ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা…..

“যে জিয়া মিশে আছে জনতার স্পন্দনে, মৃত্যুর সাধ্য নেই তারে বাঁধে মরণের বন্ধনে”।

ক্যালেন্ডারের পাতা ঘুরে আবারও সেই রক্তঝরা ৩০ মে। এই দিনটি এলেই যেন বাংলার আকাশ ভারী হয়ে ওঠে, থমকে যায় প্রতিটি দেশপ্রেমিকের হৃদস্পন্দন। ৪১ বছর বয়সের এক টগবগে রাষ্ট্রনায়ককে সেদিন ঘাতকের বুলেট শুধু কেড়ে নেয়নি, বিদ্ধ করেছিল এক সদ্য স্বাধীন জাতির আত্মাকে।

হে কালজয়ী মহানায়ক,

আমরা সেই প্রজন্ম, যাদের আপনাকে নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য হইনি।

কিন্তু আমরা শুনেছি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা আপনার সেই বজ্রকণ্ঠের গল্প, যে কণ্ঠ একদিন দিশেহারা জাতিকে দিয়েছিল মুক্তির মন্ত্র।

ধ্বংসস্তূপ থেকে পরম মমতায় আপনি গড়ে তুলেছিলেন এক নতুন বাংলাদেশ।

ঘাতকেরা ভেবেছিল আপনাকে মুছে দেবে। কিন্তু তারা জানতো না, বাংলার ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিটি মেহনতি মানুষের ঘামে আর কোটি তরুণের শিরায় শিরায় আপনি মিশে আছেন এক অবিনাশী আদর্শ হয়ে। আজ আপনার শূন্যতা আমাদের কেবল কাঁদায় না, আমাদের বুকের ভেতর জ্বালিয়ে দেয় প্রতিবাদের এক অদম্য বারুদ।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বপ্নদ্রষ্টা-শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে একবুক হাহাকার আর অশ্রুসিক্ত বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

 

আপনি ঘুমাচ্ছেন প্রিয় নেতা, কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া সবুজ পতাকাটি আজও আমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। যতোদিন এই বাংলায় একটি নদী বইবে, একটি পাখি উড়বে, ততোদিন আপনি বেঁচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মোঃ বাশার আজাম প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা।

“যে জিয়া মিশে আছে জনতার স্পন্দনে, মৃত্যুর সাধ্য নেই তারে বাঁধে মরণের বন্ধনে”।

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ক্যালেন্ডারের পাতা ঘুরে আবারও সেই রক্তঝরা ৩০ মে। এই দিনটি এলেই যেন বাংলার আকাশ ভারী হয়ে ওঠে, থমকে যায় প্রতিটি দেশপ্রেমিকের হৃদস্পন্দন। ৪১ বছর বয়সের এক টগবগে রাষ্ট্রনায়ককে সেদিন ঘাতকের বুলেট শুধু কেড়ে নেয়নি, বিদ্ধ করেছিল এক সদ্য স্বাধীন জাতির আত্মাকে।

হে কালজয়ী মহানায়ক,

আমরা সেই প্রজন্ম, যাদের আপনাকে নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য হইনি।

কিন্তু আমরা শুনেছি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা আপনার সেই বজ্রকণ্ঠের গল্প, যে কণ্ঠ একদিন দিশেহারা জাতিকে দিয়েছিল মুক্তির মন্ত্র।

ধ্বংসস্তূপ থেকে পরম মমতায় আপনি গড়ে তুলেছিলেন এক নতুন বাংলাদেশ।

ঘাতকেরা ভেবেছিল আপনাকে মুছে দেবে। কিন্তু তারা জানতো না, বাংলার ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিটি মেহনতি মানুষের ঘামে আর কোটি তরুণের শিরায় শিরায় আপনি মিশে আছেন এক অবিনাশী আদর্শ হয়ে। আজ আপনার শূন্যতা আমাদের কেবল কাঁদায় না, আমাদের বুকের ভেতর জ্বালিয়ে দেয় প্রতিবাদের এক অদম্য বারুদ।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বপ্নদ্রষ্টা-শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে একবুক হাহাকার আর অশ্রুসিক্ত বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

 

আপনি ঘুমাচ্ছেন প্রিয় নেতা, কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া সবুজ পতাকাটি আজও আমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। যতোদিন এই বাংলায় একটি নদী বইবে, একটি পাখি উড়বে, ততোদিন আপনি বেঁচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মোঃ বাশার আজাম প্রমুখ।