ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে। মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। সত্য প্রকাশ করায মিথ্যা মামলা দিয়ে সাংবাদিককে হয়রানি। জ্বালানি তেলের চাপ নিয়ন্ত্রনে ধামইরহাট পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি। অসহায় সাইফুল ইসলামের পাশে ইউএনও নুসরাত জাহান: দিলেন ২ বান টিন, নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার। শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায় রংধনু বিল্ডার্স। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ২জন গ্রেপ্তার: ২টি ট্র‍্যাক্টর ও ১টি এস্কেভেটর জব্দ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে উদ্ধারকৃত ১৪টি মোবাইল ফোন মালিকদের নিকট হস্তান্তর। চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি-এলপিজি ও গ্যাস অয়েলসহ আরো ৪ জ্বালানিবাহী জাহাজ। বন বিভাগের সরকারি জমি বিক্রি ও নেপথ্যে আমিন ভাঙ্গারি চক্র, প্রশাসন নির্বিকার।

সত্য প্রকাশ করায মিথ্যা মামলা দিয়ে সাংবাদিককে হয়রানি।

শ্রীমঙ্গল একজন বিএনপি নেতা সাংবাদিক কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ-এর মৌলভীবাজার জেলা স্টাফ রিপোর্টার মো. এহসানুল হক, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম লিয়াকতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার) আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্রীমঙ্গল পৌর বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান।

এ ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বিশেষ করে মো. এহসানুল হকের মতো একজন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ দায়ের অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যেই একজন দায়িত্বশীল সংবাদকর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমন একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানির শিকার করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য নয়, বরং পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্যই একটি অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা মনে করি, এ ধরনের মামলা বা অভিযোগ সংবাদপত্র ও স্বাধীন সাংবাদিকতার উপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে। গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে, যেখানে সত্য তুলে ধরা এবং জনগণের পক্ষে কথা বলা সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের পথে এ ধরনের আইনি হয়রানি গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।

এছাড়াও, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে এভাবে মামলার আওতায় আনা হলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা বিশ্বাস করি, যে কোনো মতপার্থক্য বা অভিযোগের বিষয় শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়াই শ্রেয়।

অতএব, আমরা জোরালোভাবে এ মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি আহ্বান জানাই-গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সত্য প্রকাশের পথ সুগম রাখতে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে।

সত্য প্রকাশ করায মিথ্যা মামলা দিয়ে সাংবাদিককে হয়রানি।

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

শ্রীমঙ্গল একজন বিএনপি নেতা সাংবাদিক কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ-এর মৌলভীবাজার জেলা স্টাফ রিপোর্টার মো. এহসানুল হক, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম লিয়াকতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার) আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্রীমঙ্গল পৌর বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলতাফুর রহমান ওরফে নাজমুল হাসান।

এ ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বিশেষ করে মো. এহসানুল হকের মতো একজন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ দায়ের অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যেই একজন দায়িত্বশীল সংবাদকর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমন একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানির শিকার করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য নয়, বরং পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্যই একটি অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা মনে করি, এ ধরনের মামলা বা অভিযোগ সংবাদপত্র ও স্বাধীন সাংবাদিকতার উপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে। গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে, যেখানে সত্য তুলে ধরা এবং জনগণের পক্ষে কথা বলা সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের পথে এ ধরনের আইনি হয়রানি গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।

এছাড়াও, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে এভাবে মামলার আওতায় আনা হলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা বিশ্বাস করি, যে কোনো মতপার্থক্য বা অভিযোগের বিষয় শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়াই শ্রেয়।

অতএব, আমরা জোরালোভাবে এ মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি আহ্বান জানাই-গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সত্য প্রকাশের পথ সুগম রাখতে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।