ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার গাড়িতে মেয়াদহীন ঔষধ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের সরকারি গাড়িতে মেয়াদোত্তীর্ণ বেশ কিছু ঔষধ হাতেনাতে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম এরই মধ্যে তদন্তকাজ শুরু করেছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর বলেছে, তদন্তে কোনো ধরনের ত্রুটি পাওয়া গেলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

গতকাল সোমবার সকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম ঠাকুরগাঁওয়ে এসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে তিন সদস্যের তদন্ত টিম ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছে। তদন্ত টিমকে আমরা বলেছি- এর সঠিক কারণ উদঘাটন করার জন্য। এখানে ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

 

এদিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে- সরকারি গবাদি পশুর ওষুধগুলো লুকিয়ে একটি চক্রের মাধ্যমে খোলা বিক্রি করতেন। উপজেলার গবাদি পশুর খামার মালিক সিরাজুল আলম বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসে গেলে আমাদের গবাদি পশুগুলো সঠিকভাবে সেবা প্রদান করতেন না উপজেলা কর্মকর্তা। বলতেন, সরকারি ঔষধ নেই। কিন্তু আজ সরকারি ঔষধের রহস্য উন্মোচন হয়েছে। সরকারি ওষুধ তিনি খোলাবাজারে বিক্রি করতেন, কিছু ওষুধ বিক্রি করতে না পেরে সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন খামারি বলেন, সরকারি গবাদি পশুর এসব ঔষধ  গোপনে খোলাবাজারে বিক্রির পেছনে অনেক বড় একটি চক্র রয়েছে। আমরা চাই সেই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

অভিযোগের বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার বলেন, বিষয়টি নিয়ে যেহেতু তদন্ত চলছে। আমি আশা করি তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইজহার আহমেদ খান বলেন, সরকারি গাড়িতে গবাদি পশুর সরকারি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত টিম জেলায় এসেছে। তারা তদন্ত করছে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হবে।

 

উল্লেখ্য, গত শনিবার সার্কট হাউসে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের সরকারি গাড়িতে মেয়াদোত্তীর্ণ বেশ কিছু ঔষধ হাতেনাতে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার গাড়িতে মেয়াদহীন ঔষধ।

আপডেট সময় : ১১:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের সরকারি গাড়িতে মেয়াদোত্তীর্ণ বেশ কিছু ঔষধ হাতেনাতে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম এরই মধ্যে তদন্তকাজ শুরু করেছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর বলেছে, তদন্তে কোনো ধরনের ত্রুটি পাওয়া গেলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

গতকাল সোমবার সকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম ঠাকুরগাঁওয়ে এসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে তিন সদস্যের তদন্ত টিম ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছে। তদন্ত টিমকে আমরা বলেছি- এর সঠিক কারণ উদঘাটন করার জন্য। এখানে ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

 

এদিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে- সরকারি গবাদি পশুর ওষুধগুলো লুকিয়ে একটি চক্রের মাধ্যমে খোলা বিক্রি করতেন। উপজেলার গবাদি পশুর খামার মালিক সিরাজুল আলম বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিসে গেলে আমাদের গবাদি পশুগুলো সঠিকভাবে সেবা প্রদান করতেন না উপজেলা কর্মকর্তা। বলতেন, সরকারি ঔষধ নেই। কিন্তু আজ সরকারি ঔষধের রহস্য উন্মোচন হয়েছে। সরকারি ওষুধ তিনি খোলাবাজারে বিক্রি করতেন, কিছু ওষুধ বিক্রি করতে না পেরে সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন খামারি বলেন, সরকারি গবাদি পশুর এসব ঔষধ  গোপনে খোলাবাজারে বিক্রির পেছনে অনেক বড় একটি চক্র রয়েছে। আমরা চাই সেই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

অভিযোগের বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার বলেন, বিষয়টি নিয়ে যেহেতু তদন্ত চলছে। আমি আশা করি তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইজহার আহমেদ খান বলেন, সরকারি গাড়িতে গবাদি পশুর সরকারি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত টিম জেলায় এসেছে। তারা তদন্ত করছে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হবে।

 

উল্লেখ্য, গত শনিবার সার্কট হাউসে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তারের সরকারি গাড়িতে মেয়াদোত্তীর্ণ বেশ কিছু ঔষধ হাতেনাতে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।