ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে মাতৃসম্মেলন সেমিনার অনুষ্ঠিত মোহনা টিভির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ, প্রশংসায় রিয়াদ চৌধুরী মাদকের ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষায় দেবীগঞ্জে কমিটি গঠন খুলনায় সুপার হিরো ডি এ তায়েব, ফ্যান ক্লাবের উষ্ণ অভ্যর্থনা গোপালপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন কমিটি অনুমোদন বদলগাছীতে সড়কের পাশে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু সততা ব্লাড ডোনার ক্লাব রাণীশংকৈলের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে নাগর নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, পরে উদ্ধার কিশোরের মরদেহ শ্রীমঙ্গলে নারী উদ্যোক্তা মিথিলা সরকারের লেডিস জিম সেন্টারের শুভ উদ্বোধন

মোহনা টিভির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

মোহনা টিভির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:

 

স্বামীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলছে; নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রার অভিযোগ!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সেলিম মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে তাঁর স্ত্রী রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। মোহনা টেলিভিশনের মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে তাঁর ভূমিকা, কথিত সম্পদ এবং বিদেশযাত্রা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা।

 

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রা?

২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর দুদকের আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সেলিম মাহমুদ চৌধুরী ও রাশেদা আক্তারের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন। আবেদনে বলা হয়, সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন এবং দুজনের বিদেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবু নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় রাশেদা আক্তারের বিদেশে যাতায়াতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, ইমিগ্রেশনের কোন পর্যায়ে, কী অনুমতিতে বা কোন আইনি প্রক্রিয়ায় তা সম্ভব হলো। বিষয়টি স্পষ্ট হতে হলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জরুরি:

তিনি কি আদালতের অনুমতি নিয়েছিলেন?

নিষেধাজ্ঞা কি কোনো সময় প্রত্যাহার বা শিথিল করা হয়েছিল?

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে কি কোনো বিশেষ আদেশ ছিল?

নাকি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনোভাবে বিদেশযাত্রা হয়েছে?

এ জন্য বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

স্বামীকে সামনে রেখে মোহনার নিয়ন্ত্রণ?

অভিযোগ রয়েছে, সেলিম মাহমুদ দেশের বাইরে থেকে স্ত্রী রাশেদা আক্তারকে সামনে রেখে মোহনা টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর একটি অংশ এতে সহযোগিতা করছে বলেও অভিযোগ আছে। এর সত্যতা যাচাইয়ে শেয়ারহোল্ডিং রেকর্ড, পরিচালনা পর্ষদের নথি, এজিএমের কার্যবিবরণী, উপস্থিতির তালিকা ও আদালত-সংশ্লিষ্ট নথি দেখা দরকার।

এজিএমে ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন

মোহনা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কারাগারে থাকায় কোম্পানির প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের নিয়ে এজিএম ও পরিচালনাগত কার্যক্রম নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যেই এজিএমে রাশেদা আক্তারের ভার্চুয়াল উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে। কোন শেয়ার বা কোন আইনগত ক্ষমতার ভিত্তিতে তিনি যুক্ত হয়েছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর বৈধ ভূমিকা কী এবং কারা তাঁকে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দিয়েছেন, এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে কোম্পানির নথি ও আদালতের আদেশ পর্যালোচনায়।

অ্যাপার্টমেন্ট দখলের অভিযোগ

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের মতে, মোহনা টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত জিয়াউদ্দিন আহমেদের (জুয়েল আহমেদ) মেয়ের মালিকানাধীন একটি অ্যাপার্টমেন্ট বর্তমানে রাশেদা আক্তারের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সেখানে অবস্থান করছেন এবং পরিবারের একমাত্র মেয়ে ও জিয়াউদ্দিন আহমেদের বিধবা স্ত্রীকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। তিনি জনসমক্ষে আসা এড়িয়ে আড়ালে থাকছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৃত মালিকানা, তিনি কীভাবে সেখানে আছেন এবং ‘দখলের’ অভিযোগের সত্যতা দলিলপত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া নারী নির্যাতনের একটি মামলায় তাঁর আসামি হওয়া ও পরে জামিন নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। মামলার নম্বর, আদালতের আদেশ ও জামিনের নথি যাচাই ছাড়া এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না।

সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকাও দীর্ঘ

দুদকে করা অভিযোগ ও বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে বিপুল সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার এবং ফ্ল্যাট, বাড়ি, জমি ও বিনিয়োগের অভিযোগ করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে মিরপুর ডিওএইচএস, বনানী, সাভার, বসুন্ধরা ও নারায়ণগঞ্জে বিপুল সম্পদের দাবি করা হয়। এগুলো অভিযোগের অংশ; সম্পদের প্রকৃত মালিকানা ও অর্থের উৎস তদন্তে যাচাই হওয়ার বিষয়।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে যে, সেলিম মাহমুদ ও রাশেদা আক্তার অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

দুদকের সামনে এখন সুযোগ

অনুসন্ধান চলমান থাকলে শুধু সেলিম মাহমুদের সম্পদের হিসাব নয়, রাশেদা আক্তারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদ, ব্যাংক লেনদেন, বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির শেয়ার, মোহনা টেলিভিশনের সঙ্গে সম্পর্ক ও সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানার আর্থিক ও আইনগত যোগসূত্রও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

