ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মিটফোর্ডে ওষুধ সিন্ডিকেটের অভিযোগ : গোপনে উৎপাদন ও সারা দেশে সরবরাহ—জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে ? “সবার আগে বাংলাদেশ” বিনির্মাণে তারেক রহমানেই ভরসা।পাবে গণতন্ত্রের পূর্ণতা।গড়ে উঠবে মানবিক বাংলাদেশ। ফাঁসির কাঠগড়া’ থেকে ফিরে এমপি হলেন বাবর-পিন্টু-আজহার।এ যেন সিনেমার গল্প! এমপিদের শপথ পড়াবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের শপথ রোববার, মন্ত্রীপরিষদের শপথ সোমবার ও মঙ্গলবার। বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা। স্বামীর টাকা–স্বর্ণালংকার নিয়ে মাদারীপুরে যুবকের সাথে পালিয়ে এলেন গোপালগঞ্জ জেলার প্রবাসীর স্ত্রী। আজীবনের জন্য বিএনপি থেকে বহিষ্কার শাহ আলম। মাদারীপুরে ধানের শীষের বিজয়। তৃণমূলে খুশির জোয়ার। সুত্রাপুরে ভোট কেনার সময় জামায়াতের নায়েবে আমির আটক, দুই দিনের কারাদণ্ড।

এমপিদের শপথ পড়াবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩২ জন সংবাদটি পড়েছেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মহামান্য প্রেসিডেন্ট মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি শপথ পড়াবেন। এরই মধ্যে তাকে প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র সারাক্ষণ বার্তাকে জানিয়েছে এ তথ্য।এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল। পূর্বতন সংসদের কোনো স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর এই আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলেন।

তিনি বলেছিলেন, নির্বাচিত এমপিগণ সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নিলেও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরিস্থিতির কারণে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। তার আগে আগস্ট মাসে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেফতার হয়ে এখন দণ্ডিত।

এ পরিস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন, এ নিয়ে দেখা দেয় বিভ্রান্তি। আইন উপদেষ্টা আরো বলেছিলেন বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদের শপথ গ্রহণ করানোর কথা স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আরেকজন কারাগারে রয়েছেন।

তাদের (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এ অবস্থায় তাদের দিয়ে শপথ গ্রহণ করার কোনো রকম সুযোগ আছে বলে মনে করেন না আইন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে আছে, ওনারা (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) যদি শপথ গ্রহণ করাতে না পারেন, তাহলে প্রেসিডেন্ট মনোনীত, অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে প্রেসিডেন্ট মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন, এক। দুই হচ্ছে, তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথ না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায় আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) জাতীয় সংসদ ভবনে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। পরদিন সোমবার বা মঙ্গলবার বঙ্গভবনে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ। এমপিদের শপথ গ্রহণের পরই নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ট আসন পাওয়া বিএনপিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন মহামান্যা প্রেসিডেন্ট।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মিটফোর্ডে ওষুধ সিন্ডিকেটের অভিযোগ : গোপনে উৎপাদন ও সারা দেশে সরবরাহ—জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে ?

এমপিদের শপথ পড়াবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

আপডেট সময় : ০২:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মহামান্য প্রেসিডেন্ট মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি শপথ পড়াবেন। এরই মধ্যে তাকে প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র সারাক্ষণ বার্তাকে জানিয়েছে এ তথ্য।এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল। পূর্বতন সংসদের কোনো স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর এই আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলেন।

তিনি বলেছিলেন, নির্বাচিত এমপিগণ সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নিলেও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরিস্থিতির কারণে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। তার আগে আগস্ট মাসে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেফতার হয়ে এখন দণ্ডিত।

এ পরিস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন, এ নিয়ে দেখা দেয় বিভ্রান্তি। আইন উপদেষ্টা আরো বলেছিলেন বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদের শপথ গ্রহণ করানোর কথা স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আরেকজন কারাগারে রয়েছেন।

তাদের (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এ অবস্থায় তাদের দিয়ে শপথ গ্রহণ করার কোনো রকম সুযোগ আছে বলে মনে করেন না আইন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে আছে, ওনারা (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) যদি শপথ গ্রহণ করাতে না পারেন, তাহলে প্রেসিডেন্ট মনোনীত, অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে প্রেসিডেন্ট মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন, এক। দুই হচ্ছে, তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথ না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায় আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) জাতীয় সংসদ ভবনে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। পরদিন সোমবার বা মঙ্গলবার বঙ্গভবনে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ। এমপিদের শপথ গ্রহণের পরই নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ট আসন পাওয়া বিএনপিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন মহামান্যা প্রেসিডেন্ট।