ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিসিক এর জিএম,পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? মোহনা টিভির চেয়ারম্যান,এমডি কারাগারে, মব গোষ্ঠির দখলে মোহনা টিভি!  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান। মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা।

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ১০৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিক এর জিএম,পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।