ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে বকেয়া বিল নিয়ে ঠিকাদারদের হাতাহাতি

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে বকেয়া বিল নিয়ে ঠিকাদারদের হাতাহাতি

 

 

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী প্রতিনিধি

 

 

 

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে কন্ট্রোলার অব স্টোরসের (সিওএস) কার্যালয়ে বকেয়া বিল ছাড়কে কেন্দ্র করে ঠিকাদারদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার দাবিতে অন্য ঠিকাদারদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ২০-২৫ জন ঠিকাদার সিওএস কার্যালয়ে গিয়ে বকেয়া বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ সময় স্থানীয় ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেন ভুটান, মাহফুজ আলম আপেল ও শরিফুল ইসলাম নিজেদের বিল আগে ছাড় করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিন দিন আগে ঠিকাদারদের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য সিওএস কার্যালয়ে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। কাজের ক্রমানুসারে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের নিয়ম থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় কম। এ কারণে ছোট অঙ্কের বিলগুলো আগে পরিশোধের উদ্যোগ নেন কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন। এতে আপত্তি জানান ওই তিন ঠিকাদার।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলে ঠিকাদাররা বিলের জন্য সিওএস কার্যালয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে ভুটান, আপেল ও শরিফুল নিজেদের বিল আগে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তারা একটি তালিকা অনুযায়ী বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ নিয়ে অন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি হয়।

 

তবে মাহফুজ আলম আপেল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বকেয়া বিলের চার ভাগের মধ্যে মাত্র এক ভাগ এসেছে। অনেকেরই বিল আটকে আছে। আমরা আগে বিল চাইনি। স্থানীয় হওয়ার কারণে চাপ সৃষ্টির অভিযোগও সঠিক নয়। সব ঠিকাদার একসঙ্গে বিল চাইছিলেন। এ কারণে দু-একটি কথা হয়েছে। এর বেশি কিছু না।’

 

 

পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, ‘ঠিকাদারদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে কিনা জানা নেই। তবে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, এটা শুনেছি।’

 

কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন বলেন, ‘বরাদ্দ এলে আগে বিল পাওয়ার জন্য ঠিকাদাররা চেষ্টা করেন। এটা নিয়েই একটু ঝামেলা হয়েছিল। ঘটনা বেশি বড় নয়।’

 

স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের বিল আগে দেওয়ার জন্য বলছিলেন। তবে কোনো তালিকা এনেছিল কি না মনে নেই।

 

রাজশাহী রেলওয়ে থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সোমবার বিকালের। তবে তিনি ওইদিন সন্ধ্যায় থানায় যোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে বকেয়া বিল নিয়ে ঠিকাদারদের হাতাহাতি

আপডেট সময় : ০১:৩১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে বকেয়া বিল নিয়ে ঠিকাদারদের হাতাহাতি

 

 

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী প্রতিনিধি

 

 

 

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে কন্ট্রোলার অব স্টোরসের (সিওএস) কার্যালয়ে বকেয়া বিল ছাড়কে কেন্দ্র করে ঠিকাদারদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার দাবিতে অন্য ঠিকাদারদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ২০-২৫ জন ঠিকাদার সিওএস কার্যালয়ে গিয়ে বকেয়া বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ সময় স্থানীয় ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেন ভুটান, মাহফুজ আলম আপেল ও শরিফুল ইসলাম নিজেদের বিল আগে ছাড় করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিন দিন আগে ঠিকাদারদের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য সিওএস কার্যালয়ে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। কাজের ক্রমানুসারে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের নিয়ম থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় কম। এ কারণে ছোট অঙ্কের বিলগুলো আগে পরিশোধের উদ্যোগ নেন কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন। এতে আপত্তি জানান ওই তিন ঠিকাদার।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলে ঠিকাদাররা বিলের জন্য সিওএস কার্যালয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে ভুটান, আপেল ও শরিফুল নিজেদের বিল আগে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তারা একটি তালিকা অনুযায়ী বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ নিয়ে অন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি হয়।

 

তবে মাহফুজ আলম আপেল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বকেয়া বিলের চার ভাগের মধ্যে মাত্র এক ভাগ এসেছে। অনেকেরই বিল আটকে আছে। আমরা আগে বিল চাইনি। স্থানীয় হওয়ার কারণে চাপ সৃষ্টির অভিযোগও সঠিক নয়। সব ঠিকাদার একসঙ্গে বিল চাইছিলেন। এ কারণে দু-একটি কথা হয়েছে। এর বেশি কিছু না।’

 

 

পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, ‘ঠিকাদারদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে কিনা জানা নেই। তবে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, এটা শুনেছি।’

 

কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন বলেন, ‘বরাদ্দ এলে আগে বিল পাওয়ার জন্য ঠিকাদাররা চেষ্টা করেন। এটা নিয়েই একটু ঝামেলা হয়েছিল। ঘটনা বেশি বড় নয়।’

 

স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের বিল আগে দেওয়ার জন্য বলছিলেন। তবে কোনো তালিকা এনেছিল কি না মনে নেই।

 

রাজশাহী রেলওয়ে থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সোমবার বিকালের। তবে তিনি ওইদিন সন্ধ্যায় থানায় যোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।