ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া।

মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–রংপুর ফোর লেন।!

 

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে।

সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক।

সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্তকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত।

মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–রংপুর ফোর লেন।!

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী অংশে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর মহাসড়কের ফোরলেন সড়কের পাশে সংরক্ষিত ভেরিয়েবল স্পেস ও বেল্ট মাউন্ট এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ দখল, কর্তৃপক্ষের নীরবতা প্রশ্নের মুখে।

সড়কের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের জন্য নির্ধারিত এসব জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, শুরুতে চায়ের স্টল ও ভ্রাম্যমাণ ভ্যান বসানো হলেও সময়ের সঙ্গে সেখানে কাঠামোবদ্ধ দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারী, বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধীরগতির যানবাহন যেমন রিকশা, সিএনজি ও অটোরিকশাকে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে সরাসরি মহাসড়কের ওপরেই। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা জানান, ব্যস্ত সময় ও রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাদের দাবি, দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হোক।

সড়ক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভেরিয়েবল স্পেস ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্তকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন থামানোর জন্য সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে বেল্ট মাউন্ট বা সবুজ বেষ্টনী ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ কমানো এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব এলাকা দখল হয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফিরোজ আক্তার জানান, পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি জোরদার ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে এবং মহাসড়কটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।