ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা। পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে সমন্বিত অভিযানে: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার মান্দার ২ কিশোর গ্যাং লিডার। ঠাকুরগাঁওয়ে সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত। গোপালগঞ্জ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিক্তিক নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্ধোধন। লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ: বিদ্যুৎ সংকট নয়, এটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পরীক্ষা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ। গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার। গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন অ্যাডিশনাল ডিআইজির। মাগুরার আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটলুর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে খুঁটির জোরে ছাগল লাফায়!

প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরে এখন খুঁটির জোরে ছাগল লাফাচ্ছে। ফলে অধিদপ্তরের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। দেখা দিয়েছে চরম বিশৃংক্ষলা। গ্রেড ও ননগ্রেড কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম । অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেখা গেছে, একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয়েছে নন ক্যাডার কর্মকর্তা (৬ষ্ট গ্রেড প্রাপ্ত) ভেটেরিনারি সার্জন ডা: কবির আহমেদকে। বিশেষ অতিথি করা হয়েছে বিসিএস ক্যাডার ৩ গ্রেডের কর্মকর্তা পরিচালক প্রশাসন, ডা: মো: বয়েজার রহমানকে এবং বিসিএস ক্যাডর ৪ গ্রেডের কর্মকর্তা উপ পরিচালক প্রশাসন ডা: মো: তারেককে।

সত্যি সেলুকাস কি বিচিত্র এই প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর। চাকুরীর ভয়ে পিয়নকেও স্যর ডাকতে দ্বিধা করবে না এ সব কর্মকতারা। এদের দিয়ে আর যাই হউক প্রাণিসম্পদ এর কোন উন্নতি আশা করা যায় না। অবিলম্বে এ দুই জন ক্যাডার কর্মকর্তাকে বদলী করা দরকার। নতুবা অধিদপ্তরের চেইন অব কমান্ড বলে কিছুই থাকবে না।

উল্লেখ্য যে সহকারী পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা: কবির আহম্মদ হাসিনা সরকারে সাবেক প্রভাবশালী সচিব ও নির্বাচন কমিশনার মো: আনিসুর রহমানের বোন জামাই। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস কে ট্রেডার্স এর মালিক এবং বর্তমান প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকুর খুব আপন জন।

এ জন্য সকলেই ডা: কবির আহমেদকে সমীহ করে চলেন। সাবেক সচিবের বোন জামাই হওয়ার সুবাধে দীর্ঘ ১৫ বসর নারায়ণগঞ্জে একই স্টেশনে ভিএস হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার ৫ই আগষ্টের পরে নারায়ণগঞ্জের ভিএস এর পরে অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালকের ১ টি পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের আদেশ জারী করাতে সক্ষম হয়েছেন।

এ সকল ক্ষমতার কারণ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাকে তোয়াজ করে চলেন এবং তাকে বিভিন্ন খাতে চাঁদা প্রদানসহ তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্যতা ছাড়াই কাজ দিয়ে মালামাল সরবরাহ ব্যতিরেকেই বিল দিয়ে দিচ্ছেন বলে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন।

প্রসংগত উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় চিডিয়াখানায় আলোচিত মহিষের নাম ডোনাল্ড ট্রাম লিখতে ভূল করায় পরিচালক ডা: মো: আতিকুর রহমান মিঠুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অথচ কর্মচারী শৃংখলা আপিলবিধি-২০১৮ এর পরিপন্থী কাজ করার পরেও নন ক্যাডার ভিএস ডা: কবিরের বিরুদ্ধে শোকজ পর্যন্ত করা হয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এভাবেই চলছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে খুঁটির জোরে ছাগল লাফায়!

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরে এখন খুঁটির জোরে ছাগল লাফাচ্ছে। ফলে অধিদপ্তরের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। দেখা দিয়েছে চরম বিশৃংক্ষলা। গ্রেড ও ননগ্রেড কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম । অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেখা গেছে, একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয়েছে নন ক্যাডার কর্মকর্তা (৬ষ্ট গ্রেড প্রাপ্ত) ভেটেরিনারি সার্জন ডা: কবির আহমেদকে। বিশেষ অতিথি করা হয়েছে বিসিএস ক্যাডার ৩ গ্রেডের কর্মকর্তা পরিচালক প্রশাসন, ডা: মো: বয়েজার রহমানকে এবং বিসিএস ক্যাডর ৪ গ্রেডের কর্মকর্তা উপ পরিচালক প্রশাসন ডা: মো: তারেককে।

সত্যি সেলুকাস কি বিচিত্র এই প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর। চাকুরীর ভয়ে পিয়নকেও স্যর ডাকতে দ্বিধা করবে না এ সব কর্মকতারা। এদের দিয়ে আর যাই হউক প্রাণিসম্পদ এর কোন উন্নতি আশা করা যায় না। অবিলম্বে এ দুই জন ক্যাডার কর্মকর্তাকে বদলী করা দরকার। নতুবা অধিদপ্তরের চেইন অব কমান্ড বলে কিছুই থাকবে না।

উল্লেখ্য যে সহকারী পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা: কবির আহম্মদ হাসিনা সরকারে সাবেক প্রভাবশালী সচিব ও নির্বাচন কমিশনার মো: আনিসুর রহমানের বোন জামাই। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস কে ট্রেডার্স এর মালিক এবং বর্তমান প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকুর খুব আপন জন।

এ জন্য সকলেই ডা: কবির আহমেদকে সমীহ করে চলেন। সাবেক সচিবের বোন জামাই হওয়ার সুবাধে দীর্ঘ ১৫ বসর নারায়ণগঞ্জে একই স্টেশনে ভিএস হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার ৫ই আগষ্টের পরে নারায়ণগঞ্জের ভিএস এর পরে অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালকের ১ টি পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের আদেশ জারী করাতে সক্ষম হয়েছেন।

এ সকল ক্ষমতার কারণ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাকে তোয়াজ করে চলেন এবং তাকে বিভিন্ন খাতে চাঁদা প্রদানসহ তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্যতা ছাড়াই কাজ দিয়ে মালামাল সরবরাহ ব্যতিরেকেই বিল দিয়ে দিচ্ছেন বলে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন।

প্রসংগত উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় চিডিয়াখানায় আলোচিত মহিষের নাম ডোনাল্ড ট্রাম লিখতে ভূল করায় পরিচালক ডা: মো: আতিকুর রহমান মিঠুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অথচ কর্মচারী শৃংখলা আপিলবিধি-২০১৮ এর পরিপন্থী কাজ করার পরেও নন ক্যাডার ভিএস ডা: কবিরের বিরুদ্ধে শোকজ পর্যন্ত করা হয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এভাবেই চলছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।