ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চট্টগ্রাম বন্দরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর দুই জাহাজের শুভেচ্ছা সফর। গাজীপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে গাড়িচাপায় শিক্ষিকার মৃত্যু। বাগেরহাটে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা রাজমিস্ত্রী গ্রেফতার। ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি এবং সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি। আল্টিমেটামের ভেতরেই ট্রাম্পের যুদ্ধ বিরতি,কোন পথে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ? ফুলছড়িতে জুয়ার আসরে অভিযান: মবের কবলে পুলিশ, উত্তেজনার মধ্যেই ৭ জুয়ারী গ্রেফতার। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সেই দুর্নীতিবাজ আব্দুর রশিদ মিয়া। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে ——মিজান চৌধুরী। বিজয়নগরে ১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার। নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫ গ্রেপ্তার ২০।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সেই দুর্নীতিবাজ আব্দুর রশিদ মিয়া।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তে আবার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মহা দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ মিয়া।

বিএনপি সরকারের বিশেষ চয়েসে তিনি এই নিয়োগ লাভ করেছেন। তার এই নিয়োগ দানে সারাদেশের এলজিইডি অফিসে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ দেখা দিয়েছে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। আর এই কর্মযজ্ঞকে কাজে লাগিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা গড়ে তুলেছেন নিজেদের সম্পদের পাহাড়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলোতে জনগণের যতটুকু লাভ হয় তার থেকে বেশি লাভ হয় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের।

সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্ত হাতে এসেছে । এই দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন হলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া।

এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট তৈরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরটিতে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই দপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদককে জানান, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া প্রায় ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে দপ্তরটির প্রধান প্রকৌশলী পথ বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন মোঃ আবদুর রশিদ এলজিইডিতে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে বড় একটি অংশ চলে যায় এলজিইডি এই সিন্ডিকেটের হাতে।প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া দুর্নীতির এই অর্থ কোথায় রেখেছেন?

আমাদের অনুসন্ধানী দল এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বের হয়ে আসে একাধিক তথ্য-উপাত্ত। দুর্নীতির অর্থে নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ ও ঢাকায় কিনেছেন জমি ও বেনামে একাধিক বাড়ি।ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন শত কোটি টাকা।

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন, বরুয়া মৌজায় তার নামে ক্রয়ে করেছেন ৭ কাঠা জমি, যার জার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের শাজাহান রোডের ডি-ব্লকের হোল্ডিং নং ৩২/৩ এর ছয়তলা বাড়িটিও তার। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ফাতেমা জাকিয়ার নামে ক্রয় করেছেন ফ্লাট। সিরাজগঞ্জের হাইওয়ে রাস্তার পাশে ৬০ কাঠা জায়গার উপর চালাচ্ছেন ফুড গার্ডেন নামে রেস্টুরেন্ট এবং তার পাশেই নিজ শ্যালকের নামে জমি ক্রয় করে দুইটি ৫তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। আব্দুর রশিদ তার নিজ গ্রাম কাজিপুর উপজেলায় সম্পদ পাহাড় গড়েছেন।

এই রকম একজন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীর হাতে এলজিইডির ভাগ্য তুলে দিয়ে বিএনপি সরকার একটি বিতর্কিত কাজ করেছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন ছাত্র, জনতা।

 

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর দুই জাহাজের শুভেচ্ছা সফর।

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সেই দুর্নীতিবাজ আব্দুর রশিদ মিয়া।

আপডেট সময় : ১২:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তে আবার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মহা দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ মিয়া।

বিএনপি সরকারের বিশেষ চয়েসে তিনি এই নিয়োগ লাভ করেছেন। তার এই নিয়োগ দানে সারাদেশের এলজিইডি অফিসে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ দেখা দিয়েছে কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ। আর এই কর্মযজ্ঞকে কাজে লাগিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা গড়ে তুলেছেন নিজেদের সম্পদের পাহাড়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলোতে জনগণের যতটুকু লাভ হয় তার থেকে বেশি লাভ হয় এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের।

সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্ত হাতে এসেছে । এই দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন হলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া।

এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট তৈরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মকর্তা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরটিতে দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই দপ্তরের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদককে জানান, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া প্রায় ৮০ কোটি টাকার বিনিময়ে দপ্তরটির প্রধান প্রকৌশলী পথ বাগিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন মোঃ আবদুর রশিদ এলজিইডিতে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এবং প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে বড় একটি অংশ চলে যায় এলজিইডি এই সিন্ডিকেটের হাতে।প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া দুর্নীতির এই অর্থ কোথায় রেখেছেন?

আমাদের অনুসন্ধানী দল এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বের হয়ে আসে একাধিক তথ্য-উপাত্ত। দুর্নীতির অর্থে নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ ও ঢাকায় কিনেছেন জমি ও বেনামে একাধিক বাড়ি।ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন শত কোটি টাকা।

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন, বরুয়া মৌজায় তার নামে ক্রয়ে করেছেন ৭ কাঠা জমি, যার জার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ কোটি টাকা। মোহাম্মদপুরের শাজাহান রোডের ডি-ব্লকের হোল্ডিং নং ৩২/৩ এর ছয়তলা বাড়িটিও তার। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ফাতেমা জাকিয়ার নামে ক্রয় করেছেন ফ্লাট। সিরাজগঞ্জের হাইওয়ে রাস্তার পাশে ৬০ কাঠা জায়গার উপর চালাচ্ছেন ফুড গার্ডেন নামে রেস্টুরেন্ট এবং তার পাশেই নিজ শ্যালকের নামে জমি ক্রয় করে দুইটি ৫তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। আব্দুর রশিদ তার নিজ গ্রাম কাজিপুর উপজেলায় সম্পদ পাহাড় গড়েছেন।

এই রকম একজন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীর হাতে এলজিইডির ভাগ্য তুলে দিয়ে বিএনপি সরকার একটি বিতর্কিত কাজ করেছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন ছাত্র, জনতা।