দখল করা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকার খিলগাঁও,রামপুরা,বনশ্রী ও গাজিপুর ও সাভার এলাকায় প্রচুর জমি কিনেছেন। এরমধ্যে খিলগাঁও ও বনশ্রী এলাকায় কয়েকটা ১০ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন বলে তথ্য পাওয়াগেছে।

এখানেই থেমে নেই। মুহিত তার আত্মীয় স্বজনের নামে বিদেশে ( অস্ট্রেলিয়া,কানাডা ও আমেরিকায়) প্রায় শত কোটি টাকা পাচার করেছেন মর্মে অভিযোগ আছে। নাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বসে তিনি সরকারি বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা ভুয়া বিল ভাউচারে আত্মসাত করেছেন বলে তার মেয়াদকঅলীন সময়ের মেম্বারগণ অভিযোগ তুলেছেন। সরকারিভাবে অডিট করলেই তার দুর্নীতির প্রমাণ মিলবে বলে দাবী করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

৫ আগষ্ট ২০২৪ ছাত্র জনতার গণঅভ্যত্থানের পর এই আওয়ামী দুর্বৃত্ত প্রথমে ঢাকায় পালিয়ে যায়। এরপর ভারতে চলে যায়। এখন অষ্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে আছে বলে একাধিক সুত্র দাবী করেছেন। তার নামে ছাত্র হত্যার একাধিক মামলা রয়েছে মাগুরা ও ঢাকার বিভিন্ন থানায়। অনেকেই দাবী করেন যে, হুমায়ুন রশিদ মুহিতের কাছে দেশ মাফিয়া মো: সাইফুজ্জামান শিখরের শত কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।

মাগুরাবাসীর দাবী: অতিসত্তর এই অবৈধ টাকার কুমির আওয়ামী দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা দায়ের করে অবৈধপথে অর্জিত তার যতো সম্পদ ( বাড়ি,জমি,ইট ভাটা,ডেইরী ফামর্, মার্কেট এবং হাউজিং প্রজেক্ট আছে সেগুলো সরকারি অনুকুলে বাজেয়প্তি করা হোক। এ বিষয়ে তারা দুদক চেয়ারম্যানের পদক্ষেপ কামনা করেছেন।