ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা। পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে সমন্বিত অভিযানে: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার মান্দার ২ কিশোর গ্যাং লিডার। ঠাকুরগাঁওয়ে সমতলের চা বাগান দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত। গোপালগঞ্জ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিক্তিক নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্ধোধন। লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ: বিদ্যুৎ সংকট নয়, এটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পরীক্ষা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ। গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার। গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন অ্যাডিশনাল ডিআইজির। মাগুরার আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটলুর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। 

ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামিদের জামিন পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত ।

ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় যশোর রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে জামিন পেয়েছেন। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত কোতোয়ালী যশোরের বিচারক আসামিদের জামিন দেন। মামলা নং সি আর ১৯০৪/২৫।

মামলার বাদি রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত সইজউদ্দিনের ছেলে আবুল বাসার। আসামি সাত জন এরা হলেন, হোসেন গুলিয়ার স্ত্রী কুলসুম বেগম, মৃত কেফাতুল্লার ছেলে হোসেন বাবুয়া, হোসেন গুলিয়ার ছেলে আবিদ হোসেন ও আরিফ হোসেন, মৃত বিচু মিয়ার ছেলে হোসেন গুলিয়া, মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রেল বাবু।

এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল যশোর। ঘটনার তারিখ বলা হয়েছে ১লা মে/২৫।

মামলার স্বাক্ষী হিসাবে নাম রয়েছে একই এলাকার মৃত ওয়ালী মোহাম্মদের ছেলে লাল বাবু, আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ, খড়কির আব্দুল বারির ছেলে কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সর্দারের ছেলে আব্দুর রব ও শাহিনের ছেলে আব্দুল্লা।

মামলার রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মকর্তা হলেন কোতোয়ালী থানার এস আই (নিরস্ত্র ) শেখ সাইফুল ইসলাম (বিপি ৭৮৯৮০০৫৬৫৯)। অভিযোগে বলা হয়েছে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদির নালিশী সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল করত:নিজেদের হেফাজতে রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এর ৪(১), (ক)(খ)(ঙ)(চ)/৫(১)(ক)(খ)/৮এর (ক)/১০/১৬ ধারায় অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিক ভাবে প্রতীয়মান হয়। মামলাটি তদন্তকালে নালিসী অভিযোগে বর্ণিত বিবাদী হোসেন বাবুয়া বিরুদ্ধে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বস্তুনিষ্ঠ স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়। আব্দুর রাজ্জাক ও রেল বাবুর মদদে আসামিরা জমি জোর পূর্বক দখল করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে তদন্তকারী উল্লেখ করেছেন। তবে মামলার তদন্ত কবে হয়েছে তা কেউ বলতে পারেনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা রিপোর্টে লিখেছেন, যশোর কোতোয়ালী থানাধিন ৭৭নং চাঁচড়া মৌজা এসএ ৬৬৭ খতিয়ান এসএ ৫৪১ দাগে ওয়ালী মোহাম্মদ ২২শতক জমি ক্রয় সূত্রে মালিক। কিন্তু কোন দলিলে তিনি জমি ক্রয় করেছেন নন্বর বা তারিখ উল্লেখ করেননি। বরং ঐ দলিল বাতিলের মামলা শার্সা আদালতে চলমান।

জানা যায়, মামলায় উল্লেখিত জমি আবুল বাসার গঙ অবৈধ দখলে রেখেছে। প্রকৃত পক্ষে একেক সময় একেক দাবি করছে আবুল বাসার গঙ।

কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে দেখা এডিসি (রাজস্ব) সাতটি নাম পত্তন বাতিল করেছে। সি আর ১১৩৯/২৩, সিআর ১৪২৯/২২, সিআর ১৫১৪/২৩, সিআর ১১৯৯/২৩, সিআর ১০৫০/২৩, সিআর ১১২০/২৩, সিআর ১৯৫৫/২৩। এসব জমি আবুল বাসার, তার স্ত্রী মুন্নি, শালি রোজিনা, গুলশানারা, স্যালক আব্দুস সালাম, লাল বাবু ও ইসলামের জবর দখলে রয়েছে। এরা সকলেই ভূমি আইনে অপরাধী। এরা অন্যের জমি কখনো ওয়ারেস কখনো ক্রয় দাবি করছে। তবে তাদের আইনি ভিত্তি বেশ দুর্বল।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আবুল বাসার গঙ নানা টাল বাহানায় কয়েক দাগের জমি দখলে রেখেছে। জবর দখল নিশ্চিত করতেই তাদের একের পর এক মামলা নাটক। এই চক্র পৌরসভার রাস্তা পানি কলও নিজেদের দখলে রেখেছে। অভিযোগ দিয়েও পৌর কতৃপক্ষ গাফিলতিতে রাস্তা উদ্ধার হয়নি। এমনকি সাবেক ব্যাটা ম্যানেজার নূর উদ্দিনের জমি তাদের দখলে। কেফায়েতের ক্রয় জমি এরা জবর দখল করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামিদের জামিন পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত ।

