লিফট দুর্ঘটনা রক্ষণাবেক্ষণ জনিত গাফিলতি নয়, মেটেরিয়াল গত সমস্যা
মিরপুর পাইকপাড়া লিফট দুর্ঘটনার কারণ বের হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, লিফটের কাউন্টার ওয়েটের পুলি যে শ্যাফটের উপরে থাকে, উক্ত শ্যাফট ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেছে। কিন্তু লিফটের রোপ অক্ষত রয়েছে।
পুলি ভেঙ্গে পড়ার কারণে রোপ লুজ হয়ে যাওয়ার কারণে কেবিন নিচের দিকে নামতে থাকে। স্টিলের রোপ দুর্ঘটনা জনিত কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনা একেবারেই অস্বাভাবিক বলে প্রতীয়মান হয়। কারণ লিফটের শ্যাফট লাইফ টাইম অক্ষত থাকার কথা। এখানে শ্যাফটের দুর্বলতা রয়েছে। শ্যাফটটি ব্রাকেটের মাঝখানে উভয় পাশে আটকানো ছিল এবং শ্যাফটটির উপর দিয়েই পুলিটি কাউন্টার ওয়েট এবং লিফটের কেবিন কে উঠানামা করাত। যেভাবে শ্যাফট ব্রাকেটের পাশ থেকে ভেঙ্গে পড়েছে তা স্বাভাবিক চোখে দেখে বোঝা যায় না। ব্রাকেটের পাশে নিবিড় ভাবে এটি আটকে ছিল।
শ্যাফটির কাস্ট আয়রন যথেষ্ট সঠিক ছিল কিনা সেটি টেস্ট করে বোঝা যাবে। সাধারণত কোন কাস্ট আয়রন স্থায়ী স্ট্রাকচার মেইনটেইন করার প্রয়োজন পড়ে না। এই ধরনের ঘটনা ১০ লক্ষের ভিতরে একটিও ঘটে কিনা সন্দেহ আছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ইতো পূর্বেও লিফট টি যথাযথভাবে মেইনটেইন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করা হয়েছে। পরিবর্তন করা মালামাল সংশ্লিষ্ট সাইটে পাওয়া যায়। এছাড়াও উক্ত ক্যাম্পাসের অন্যান্য লিফটের অনেক যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করা হয়েছে যা সাইটে সরেজমিনে পাওয়া যায়। এত কিছু সত্বেও এই ধরনের দুর্ঘটনা একেবারেই অনভিপ্রেত এবং বোধের অগম্য। এটি একটি নিছক দুর্ঘটনা বলেই এ প্রতিবেদকের নিকট প্রতীয়মান হয়েছে।
এ দুর্ঘটনার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সারাক্ষণ ডেস্ক 


