রাশেদা আক্তার কোনো অপরাধ করেছেন কি না, তা তদন্তেই নির্ধারিত হবে। কিন্তু তাঁর ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগ ও প্রশ্ন নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই না করে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই। এখন দেখার বিষয়, দুদক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করে কি না।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে মাতৃসম্মেলন সেমিনার অনুষ্ঠিত

মোহনা টিভির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মোহনা টিভির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:

 

স্বামীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলছে; নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রার অভিযোগ!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সেলিম মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে তাঁর স্ত্রী রাশেদা আক্তারের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠছে। মোহনা টেলিভিশনের মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে তাঁর ভূমিকা, কথিত সম্পদ এবং বিদেশযাত্রা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা।

 

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রা?

২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর দুদকের আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সেলিম মাহমুদ চৌধুরী ও রাশেদা আক্তারের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন। আবেদনে বলা হয়, সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন এবং দুজনের বিদেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবু নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় রাশেদা আক্তারের বিদেশে যাতায়াতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, ইমিগ্রেশনের কোন পর্যায়ে, কী অনুমতিতে বা কোন আইনি প্রক্রিয়ায় তা সম্ভব হলো। বিষয়টি স্পষ্ট হতে হলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জরুরি:

তিনি কি আদালতের অনুমতি নিয়েছিলেন?

নিষেধাজ্ঞা কি কোনো সময় প্রত্যাহার বা শিথিল করা হয়েছিল?

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে কি কোনো বিশেষ আদেশ ছিল?

নাকি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনোভাবে বিদেশযাত্রা হয়েছে?

এ জন্য বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

স্বামীকে সামনে রেখে মোহনার নিয়ন্ত্রণ?

অভিযোগ রয়েছে, সেলিম মাহমুদ দেশের বাইরে থেকে স্ত্রী রাশেদা আক্তারকে সামনে রেখে মোহনা টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর একটি অংশ এতে সহযোগিতা করছে বলেও অভিযোগ আছে। এর সত্যতা যাচাইয়ে শেয়ারহোল্ডিং রেকর্ড, পরিচালনা পর্ষদের নথি, এজিএমের কার্যবিবরণী, উপস্থিতির তালিকা ও আদালত-সংশ্লিষ্ট নথি দেখা দরকার।

এজিএমে ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন

মোহনা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কারাগারে থাকায় কোম্পানির প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের নিয়ে এজিএম ও পরিচালনাগত কার্যক্রম নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যেই এজিএমে রাশেদা আক্তারের ভার্চুয়াল উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে। কোন শেয়ার বা কোন আইনগত ক্ষমতার ভিত্তিতে তিনি যুক্ত হয়েছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর বৈধ ভূমিকা কী এবং কারা তাঁকে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দিয়েছেন, এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে কোম্পানির নথি ও আদালতের আদেশ পর্যালোচনায়।

অ্যাপার্টমেন্ট দখলের অভিযোগ

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের মতে, মোহনা টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত জিয়াউদ্দিন আহমেদের (জুয়েল আহমেদ) মেয়ের মালিকানাধীন একটি অ্যাপার্টমেন্ট বর্তমানে রাশেদা আক্তারের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সেখানে অবস্থান করছেন এবং পরিবারের একমাত্র মেয়ে ও জিয়াউদ্দিন আহমেদের বিধবা স্ত্রীকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। তিনি জনসমক্ষে আসা এড়িয়ে আড়ালে থাকছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৃত মালিকানা, তিনি কীভাবে সেখানে আছেন এবং ‘দখলের’ অভিযোগের সত্যতা দলিলপত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া নারী নির্যাতনের একটি মামলায় তাঁর আসামি হওয়া ও পরে জামিন নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। মামলার নম্বর, আদালতের আদেশ ও জামিনের নথি যাচাই ছাড়া এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না।

সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকাও দীর্ঘ

দুদকে করা অভিযোগ ও বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে বিপুল সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার এবং ফ্ল্যাট, বাড়ি, জমি ও বিনিয়োগের অভিযোগ করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে মিরপুর ডিওএইচএস, বনানী, সাভার, বসুন্ধরা ও নারায়ণগঞ্জে বিপুল সম্পদের দাবি করা হয়। এগুলো অভিযোগের অংশ; সম্পদের প্রকৃত মালিকানা ও অর্থের উৎস তদন্তে যাচাই হওয়ার বিষয়।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে যে, সেলিম মাহমুদ ও রাশেদা আক্তার অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

দুদকের সামনে এখন সুযোগ

অনুসন্ধান চলমান থাকলে শুধু সেলিম মাহমুদের সম্পদের হিসাব নয়, রাশেদা আক্তারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদ, ব্যাংক লেনদেন, বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির শেয়ার, মোহনা টেলিভিশনের সঙ্গে সম্পর্ক ও সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানার আর্থিক ও আইনগত যোগসূত্রও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

রাশেদা আক্তার কোনো অপরাধ করেছেন কি না, তা তদন্তেই নির্ধারিত হবে। কিন্তু তাঁর ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগ ও প্রশ্ন নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই না করে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই। এখন দেখার বিষয়, দুদক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করে কি না।