এই মহাপবিত্র মানুষটা – পাবনা জেলা ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সভাপতি হন,তারপর হন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক।
পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির চেয়ারম্যান,অতঃপর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হন।সেখান থেকে চুড়ান্ত বাছাই করে শেখ হাসিনা তাকে রাষ্টপতি বানায়।
তাছাড়া ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পরপর নাকি আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর নাকি হামলা হয়। যাতে অভিযোগ করা হয়…
হ*ত্যা, ধ*র্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে \কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
তিনি ২০০৯ সাল থেকে-২০১৬ সাল পর্যন্ত দুদকের চেয়ারম্যান ছিলো। দুদকের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মেইন অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা। আরাফাত রহমান কোকোর নামে বিদেশ থেকে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা।
কমিশনার চুপ্পুর দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আ.লীকে ক্লিন শিট দেয়া।
তৃতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো ফখরুদ্দিন-মঈন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনাসহ আ.লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলো বাতিল করে দেয়া।
এই তিন অ্যাসাইনমেন্টসহ নিয়োগ কর্তার অর্পিত সব দায়িত্বই অত্যন্ত আনুগত্যের সাথে করেছেন জনাব চুপ্পু। জনৈক বুদ্ধিজীবী মন্তব্য করেছেন আমার দেখা সবচেয়ে ওবিডিয়েন্ট মানুষ মান্যবর রাষ্ট্রপতি।
তাছাড়া ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পিছনে তার একটা অবদান ও আছে।এবং এস আলম এর হাতে ইসলামী ব্যাংকের সকল টাকা তুলেও তিনিই দিয়েছেন।
সারাক্ষণ ডেস্ক 




















