মধুসূদন দাস ও মুহাম্মদ সালমান ফার্সীকে পদোন্নতি দিলো কারা? অনেকে বলছে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন।
বৃহস্পতিবার পুলিশের ৩৫ ও ৩৬ ব্যাচের ৪০ কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হয়েছেন। এরমধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের দমনপীড়নে জড়িত দুই কর্মকর্তাকেও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলো— মধুসূদন দাস ও মুহাম্মদ সালমান ফার্সী। এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একাধিক মামলাও ছিল। পুলিশের ঊধ্বর্তনদের ম্যানেজ করে ও অর্থের বিনিময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই পদোন্নতি বাগিয়ে নিলো এই দুই কর্মকর্তা। কিন্তু একসময় এই দুই কর্মকর্তার দাপটে তটস্থ থাকত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। বিএনপির যেকোনো অনুষ্ঠান দমনে সবার আগে পাওয়া যেত তাদের। পুলিশের অনেকে বলছে, ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল এই দুই কর্মকর্তা। এই মধুসূদন ডেমরা, রমনা, গোয়েন্দা লালবাগসহ বিভিন্ন...
বৃহস্পতিবার পুলিশের ৩৫ ও ৩৬ ব্যাচের ৪০ কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হয়েছেন। এরমধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের দমনপীড়নে জড়িত দুই কর্মকর্তাকেও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
তারা হলো— মধুসূদন দাস ও মুহাম্মদ সালমান ফার্সী। এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী একাধিক মামলাও ছিল। পুলিশের ঊধ্বর্তনদের ম্যানেজ করে ও অর্থের বিনিময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেই পদোন্নতি বাগিয়ে নিলো এই দুই কর্মকর্তা।
কিন্তু একসময় এই দুই কর্মকর্তার দাপটে তটস্থ থাকত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। বিএনপির যেকোনো অনুষ্ঠান দমনে সবার আগে পাওয়া যেত তাদের।
পুলিশের অনেকে বলছে, ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল এই দুই কর্মকর্তা। এই মধুসূদন ডেমরা, রমনা, গোয়েন্দা লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় চাকরি করেছে। ৫ আগস্টের পর তাকে ঢাকা থেকে সরিয়ে এপিবিএনে পাঠানো হয়।