ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎

মাগুরা ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মেম্বার ছুরমানের বিরুদ্ধে ।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৮৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

মাগুরা শালিখা উপজেলায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের প্রকল্প নম্বর ৪১ ধোপাখালী ঈদগাহের মাঠে মাটি ভরাটের বরাদ্দ ছিলো ২,০৫,৪৮২ টাকা অর্থ্যাৎ ২ লাখ ৫ হাজার ৪ শত ৮২ টাকা। আর একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের ৬৬ নম্বর প্রকল্পের ধোপাখালী জামে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক আকারে কাজের অনিয়ম ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শতখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি মেম্বার সদস্য ছুরমান এর বিরুদ্ধে।

ধোপাখালী ঈদগাহে মাঠের মাটি ভরাট এর জন্য শাহাদাৎ হোসেন মোল্লার পুত্র সোহান মোল্লা দরখাস্ত করে শালিখা উপজেলা পরিষদের পিআইও অফিসে। রহিমের দোকানে বসে মেম্বার ছুরমান আলোচনা করে দরখাস্ত করে দিলে ঈদগাহের মাঠে ভরাট করার জন্য টাকা পাওয়া যেত। আর এই আলোচনা মতো কাবিটা প্রকল্পের ২ লাখ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা তুলে পুরো টাকায় আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার। আর এই বিষয়ে ক্যাশিয়ার আবু বক্কার জানান, ঈদগাহে টাকা ছাড়াই কিছু মাটি দিয়েছিলো কায়েম শেখ নামে এক লোক। তিনি আরও জানান, ছুরমান মেম্বার ধোপাখালী ঈদগাহ ও মাদরাসার সভাপতি হওয়ায় সমস্ত টাকা সে তুলে আত্মসাৎ করেছে।

এদিকে ধোপাখালী জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ হাশেম আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও ক্যাশিয়ার ফারুক হোসেন জানান, আমরা তিনজন মিলে ২ লাখ টাকা আড়পাড়া পিআইও অফিস থেকে তুলে ছিলাম। ১ লাখ টাকা ছুরমান মেম্বার নিয়েছে এবং বাকী ১ লাখ টাকা মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার ফারুকের কাছে থেকে আওলাদ স্বরূপ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে ছুরমান মেম্বার।

এবিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান জানান, ২ লাখ টাকার বরাদ্দ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পেয়েছি কিন্তু ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার।

শালিখা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানান, মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহের বরাদ্দের সমস্ত টাকা কাজে ব্যয় করতে হয়। আর সম্পূর্ণ কাজ না করা হলে বিল দেওয়া হয়না কিন্তু শতখালী ইউনিয়নের ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও মসজিদের কাজের উন্নয়ন কাজের পিআইসি ছিলেন মেম্বার ছুরমান। বিষয়টি আমি দেখছি এবং বর্তমানে আমি মহম্মদপুর উপজেলায় আছি এই বলে গড়িমসি কথাবার্তা বলেন।

এবিষয়ে পিআইও অফিসার রাশেদুল হাসান এখনও কোন ব্যবস্থা নেননি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু

মাগুরা ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও মসজিদের উন্নয়ন কাজের প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগ মেম্বার ছুরমানের বিরুদ্ধে ।

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

মাগুরা শালিখা উপজেলায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের প্রকল্প নম্বর ৪১ ধোপাখালী ঈদগাহের মাঠে মাটি ভরাটের বরাদ্দ ছিলো ২,০৫,৪৮২ টাকা অর্থ্যাৎ ২ লাখ ৫ হাজার ৪ শত ৮২ টাকা। আর একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) সাধারণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলাভিত্তিক ১ম ও ২য় কিস্তির গৃহিত শতখালী ইউনিয়নের ৬৬ নম্বর প্রকল্পের ধোপাখালী জামে মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক আকারে কাজের অনিয়ম ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শতখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি মেম্বার সদস্য ছুরমান এর বিরুদ্ধে।

ধোপাখালী ঈদগাহে মাঠের মাটি ভরাট এর জন্য শাহাদাৎ হোসেন মোল্লার পুত্র সোহান মোল্লা দরখাস্ত করে শালিখা উপজেলা পরিষদের পিআইও অফিসে। রহিমের দোকানে বসে মেম্বার ছুরমান আলোচনা করে দরখাস্ত করে দিলে ঈদগাহের মাঠে ভরাট করার জন্য টাকা পাওয়া যেত। আর এই আলোচনা মতো কাবিটা প্রকল্পের ২ লাখ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা তুলে পুরো টাকায় আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার। আর এই বিষয়ে ক্যাশিয়ার আবু বক্কার জানান, ঈদগাহে টাকা ছাড়াই কিছু মাটি দিয়েছিলো কায়েম শেখ নামে এক লোক। তিনি আরও জানান, ছুরমান মেম্বার ধোপাখালী ঈদগাহ ও মাদরাসার সভাপতি হওয়ায় সমস্ত টাকা সে তুলে আত্মসাৎ করেছে।

এদিকে ধোপাখালী জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ হাশেম আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও ক্যাশিয়ার ফারুক হোসেন জানান, আমরা তিনজন মিলে ২ লাখ টাকা আড়পাড়া পিআইও অফিস থেকে তুলে ছিলাম। ১ লাখ টাকা ছুরমান মেম্বার নিয়েছে এবং বাকী ১ লাখ টাকা মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার ফারুকের কাছে থেকে আওলাদ স্বরূপ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে ছুরমান মেম্বার।

এবিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান জানান, ২ লাখ টাকার বরাদ্দ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পেয়েছি কিন্তু ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে ছুরমান মেম্বার।

শালিখা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানান, মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহের বরাদ্দের সমস্ত টাকা কাজে ব্যয় করতে হয়। আর সম্পূর্ণ কাজ না করা হলে বিল দেওয়া হয়না কিন্তু শতখালী ইউনিয়নের ধোপাখালী ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও মসজিদের কাজের উন্নয়ন কাজের পিআইসি ছিলেন মেম্বার ছুরমান। বিষয়টি আমি দেখছি এবং বর্তমানে আমি মহম্মদপুর উপজেলায় আছি এই বলে গড়িমসি কথাবার্তা বলেন।

এবিষয়ে পিআইও অফিসার রাশেদুল হাসান এখনও কোন ব্যবস্থা নেননি।