ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাদারীপুর-২ সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নয়া মোড়। ভেজাল ঔষধে জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় ! আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় ও আই,কে ল্যাবরেটরীজের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ ! ঔষধ প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার “গোপন সমঝোতা”য় বহাল অবৈধ কারবার ! শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। কালকিনিতে সেনা হেফাজতে যুবক নিহতের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সুকন্ঠ গাইন ও মৃণাল সরকারকে সাংগঠনিক ও দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পদ হতে অব্যাহতি। “নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোটে ধানের শীষের পক্ষে হোক” শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত নারায়ণগঞ্জ। দিনাজপুরে অবৈধ ইজি-বাইক সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান। দিনাজপুরে মাদ্রাসার অফিসকক্ষে অগ্নিসংযোগ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুটের অভিযোগ। মাগুরা সদর হাসপাতালে এক্স-রে বিভাগের রাজস্ব হরিলুট: আফজালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাদারীপুরের রাজৈরে বিএনপি মনোনীত মাদারীপুর-২ সংসদীয় আসনের প্রার্থী জাহানদার আলী জাহানের নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল।

ভেজাল ঔষধে জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় ! আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় ও আই,কে ল্যাবরেটরীজের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ ! ঔষধ প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার “গোপন সমঝোতা”য় বহাল অবৈধ কারবার !

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলনের মুখে সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একের পর এক সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করে। মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ চক্র দমনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’, প্রশাসনিক দুর্নীতি রুখতে দুদকের পুনর্গঠন—সব মিলিয়ে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জাগে। এরই ধারাবাহিকতায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ নিলেও, বাস্তবে এসব উদ্যোগ কার্যত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে বিতর্কিত কিছু ঔষধ কোম্পানির লাগামহীন কর্মকাণ্ডে।

সম্প্রতি আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লিমিটেড ও আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি) নামক দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠেছে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাতের ভয়ংকর অভিযোগ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জাতীয় ফর্মুলারির বাইরে গিয়ে ‘নিজস্ব রেসিপিতে’ ঔষধ !

প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী,

আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি: উৎপাদন লাইসেন্স নং আয়ু-০৮৬, ঠিকানা: ঢাকা। আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি): উৎপাদন লাইসেন্স নং ২৯৮, ঠিকানা: ঢাকা।

অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারী ও জাতীয় ইউনানি ফর্মুলারী অনুসরণ না করে, নিজেদের ইচ্ছামতো কালার, ফ্লেভার ও কেমিক্যাল ব্যবহার করে ঔষধ তৈরি করছে। এরপর আকর্ষণীয় নাম, লেবেল ও কার্টুন ছাপিয়ে গুণগত মানের তোয়াক্কা না করেই বাজারে ছাড়ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নথি সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা সরাসরি সহায়তা দিচ্ছেন। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন একজন পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চমান সহকারী এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

কোন কোন ঔষধ নিয়ে অভিযোগ :

আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি. এর বিতর্কিত ঔষধের মধ্যে রয়েছে— কামিনী বিদ্রাবণ রস (হালওয়া), শুক্রসুধা (হালওয়া), বৃহৎচন্দ্রোদয় মকরধ্বজ ট্যাবলেট, আইকে আমলকি রসায়ন, আইকে দশমূলারিস্ট, আইকে রোজ ভিট, সরবত তুলসী, আইকে গোল্ড ট্যাবলেট এবং আইকে অর্জুনারিস্ট সিরাপ।

অন্যদিকে আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি) এর বিতর্কিত ঔষধের মধ্যে রয়েছে— আরক ডাইকোপ্লেক্স (ফওলাদ সাইয়াল), আরক ডাইকোপ্লেক্স গোল্ড (ফওলাদ সাইয়াল) সিরাপ, নাইট্রিন (জিরিয়ানী), কার্ডিফেক্স সিরাপ, আইকে ভিট সিরাপ, আইকে জিনসিন (শরবত জিনসিন) এবং বাসক সিরাপ।

ভায়াগ্রার উপাদান, পশু মোটা-তাজাকরণ কেমিক্যাল !

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হলো— আইকে জিনসিন (শরবত জিনসিন) সিরাপে ভায়াগ্রার উপাদান ‘সিলডেনাফিল সাইট্রেট’ ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া আইকে-ভিট সিরাপে গবাদি পশু মোটা-তাজাকরণে ব্যবহৃত কেমিক্যাল প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি আইকে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি. এর শুক্রসুধা ও কামিনী বিদ্রাবণ রস-এও সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঔষধ সেবনে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে মানুষের যৌন ক্ষমতা স্থায়ীভাবে লোপ পেতে পারে। এর ফলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও দাম্পত্য কলহ। উদ্বেগজনকভাবে, স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিশোর-কিশোরীরাও এসব তথাকথিত যৌন উত্তেজক ঔষধের ফাঁদে পড়ে সামাজিক অবক্ষয়ের শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন এসব কেমিক্যালযুক্ত ঔষধ সেবনে বহু মানুষের লিভার, কিডনি ও হার্ট বিকল হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে।

প্রশ্নের মুখে ঔষধ প্রশাসন : বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিকবার লেখালেখি হলেও রহস্যজনকভাবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের টনক নড়ছে না। অভিযোগ রয়েছে, বিতর্কিত এসব ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ কোম্পানি “গোপন সমঝোতার মাধ্যমে” কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছে, যার ফলে তাদের বিরুদ্ধে আজও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এখন প্রশ্ন উঠছে— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনস্বাস্থ্য রক্ষার ঘোষণার পরও, কার ছত্রচ্ছায়ায় এসব কোম্পানি প্রকাশ্যে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলছে? অভিযোগে নাম আসা ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কবে তদন্ত শুরু হবে ? ভেজাল ঔষধে মৃত্যুর দায় কে নেবে ? জনস্বার্থে বিষয়টি দ্রুত স্বাধীন তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর-২ সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নয়া মোড়।

ভেজাল ঔষধে জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় ! আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় ও আই,কে ল্যাবরেটরীজের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ ! ঔষধ প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার “গোপন সমঝোতা”য় বহাল অবৈধ কারবার !

