ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

খুলনায় নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গুর শঙ্কা

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

খুলনায় নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গুর শঙ্কা

 

মো: আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা:

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় খুলনা নগরীতে মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে জোরদার নজরদারির দাবি উঠেছে। এর মধ্যেই নগরীর মহসিন রোডের টুটপাড়া খবরের মোড়ের অদূরে একটি নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে মাসের পর মাস পানি জমে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সেখানে মশা ও বিভিন্ন জীবাণুর বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা জন্মানোর উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করায় বিষয়টি নিয়ে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণাধীন ভবনসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে ভবন মালিক ও নির্মাণসংশ্লিষ্টদেরও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

 

তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিদর্শন, নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হলে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে পানি জমে থাকার সুযোগ থাকত না। দ্রুত ওই বেজমেন্টের জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

নগরবাসীর মতে, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নয়—ডেঙ্গু প্রতিরোধে নির্মাণাধীন ভবন, বাড়ির ছাদ, বেজমেন্ট ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক ও সাধারণ জনগণকেও সচেতন হতে হবে। নইলে মশার প্রজননস্থল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুসহ নানা রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

খুলনায় নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গুর শঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

খুলনায় নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গুর শঙ্কা

 

মো: আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা:

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় খুলনা নগরীতে মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে জোরদার নজরদারির দাবি উঠেছে। এর মধ্যেই নগরীর মহসিন রোডের টুটপাড়া খবরের মোড়ের অদূরে একটি নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে মাসের পর মাস পানি জমে থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সেখানে মশা ও বিভিন্ন জীবাণুর বংশবিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা জন্মানোর উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করায় বিষয়টি নিয়ে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণাধীন ভবনসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে ভবন মালিক ও নির্মাণসংশ্লিষ্টদেরও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

 

তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিদর্শন, নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হলে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে পানি জমে থাকার সুযোগ থাকত না। দ্রুত ওই বেজমেন্টের জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

নগরবাসীর মতে, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নয়—ডেঙ্গু প্রতিরোধে নির্মাণাধীন ভবন, বাড়ির ছাদ, বেজমেন্ট ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক ও সাধারণ জনগণকেও সচেতন হতে হবে। নইলে মশার প্রজননস্থল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুসহ নানা রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।