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় যশোর রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে জামিন পেয়েছেন। বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত কোতোয়ালী যশোরের বিচারক আসামিদের জামিন দেন। মামলা নং সি আর ১৯০৪/২৫।

মামলার বাদি রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত সইজউদ্দিনের ছেলে আবুল বাসার। আসামি সাত জন এরা হলেন, হোসেন গুলিয়ার স্ত্রী কুলসুম বেগম, মৃত কেফাতুল্লার ছেলে হোসেন বাবুয়া, হোসেন গুলিয়ার ছেলে আবিদ হোসেন ও আরিফ হোসেন, মৃত বিচু মিয়ার ছেলে হোসেন গুলিয়া, মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রেল বাবু।

এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল যশোর। ঘটনার তারিখ বলা হয়েছে ১লা মে/২৫।

মামলার স্বাক্ষী হিসাবে নাম রয়েছে একই এলাকার মৃত ওয়ালী মোহাম্মদের ছেলে লাল বাবু, আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস সামাদ, খড়কির আব্দুল বারির ছেলে কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সর্দারের ছেলে আব্দুর রব ও শাহিনের ছেলে আব্দুল্লা।

মামলার রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মকর্তা হলেন কোতোয়ালী থানার এস আই (নিরস্ত্র ) শেখ সাইফুল ইসলাম (বিপি ৭৮৯৮০০৫৬৫৯)। অভিযোগে বলা হয়েছে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদির নালিশী সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল করত:নিজেদের হেফাজতে রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এর ৪(১), (ক)(খ)(ঙ)(চ)/৫(১)(ক)(খ)/৮এর (ক)/১০/১৬ ধারায় অপরাধ করেছেন মর্মে প্রাথমিক ভাবে প্রতীয়মান হয়। মামলাটি তদন্তকালে নালিসী অভিযোগে বর্ণিত বিবাদী হোসেন বাবুয়া বিরুদ্ধে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বস্তুনিষ্ঠ স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়। আব্দুর রাজ্জাক ও রেল বাবুর মদদে আসামিরা জমি জোর পূর্বক দখল করে নিজেদের হেফাজতে রেখেছে বলে তদন্তকারী উল্লেখ করেছেন। তবে মামলার তদন্ত কবে হয়েছে তা কেউ বলতে পারেনি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা রিপোর্টে লিখেছেন, যশোর কোতোয়ালী থানাধিন ৭৭নং চাঁচড়া মৌজা এসএ ৬৬৭ খতিয়ান এসএ ৫৪১ দাগে ওয়ালী মোহাম্মদ ২২শতক জমি ক্রয় সূত্রে মালিক। কিন্তু কোন দলিলে তিনি জমি ক্রয় করেছেন নন্বর বা তারিখ উল্লেখ করেননি। বরং ঐ দলিল বাতিলের মামলা শার্সা আদালতে চলমান।

জানা যায়, মামলায় উল্লেখিত জমি আবুল বাসার গঙ অবৈধ দখলে রেখেছে। প্রকৃত পক্ষে একেক সময় একেক দাবি করছে আবুল বাসার গঙ।

কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে দেখা এডিসি (রাজস্ব) সাতটি নাম পত্তন বাতিল করেছে। সি আর ১১৩৯/২৩, সিআর ১৪২৯/২২, সিআর ১৫১৪/২৩, সিআর ১১৯৯/২৩, সিআর ১০৫০/২৩, সিআর ১১২০/২৩, সিআর ১৯৫৫/২৩। এসব জমি আবুল বাসার, তার স্ত্রী মুন্নি, শালি রোজিনা, গুলশানারা, স্যালক আব্দুস সালাম, লাল বাবু ও ইসলামের জবর দখলে রয়েছে। এরা সকলেই ভূমি আইনে অপরাধী। এরা অন্যের জমি কখনো ওয়ারেস কখনো ক্রয় দাবি করছে। তবে তাদের আইনি ভিত্তি বেশ দুর্বল।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আবুল বাসার গঙ নানা টাল বাহানায় কয়েক দাগের জমি দখলে রেখেছে। জবর দখল নিশ্চিত করতেই তাদের একের পর এক মামলা নাটক। এই চক্র পৌরসভার রাস্তা পানি কলও নিজেদের দখলে রেখেছে। অভিযোগ দিয়েও পৌর কতৃপক্ষ গাফিলতিতে রাস্তা উদ্ধার হয়নি। এমনকি সাবেক ব্যাটা ম্যানেজার নূর উদ্দিনের জমি তাদের দখলে। কেফায়েতের ক্রয় জমি এরা জবর দখল করতে উঠে পড়ে লেগেছে।