মাগুরা জেলার মুরশিদা খাতুন, পিতা- মোঃ হামিদ মোল্লা, সাং- হৃদয়পুর, হাজিপুর ইউনিয়ন, থানা ও জেলা- মাগুরা। একই গ্রামের মোঃ রুমন খা, পিতা মৃত সুরুজ খাঁ এর সহিত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রায় ১২ বছর পূর্বে ১৫, ৪, ২০১৩ তারিখে মাগুরার নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হাজির হয়ে দুজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় বিবাহের পর রুমন খাঁর ঔরষ জাত একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে অতঃপর রুমন খাঁ, স্ত্রীকে রেখে বিদেশ যায়। রুমন খাঁ চাকুরীতে চলে যাওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী মুরশিদা খাতুন এর কাছে তার অর্জিত প্রায় ২০ লক্ষ টাকা দুবাই থেকে পাঠায় সেই টাকা পেয়ে মুরশিদা খাতুন তার বিলাসী জীবনযাপন করতে শুরু করে। হর হামেশায় মেলামেশা করতে থাকে পর পুরুষদের সাথে। একবার নারকেল গাছ বেয়ে তার ঘরে পুরুষ উঠে যেটা হাতেনাতে ধরা পড়ে বহ বছর এরকম কান্ড পরিবারের আড়ালে চলে আসছিলো। দুবাই থেকে কষ্টের চাকুরির অর্জিত টাকা বাড়িতে এসে রুমন খাঁ স্ত্রীর কাছে দাবি করলে তার কোন হিসাব দিতে না পারার কারণে বিরোধ সৃষ্টি হয় উক্ত বিরোধের জেরে স্বামী স্ত্রীকে তালাক প্রদান করে তখন থেকে স্ত্রী মুরশিদা খাতুন রুমন খাঁকে মামলা মোকদ্দমা জড়ানোর জন্য ফাদ পেতে থাকে এক পর্যায়ে মুরশিদা খাতুন ঢাকায় গিয়ে রুমন খাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা সি,এম,এ আদালতে ৫৮৪/২৪ এবং ঢাকা পারিবারিক আদালতে এফ,সি ৭৬৮/ ২৪ নম্বর একটি মামলা দায়ের করে। মুরশিদা খাতুন জাল জালিয়াতি কাবিননামা তৈরি করিয়া দুইটি মামলা দায়ের করার পরে রুমন খাঁ দুবাই থেকে তার মাকে বাদী বানিয়ে মাগুরা শ্রীপুর আমলী আদালতে সি,আর ৩৯৭/২০২৫ নং মামলা দায়ের করলে আদালত ডিবি মাগুরাকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করে আদালতের নির্দেশ মোতাবেক মাগুরা ডিবি কর্মকর্তা তদন্তের সত্যতা আছে মর্মে খুঁজে পায়। ডিবি তদন্ত প্রতিবেদনের পর্যালোচনায় বিজ্ঞ আদালত আসামীর প্রতি সমন ইস্যু করেন উক্ত সমন ইস্যুর পরে বিজ্ঞ আদালতে আসামী মুরশিদা খাতুন সহ তিনজন গত ২৬/১/ ২০২৬ তারিখে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত শুনানি অন্তে আসামী মুরশিদা খাতুনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন এবং মামলাটি বিচারের জন্য বিজ্ঞ চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট বিচারের জন্য প্রেরন করেন।
এঘটনার এখানেই শেষ নয় এর আগে হাজিপুর ইউনিয়নের হৃদয়পুর গ্রামে মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সহ-সভাপতি মোঃ সাহেব আলী ও কার্যনির্বাহী সদস্য সুবীর কুমার ঘোষ সরেজমিনে মুরশিদাদের বাড়িতে গেলে তখন মুরশিদা খাতুন সাংবাদিকদের সাথে মোবাইল ফোনে বিশ্রী আলাপ, অকথ্য ভাষায় গালাগালি, বিএনপি নেতাকে দিয়ে হুমকি ধামকি এবং সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে।
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি: 











