গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ইউনিয়নের পশ্চিম নখন্ডা গ্রামের মো: ওমর শেখ এর ছেলে মালয়শিয়া প্রবাসী মো: হৃদয় শেখ এর স্ত্রী তাওফিকা পরকীয়ার টানে মাদারীপুরে এক যুবকের সাথে পালিয়ে আসার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।এসময় স্বামীর বাড়ি থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল সহ আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে আসেন স্ত্রী তাওফিকা।বিষয়টি নিয়ে গোপালগঞ্জ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বিবরন ও ভুক্তভোগী মো: হৃদয় শেখ জানান,৩ বছর হয় হৃদয় মালয়েশিয়া বসবাস করছিলেন।গত বছর সে দেশে এলে ১২ সেপ্টেম্বর তারিখ পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন একই এলাকার আলমগীর শেখ এর মেয়ে তাওফিকা’কে।বিয়েরপর ৮ মাস দেশেই অবস্থান করেন হৃদয়।এসময় তিনি গোপালগঞ্জ ঘোনা পাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে স্ত্রী নিয়ে বসবাস করেন। পরবর্তীতে বিয়ের ৮ মাস পর ২০ মে ২০২৫ তারিখে তিনি পুনরায় মালয়েশিয়া চলে আসেন।মালয়শিয়া এসে তিনি জানতে পারেন তার স্ত্রী তাওফিকা মোবাইল ফোনে মাদারীপুরের এক যুবকের সাথে নিয়মিত কথা বলেন।বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীর সাথে কথা-কাটাকাটি হয় হৃদয়ের।এর তিন মাসের মাথায় গত আগষ্ট মাসে স্ত্রী তাওফিকা মাদারীপুরের ঐ যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান।এসময় ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে যান তাওফিকা। ঘটনার পরপরই গোপালগঞ্জ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত স্ত্রীকে নিয়ে পালানো মাদারীপুরের ওই যুবকের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী প্রবাসী হৃদয় শেখ বলেন,
“আমি একজন প্রবাসী, কষ্ট করে উপার্জন করি। আমার বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদারীপুর জেলার সচেতন মানুষের কাছে অনুরোধ জানাই—যেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়।”
এসময় তিনি বলেন,ছলনাময়ী তাওফিকার ছবি দেখে মাদারীপুরে কেউ তাদের সনাক্ত করতে পারলে, যেনো পালিয়ে যাওয়া ছেলেটির নাম,পরিচয় জানিয়ে সাহায্য করেন।
এ বিষয়ে হৃদয়ের পরিবার ও এলাকাবাসী দাবী করেন, তাওফিকা ও পালিয়ে যাওয়া মাদারীপুরের অজ্ঞাত যুবক কে খুজে বের করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেয়া হোক।এবিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
সারাক্ষণ ডেস্ক 


