আপডেট সময় : ০৩:০০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলনের মুখে সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একের পর এক সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করে। মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ চক্র দমনে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’, প্রশাসনিক দুর্নীতি রুখতে দুদকের পুনর্গঠন—সব মিলিয়ে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জাগে। এরই ধারাবাহিকতায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ নিলেও, বাস্তবে এসব উদ্যোগ কার্যত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে বিতর্কিত কিছু ঔষধ কোম্পানির লাগামহীন কর্মকাণ্ডে।

সম্প্রতি আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লিমিটেড ও আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি) নামক দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উঠেছে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাতের ভয়ংকর অভিযোগ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জাতীয় ফর্মুলারির বাইরে গিয়ে ‘নিজস্ব রেসিপিতে’ ঔষধ !

প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী,

আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি: উৎপাদন লাইসেন্স নং আয়ু-০৮৬, ঠিকানা: ঢাকা। আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি): উৎপাদন লাইসেন্স নং ২৯৮, ঠিকানা: ঢাকা।

অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারী ও জাতীয় ইউনানি ফর্মুলারী অনুসরণ না করে, নিজেদের ইচ্ছামতো কালার, ফ্লেভার ও কেমিক্যাল ব্যবহার করে ঔষধ তৈরি করছে। এরপর আকর্ষণীয় নাম, লেবেল ও কার্টুন ছাপিয়ে গুণগত মানের তোয়াক্কা না করেই বাজারে ছাড়ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ঔষধ। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নথি সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা সরাসরি সহায়তা দিচ্ছেন। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন একজন পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চমান সহকারী এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

কোন কোন ঔষধ নিয়ে অভিযোগ :

আই,কে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি. এর বিতর্কিত ঔষধের মধ্যে রয়েছে— কামিনী বিদ্রাবণ রস (হালওয়া), শুক্রসুধা (হালওয়া), বৃহৎচন্দ্রোদয় মকরধ্বজ ট্যাবলেট, আইকে আমলকি রসায়ন, আইকে দশমূলারিস্ট, আইকে রোজ ভিট, সরবত তুলসী, আইকে গোল্ড ট্যাবলেট এবং আইকে অর্জুনারিস্ট সিরাপ।

অন্যদিকে আই,কে ল্যাবরেটরীজ (ইউনানি) এর বিতর্কিত ঔষধের মধ্যে রয়েছে— আরক ডাইকোপ্লেক্স (ফওলাদ সাইয়াল), আরক ডাইকোপ্লেক্স গোল্ড (ফওলাদ সাইয়াল) সিরাপ, নাইট্রিন (জিরিয়ানী), কার্ডিফেক্স সিরাপ, আইকে ভিট সিরাপ, আইকে জিনসিন (শরবত জিনসিন) এবং বাসক সিরাপ।

ভায়াগ্রার উপাদান, পশু মোটা-তাজাকরণ কেমিক্যাল !

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হলো— আইকে জিনসিন (শরবত জিনসিন) সিরাপে ভায়াগ্রার উপাদান ‘সিলডেনাফিল সাইট্রেট’ ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া আইকে-ভিট সিরাপে গবাদি পশু মোটা-তাজাকরণে ব্যবহৃত কেমিক্যাল প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি আইকে আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় লি. এর শুক্রসুধা ও কামিনী বিদ্রাবণ রস-এও সিলডেনাফিল সাইট্রেট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঔষধ সেবনে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে মানুষের যৌন ক্ষমতা স্থায়ীভাবে লোপ পেতে পারে। এর ফলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও দাম্পত্য কলহ। উদ্বেগজনকভাবে, স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিশোর-কিশোরীরাও এসব তথাকথিত যৌন উত্তেজক ঔষধের ফাঁদে পড়ে সামাজিক অবক্ষয়ের শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন এসব কেমিক্যালযুক্ত ঔষধ সেবনে বহু মানুষের লিভার, কিডনি ও হার্ট বিকল হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে—এমন অভিযোগও উঠেছে।

প্রশ্নের মুখে ঔষধ প্রশাসন : বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একাধিকবার লেখালেখি হলেও রহস্যজনকভাবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের টনক নড়ছে না। অভিযোগ রয়েছে, বিতর্কিত এসব ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ কোম্পানি “গোপন সমঝোতার মাধ্যমে” কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছে, যার ফলে তাদের বিরুদ্ধে আজও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এখন প্রশ্ন উঠছে— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনস্বাস্থ্য রক্ষার ঘোষণার পরও, কার ছত্রচ্ছায়ায় এসব কোম্পানি প্রকাশ্যে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলছে? অভিযোগে নাম আসা ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কবে তদন্ত শুরু হবে ? ভেজাল ঔষধে মৃত্যুর দায় কে নেবে ? জনস্বার্থে বিষয়টি দ্রুত স্বাধীন তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।