ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

কালের সাক্ষী হয়ে আজও নিজেকে মেলে ধরেছে উলপুর জমিদার বাড়ি।

আজ ১৮ মার্চ,২৬ মঙ্গলবার বিকেলে গোপালগঞ্জ জেলার উলপুর জমিদার বাড়ি পরিদর্শনে যান সারাক্ষণ বার্তার সম্পাদক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু।সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সহকারী অধ্যাপক ( বাংলা) অনুকূল চন্দ্র মন্ডল। বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে যে জমিদারি শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জের উলপুর গড়ে উঠেছিল ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি। তত্ত্বাবধায়ক সূত্রে জানা যায়, জমিদার সুধন্য কুমার রায় চৌধুরী উলপুর জমিদার বাড়ির পত্তন করেন।এ বাড়ি থেকেই বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে জমিদারি শাসন চালাতেন।এখন জমিদারি নেই কিন্তু সেই স্মৃতি চিহ্ন এখনো রয়েছে জমিদার বাড়ির প্রতিটি পরতে পরতে।

প্রাচীন স্থাপত্য শৈলী ও আধুনিক নকশার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে আজকের নান্দনিক এই জমিদার বাড়ি।

জমিদারের বংশধরেরা এখানে বাস করেন না।দেশ ভাগের পর কেউ কেউ ওপারে চলে গেছেন অবশিষ্ট যারা রয়েছেন তারা গোপালগঞ্জ শহরে বসবাস করেন। বর্তমানে তারা ঔষধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।অ্যাকটিভ কোম্পানি নামে একটি ওষুধ কোম্পানি রয়েছে এবং মিলন ফার্মেসি নামে একটি খুচরা ঔষধ বিক্রয়ের দোকান রয়েছে।

প্রতিবছর এখানে জাঁকজমকপূর্ণ শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয়। এখানে দর্শনীয় একটি দুর্গা মন্দির রয়েছে।যা কারুকার্য খচিত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত।

জমিদার বাড়িতে প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। ভিতরে বাচ্চাদের বিনোদনের অনেক রাইডার রয়েছে। এগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন মূল্য তালিকা রয়েছে।প্রায় বর্গাকার পাড় বাঁধানো সুদৃশ্য পুকুর রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুলের সমারোহ। এককথায় উপভোগ্য ও মনোমুগ্ধকর। আপনি চাইলেই ঘুরে যেতে পারেন উলপুর জমিদার বাড়ি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

কালের সাক্ষী হয়ে আজও নিজেকে মেলে ধরেছে উলপুর জমিদার বাড়ি।

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আজ ১৮ মার্চ,২৬ মঙ্গলবার বিকেলে গোপালগঞ্জ জেলার উলপুর জমিদার বাড়ি পরিদর্শনে যান সারাক্ষণ বার্তার সম্পাদক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু।সফর সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সহকারী অধ্যাপক ( বাংলা) অনুকূল চন্দ্র মন্ডল। বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে যে জমিদারি শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জের উলপুর গড়ে উঠেছিল ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি। তত্ত্বাবধায়ক সূত্রে জানা যায়, জমিদার সুধন্য কুমার রায় চৌধুরী উলপুর জমিদার বাড়ির পত্তন করেন।এ বাড়ি থেকেই বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে জমিদারি শাসন চালাতেন।এখন জমিদারি নেই কিন্তু সেই স্মৃতি চিহ্ন এখনো রয়েছে জমিদার বাড়ির প্রতিটি পরতে পরতে।

প্রাচীন স্থাপত্য শৈলী ও আধুনিক নকশার মিশেলে তৈরি করা হয়েছে আজকের নান্দনিক এই জমিদার বাড়ি।

জমিদারের বংশধরেরা এখানে বাস করেন না।দেশ ভাগের পর কেউ কেউ ওপারে চলে গেছেন অবশিষ্ট যারা রয়েছেন তারা গোপালগঞ্জ শহরে বসবাস করেন। বর্তমানে তারা ঔষধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।অ্যাকটিভ কোম্পানি নামে একটি ওষুধ কোম্পানি রয়েছে এবং মিলন ফার্মেসি নামে একটি খুচরা ঔষধ বিক্রয়ের দোকান রয়েছে।

প্রতিবছর এখানে জাঁকজমকপূর্ণ শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয়। এখানে দর্শনীয় একটি দুর্গা মন্দির রয়েছে।যা কারুকার্য খচিত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত।

জমিদার বাড়িতে প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। ভিতরে বাচ্চাদের বিনোদনের অনেক রাইডার রয়েছে। এগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন মূল্য তালিকা রয়েছে।প্রায় বর্গাকার পাড় বাঁধানো সুদৃশ্য পুকুর রয়েছে। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফুলের সমারোহ। এককথায় উপভোগ্য ও মনোমুগ্ধকর। আপনি চাইলেই ঘুরে যেতে পারেন উলপুর জমিদার বাড়ি।