বর্তমান সময়ে তথাকথিত ‘যোগ্য ও সৎ’ রেল কর্মকর্তা মাহবুব চৌধুরীর বাস্তব বৈশিষ্ট্যসমূহ:
• অভিজ্ঞতার ভানে চরম অনভিজ্ঞতার পরিচয়, যা সিদ্ধান্তকে করে তোলে হাস্যকর।
• নেতৃত্বের অভিনয়ে ভীতু আত্মরক্ষাই যেখানে একমাত্র কৌশল।
• নিজের তথাকথিত সততার অহংকারে চিহ্নিত অসৎ চক্রের প্রতি অন্ধ ও বিপজ্জনক আস্থা।
• দৃঢ় সিদ্ধান্তের মুহূর্তে চক্রের ফাঁদে আটকে পড়ে সিদ্ধান্তহীনতার জঞ্জালে পরিণত হওয়া।
• ক্রয় স্বচ্ছতার বুলি আওড়াতে আওড়াতে অজ্ঞানেই ক্রয়-সিন্ডিকেট চক্রের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হয়ে ওঠা।
• দুর্নীতিবাজকে প্রতিরোধ বা শাস্তি দেওয়ার সাহস না রেখে, তাদের কাছ থেকেই নীতির একক পরামর্শ গ্রহণ করে প্রশাসন চালানো।
• চিহ্নিত সমস্যার বাস্তব সমাধানের বদলে মুখস্থ বক্তৃতায় সমস্যাকে লালন-পালন করে দীর্ঘস্থায়ী করার সস্তা কৌশল।
• সততা রক্ষার অজুহাতে অধস্তনদের ঢাল বানিয়ে অজান্তেই মাঠপর্যায়ে ৬% ঘুষ কালেকশনের পূর্ণাঙ্গ ক্যাশিয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
• দিনশেষে সরলতা আর সততার ট্যাবলেট বিক্রি করতে করতে সকল ব্যর্থতাকে ঢেকে ফেলার প্রাণপণ চেষ্টা।
সারাক্ষণ ডেস্ক 


















