ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে।

  • রোস্তম মল্লিক
  • আপডেট সময় : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩১০ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।

আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ডবয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।

একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে।

আপডেট সময় : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।

আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ডবয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।

একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।