ভোলা-৪ (চরফ্যাসন–মনপুরা) এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে ডোপ টেস্ট চালুর দাবিতে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে দাবি উঠেছে—আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনতে হবে।
উল্লেখ্য, এলাকাবাসীর অভিযোগ—বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং আইনি সেবার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে চরফ্যাসনের এপিপি (অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর) হযরত আলী হিরণের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতা, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, এসব কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।
আরও উল্লেখ্য, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইনের অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে, যা আইন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি—উক্ত অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি, আইনের রক্ষকদের দিয়েই ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু করে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জনগণের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সহজ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি 


















