ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

তজুমদ্দিনে কোটি টাকার মাদ্রাসা ভবন, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

তজুমদ্দিনে কোটি টাকার মাদ্রাসা ভবন, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন

 

খন্দকার নিরব, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:

 

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১ কোটি ৩০ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভবনের ঢালাইয়ে কথিত এনালক সেন্টারিং ও নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, ভোলার Award of Contract তথ্য অনুযায়ী, চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, স্যানিটারি, পানি সরবরাহ ও বিদ্যুতায়ন কাজের ঠিকাদার মো. খালিদ হোসেন। কাজটি শেষ করতে ৫৪০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল ঠিকাদার নিজে কাজ বাস্তবায়ন না করে লালমোহনের হাজী জুলফিকার মিয়ার মাধ্যমে কাজটি করাচ্ছেন।

 

স্থানীয়দের দাবি, ছাদ ঢালাইয়ের জন্য আনা পাথরসহ কিছু নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনের ঢালাইয়ে নির্ধারিত মানের নির্মাণসামগ্রী ও অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ব্যবহৃত পাথর ও অন্যান্য সামগ্রীর মান পরীক্ষা করারও দাবি উঠেছে।

 

মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, “আমরা শিক্ষক মানুষ, নির্মাণকাজের নিয়ম-কানুন তেমন বুঝি না। ঠিকাদারের লোকজন সেন্টারিংয়ে কাঠ ব্যবহার করছে। আমরা চাই, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজটি করা হোক।”

 

এ বিষয়ে ভোলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, “পাথরের ঢালাইয়ের কাজে এনালক সেন্টারিং ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। মাদ্রাসার ভবন নির্মাণকাজে এমনটি হলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাথরসহ অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নির্মাণকাজ অনুমোদিত নকশা, স্পেসিফিকেশন ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মেনে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে কাজের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

তজুমদ্দিনে কোটি টাকার মাদ্রাসা ভবন, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১১:২৩:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তজুমদ্দিনে কোটি টাকার মাদ্রাসা ভবন, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন

 

খন্দকার নিরব, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:

 

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১ কোটি ৩০ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভবনের ঢালাইয়ে কথিত এনালক সেন্টারিং ও নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগে নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, ভোলার Award of Contract তথ্য অনুযায়ী, চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, স্যানিটারি, পানি সরবরাহ ও বিদ্যুতায়ন কাজের ঠিকাদার মো. খালিদ হোসেন। কাজটি শেষ করতে ৫৪০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূল ঠিকাদার নিজে কাজ বাস্তবায়ন না করে লালমোহনের হাজী জুলফিকার মিয়ার মাধ্যমে কাজটি করাচ্ছেন।

 

স্থানীয়দের দাবি, ছাদ ঢালাইয়ের জন্য আনা পাথরসহ কিছু নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনের ঢালাইয়ে নির্ধারিত মানের নির্মাণসামগ্রী ও অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ব্যবহৃত পাথর ও অন্যান্য সামগ্রীর মান পরীক্ষা করারও দাবি উঠেছে।

 

মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, “আমরা শিক্ষক মানুষ, নির্মাণকাজের নিয়ম-কানুন তেমন বুঝি না। ঠিকাদারের লোকজন সেন্টারিংয়ে কাঠ ব্যবহার করছে। আমরা চাই, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজটি করা হোক।”

 

এ বিষয়ে ভোলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, “পাথরের ঢালাইয়ের কাজে এনালক সেন্টারিং ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। মাদ্রাসার ভবন নির্মাণকাজে এমনটি হলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাথরসহ অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নির্মাণকাজ অনুমোদিত নকশা, স্পেসিফিকেশন ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মেনে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে কাজের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।