ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে। মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। সত্য প্রকাশ করায মিথ্যা মামলা দিয়ে সাংবাদিককে হয়রানি। জ্বালানি তেলের চাপ নিয়ন্ত্রনে ধামইরহাট পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি। অসহায় সাইফুল ইসলামের পাশে ইউএনও নুসরাত জাহান: দিলেন ২ বান টিন, নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার। শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায় রংধনু বিল্ডার্স। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ২জন গ্রেপ্তার: ২টি ট্র‍্যাক্টর ও ১টি এস্কেভেটর জব্দ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধারকৃত ১৪টি মোবাইল ফোন মালিকদের নিকট হস্তান্তর। চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি-এলপিজি ও গ্যাস অয়েলসহ আরো ৪ জ্বালানিবাহী জাহাজ। বন বিভাগের সরকারি জমি বিক্রি ও নেপথ্যে আমিন ভাঙ্গারি চক্র, প্রশাসন নির্বিকার।

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।

‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজটি আগামী বুধবার (৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে জাহাজটির অবস্থান আন্দামান সাগরে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল মার্শাল আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, জাহাজটিতে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। এছাড়া চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের আরেকটি জাহাজ, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম সারাক্ষণ বার্তাকে জানান, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরও জানান, গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামের আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এর মধ্যে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে।

উল্লেখ্যঃ সরকারের নির্দেশনা অনুসারে দেশে জ্বালানী সংকট না থাকলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পেট্রোল পাম্পগুলোতে হরহামেশাই অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটছে। যার অধিকাংশই বাইক চালকদের সাথেই। অর্থাৎ অকটেনের সংকটই মুলত এসব ঘটনার অন্যতম কারন। অকটেনের স্বল্পতার ঠিক এ সময়ে মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত অকটেন বহনকারী একটি জাহাজ দেশে আসার খবরে অনেকটা স্বস্থি বিরাজ করছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে।

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’।

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।

‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজটি আগামী বুধবার (৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে জাহাজটির অবস্থান আন্দামান সাগরে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল মার্শাল আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, জাহাজটিতে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। এছাড়া চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের আরেকটি জাহাজ, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম সারাক্ষণ বার্তাকে জানান, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে।

তিনি আরও জানান, গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামের আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এর মধ্যে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে।

উল্লেখ্যঃ সরকারের নির্দেশনা অনুসারে দেশে জ্বালানী সংকট না থাকলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পেট্রোল পাম্পগুলোতে হরহামেশাই অপ্রীতিকর কিছু ঘটনা ঘটছে। যার অধিকাংশই বাইক চালকদের সাথেই। অর্থাৎ অকটেনের সংকটই মুলত এসব ঘটনার অন্যতম কারন। অকটেনের স্বল্পতার ঠিক এ সময়ে মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত অকটেন বহনকারী একটি জাহাজ দেশে আসার খবরে অনেকটা স্বস্থি বিরাজ করছে।