ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিস সহকারীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ।

 

 

‎ রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অফিস সহকারীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের সাবেক কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর কাঁঠালিয়া উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তিনি নিয়মিত অফিস না করায় কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। এদিকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত অফিস করতে পারছিলেন না। ঘটনার দিন সকালে আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী মোসাঃ রানী বেগমকে নিয়ে অফিসে এসে কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিকেলে মো. কামরুল ইসলাম অফিসে এসে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে রানী বেগমের মুখে আঘাত করেন। এতে তার দাড়ি ও গাল কেটে রক্তক্ষরণ হলে তিনি চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানায় জানানো হয়। এরপর রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রানী বেগম অভিযোগ করে বলেন, “সকালে স্বামীকে নিয়ে অফিসে এসে সারাদিন অপেক্ষা করি। বিকেলে কর্মকর্তা অফিসে আসলে তার স্বামী সালাম দিলে কর্মকর্তা কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো আমার স্বামীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং নানা অভিযোগ তুলতে থাকেন। একপর্যায়ে কর্মকর্তা তার স্বামীকে মারতে উদ্যত হন। এ সময় তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মুখে আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয় এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তবে অভিযুক্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তারা নিজেরাই এমনটা করছে। আমি কাউকে মারধর করিনি।” আপনি যা পারেন করেন বলে মুঠোফোন কেটে দেয়।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তারিখ: ৯এপ্রিল ২০২৬

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিস সহকারীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১২:৩১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

 

‎ রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অফিস সহকারীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের সাবেক কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর কাঁঠালিয়া উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তিনি নিয়মিত অফিস না করায় কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। এদিকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত অফিস করতে পারছিলেন না। ঘটনার দিন সকালে আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী মোসাঃ রানী বেগমকে নিয়ে অফিসে এসে কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিকেলে মো. কামরুল ইসলাম অফিসে এসে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে রানী বেগমের মুখে আঘাত করেন। এতে তার দাড়ি ও গাল কেটে রক্তক্ষরণ হলে তিনি চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানায় জানানো হয়। এরপর রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রানী বেগম অভিযোগ করে বলেন, “সকালে স্বামীকে নিয়ে অফিসে এসে সারাদিন অপেক্ষা করি। বিকেলে কর্মকর্তা অফিসে আসলে তার স্বামী সালাম দিলে কর্মকর্তা কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো আমার স্বামীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং নানা অভিযোগ তুলতে থাকেন। একপর্যায়ে কর্মকর্তা তার স্বামীকে মারতে উদ্যত হন। এ সময় তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মুখে আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয় এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তবে অভিযুক্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তারা নিজেরাই এমনটা করছে। আমি কাউকে মারধর করিনি।” আপনি যা পারেন করেন বলে মুঠোফোন কেটে দেয়।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তারিখ: ৯এপ্রিল ২০২৬