ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কটিয়াদীতে দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম ও সহযোগী গ্রেপ্তার। স্ত্রী—সন্তান ও স্বজনদের নামে শত শত বিঘা জমি, শহরে বহুতল ভবন—মার্কেটসহ বিপুল সম্পদ দুদকে তদন্ত চলমান। শিক্ষাঙ্গন কি এখন অপরাধীদের নতুন টার্গেট? নিরাপত্তাহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মানে অনিরাপদ ভবিষ্যৎ। শিক্ষকের প্রতি সহিংসতা: একটি ভাইরাল ছবি নয়, রাষ্ট্র ও সমাজের মূল্যবোধের আয়না। মাননীয় সংসদ সদস্য ৩২-গাইবান্ধা ৪- গোবিন্দগঞ্জ ড. মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন কে সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান গাইবান্ধাবাসী। গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: ‘তথ্য সন্ত্রাস’ নাকি অনিয়মের অনুসন্ধান? নেপথ্যে কি পদ দখলের সমীকরণ ? কক্সবাজারে বিজিবির পৃথক ৪ অভিযানে ২ লাখ ৭ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৭। সিলেটে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে অন্যত্র নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেফতার। কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৫। বীরগঞ্জে বাসাবাড়ী- ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও মহিলাদের লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন।

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে ফাঁসলেন রাজউক উপপরিচালক ও তার স্ত্রী

  • সারাক্ষণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ৩৩১ জন সংবাদটি পড়েছেন

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে না পারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ফাঁসলেন রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। উক্ত বিবরণীতে তিনি মোট ৬৩ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকার অস্থাবর সম্পদ বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য উপস্থাপন করেন। সেখানে দাবি করেন, ওই টাকা তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি অবসরের সময় ভবিষ্যৎ তহবিল ও পেনশন বাবদ মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫১ টাকা পেয়েছেন। উক্ত পরিমাণ অর্থ থেকে কন্যাকে দান, ঋণ বা অনুদান প্রদানের কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামির বড় ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনকেও কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের নজির নেই।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ঐশী একজন গৃহিণী। তার নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস বা অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি আয়কর নিবন্ধন নিলেও কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি। প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র অনুসারে দুদক মনে করে তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কটিয়াদীতে দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম ও সহযোগী গ্রেপ্তার।

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে ফাঁসলেন রাজউক উপপরিচালক ও তার স্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

৬৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের হিসাব দিতে না পারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ফাঁসলেন রাজউকের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সোহাগ মিয়া ও তার স্ত্রী ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী।

শনিবার (৫ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওয়াজেফু তাবাসসুম ঐশী ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। উক্ত বিবরণীতে তিনি মোট ৬৩ লাখ ১১ হাজার ২২২ টাকার অস্থাবর সম্পদ বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য উপস্থাপন করেন। সেখানে দাবি করেন, ওই টাকা তার পিতা মো. ওয়াজেদ আলীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। যিনি কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে ফোরম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি অবসরের সময় ভবিষ্যৎ তহবিল ও পেনশন বাবদ মোট ২৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫১ টাকা পেয়েছেন। উক্ত পরিমাণ অর্থ থেকে কন্যাকে দান, ঋণ বা অনুদান প্রদানের কোনো লিখিত বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামির বড় ভাই ওয়াহেদুস সাবা মিথুনকেও কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের নজির নেই।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ঐশী একজন গৃহিণী। তার নিজস্ব কোনো আয়ের উৎস বা অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি আয়কর নিবন্ধন নিলেও কোনো আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি। প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র অনুসারে দুদক মনে করে তিনি ও তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।