খুলনার নাগরিকরা বলছেন, এবার শুধু আশ্বাস নয়—চাই নতুন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বন্দোবস্ত!
খুলনায় অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য সহ বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে ডিজিটাল ভোটের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে তিনটি মৌলিক বিষয়ের উপর: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন, এবং সুশাসন ও ন্যায়বিচার (জবাবদিহিতা) ।
প্রধান দাবি ও অগ্রাধিকারসমূহ:
১. প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখা (ভোটের শীর্ষে): ডিসি, ওসি সহ আমলাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা এবং একটি সাহসী নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা করা ।
২. শিল্প নগরীর পুনরুজ্জীবন: বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকল সহ অন্যান্য শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা এবং মংলা বন্দরকে সচল করা ।
৩. নিরাপত্তা ও সুশাসন: খুলনার ‘আতঙ্কের নগরী’ পরিস্থিতি বদলে মাদক ও অপরাধ দমন করা । সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও ঠিকাদারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ।
৪. স্বাস্থ্য খাত: স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি করা , খুলনা মেডিক্যাল কলেজে এনজিওগ্রাম সহ উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ন্ত্রণ করা ।
উপকূলীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দাবি
জলবায়ু ও কৃষি: ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙন মোকাবিলায় উন্নত বাঁধ তৈরি , এবং সুন্দরবনকে রক্ষা করে জীববৈচিত্র্য নষ্ট না করার দাবি । কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ ও সারের ভর্তুকি নিশ্চিত করা ।
শিক্ষাঙ্গন: শিক্ষাঙ্গনে দলীয় ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা ।
প্রান্তিক কণ্ঠস্বর: নির্বাচনী ইস্তেহারে হিজড়া জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, দলিত ও আদিবাসীদের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকা আবশ্যক ।
NID সুবিধা: ভাসমান (ছিন্নমূল) মানুষ ও আদিবাসীদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করা ।
সারাক্ষণ ডেস্ক 














