ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
রাজৈর উপজেলাকে সতিনের দৃষ্টিতে দেখতো বিগত দিনের এমপিরা, ডক্টর কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারি। রাজৈরের দক্ষিন গোয়ালদী গ্রামে, মেয়ে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে মেলানি খাইতে আসলো জামাই।  জাতীয় শীতকালীন ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। উন্নয়নের নামে আওয়ামী ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বামীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। নাহিদ গ্রুপের আড়ালে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী মাফিয়া সিন্ডিকেটের সদস্য তন্ময়,কিতাব আলীর উত্থান, ঝন্টু সাহার ছায়া সাম্রাজ্য। মাগুরায় বিবাহ কাবিননামা জালিয়াতি মামলায় স্ত্রী মুরশিদা খাতুনকে জেল হাজতে প্রেরণ।  বিআইডব্লিউটিএতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অপর নাম নিজাম উদ্দিন পাঠান : ক্ষমতা, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটের নেপথ্যকথা। গৃহীত ঔষধ ও কেমিকেলের ল্যাব টেষ্টের দাবী: মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ওষুধ,গজ, ব্যান্ডেজ,কেমিকেল ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি  সাপ্লাইয়ে ঠিকাদারের শুভংকরের ফাঁকি!  জামালপুর-৩ সংসদীয় আসনে সনাতনী সমাবেশে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান।

গৃহীত ঔষধ ও কেমিকেলের ল্যাব টেষ্টের দাবী: মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ওষুধ,গজ, ব্যান্ডেজ,কেমিকেল ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি  সাপ্লাইয়ে ঠিকাদারের শুভংকরের ফাঁকি! 

শত অভিযোগ করেও দুর্নীতি বন্ধ করা যচ্ছে না মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের। একটার পর একটা দুর্নীতির ঘটনা ফাঁস হচ্ছে ধারাবাহিক ভাবে। গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় এসব দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিচ্ছে না কোন পদক্ষেপ। ফলে এই হাসপাতালে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।

ওষুধ, কেমিকেল দ্রব্যাদি,সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, গজ,ব্যান্ডেজ,তুলা সহ মোট ৬ টি আইটেম ক্রয়ের ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির পর এবার ৫ কোটি টাকার নিন্মমানের ওষুধ ,কেমিকেল,থানগজ,থান ব্যান্ডজ, ক্যাটগ্যাট সেলাই সুতা ও এমএস আর সামগ্রী ক্রয়ে ও গ্রহনে সীমাহীন দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চলতি অর্থ বছরে নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ কোটি টাকার যে ওষুধ,কেমিকেল দ্রব্যাদি, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, থানগজ,থান ব্যান্ডজ,তুলা, ক্যাটগ্যাট সেলাই সুতা ও এমএসআর সামগ্রী গ্রহন করা হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্মমানের ও পরিমাণে কম। টেন্ডার সিডিউল চুক্তি মোতাবেক থানগজের পরিমাপ হওয়ার কথা ১৮ গজ,সেখানে দেওয়া হয়েছে ৬ গজ। তুলা হওয়ার কথা ৪০০ থেকে ৪৫০ গ্রাম সেখানে দেওয়া হয়েছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম। থান ব্যান্ডেজ হওয়ার কথা ১৮ গজ সেখানে দেওয়া হয়েছে ৬ গজ পরিমাপের। এভাবে অন্যান্য আইটেমেও অতি নিম্নমানের সামগ্রী সাপ্লায় দেওয়া হয়েছে।

যে ঔষধ সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে তা একেবারেই মানহীন। এসব ওষুধ রোগীদের রোগ সারাতে সক্ষম নয় বলে মন্তব্য করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এ সব ওষুধের ষ্রাম্পুল কালেকশন করে ল্যাব টেষ্ট করালেই তাদের জালিয়াতি ধরা পড়বে। এ ছাড়া যে কেমিকেল সরবরাহ করা হয়েছে তা এতাটাই নিন্মমানের যে,এইসব কেমিকেল দ্বারা পরীক্ষিত কোন প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টই সঠিক আসবে না। ফলে রোগীরা ভুল চিকিতসার শিকার হবেন। অধিকাংশ চায়না যন্ত্রপাতি সাপ্লায় দেওয়া হয়েছে। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (টেন্ডার বোর্ড) অজ্ঞাত কারণে অন্ধের মত সেগুলে গ্রহন করেছেন। এতে করে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা যেমন প্রতারিত হতে যাচ্ছে। তেমন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (টেন্ডার বোর্ডের সদস্যরা) অনৈতিক লাভবান হচ্ছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তাদের নাগাল পাওয়া যায়নি। সবাই রহস্যজনক নিরব ভুমিকা পালন করছেন।

মাগুরাবাসীর দাবী: হাসপাতালের স্টোরে স্টক থাকা এই সব গজ,ব্যান্ডেজ,তুলা,কেমিকেল,ওষুধ,

ও যন্ত্রপাতির মান পুন: যাচাই করার জন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করে মাগুরায় পাঠানো হোক। এবং ওষুধ ও কেমিকেলগুলো মহাখালিস্থ ওষুধ টেষ্টিং ল্যাবরেটরী থেকে টেষ্টিং করা হোক।

এ বিষয়ে তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা,সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মহাপরিচালক ওষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ড্রাগ সুপার ঝিনাইদহের পদক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তারা দুদকের অভিযান প্রত্যাশা করেছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজৈর উপজেলাকে সতিনের দৃষ্টিতে দেখতো বিগত দিনের এমপিরা, ডক্টর কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারি।

গৃহীত ঔষধ ও কেমিকেলের ল্যাব টেষ্টের দাবী: মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ওষুধ,গজ, ব্যান্ডেজ,কেমিকেল ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি  সাপ্লাইয়ে ঠিকাদারের শুভংকরের ফাঁকি! 

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শত অভিযোগ করেও দুর্নীতি বন্ধ করা যচ্ছে না মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের। একটার পর একটা দুর্নীতির ঘটনা ফাঁস হচ্ছে ধারাবাহিক ভাবে। গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় এসব দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিচ্ছে না কোন পদক্ষেপ। ফলে এই হাসপাতালে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।

ওষুধ, কেমিকেল দ্রব্যাদি,সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, গজ,ব্যান্ডেজ,তুলা সহ মোট ৬ টি আইটেম ক্রয়ের ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির পর এবার ৫ কোটি টাকার নিন্মমানের ওষুধ ,কেমিকেল,থানগজ,থান ব্যান্ডজ, ক্যাটগ্যাট সেলাই সুতা ও এমএস আর সামগ্রী ক্রয়ে ও গ্রহনে সীমাহীন দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চলতি অর্থ বছরে নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ কোটি টাকার যে ওষুধ,কেমিকেল দ্রব্যাদি, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, থানগজ,থান ব্যান্ডজ,তুলা, ক্যাটগ্যাট সেলাই সুতা ও এমএসআর সামগ্রী গ্রহন করা হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্মমানের ও পরিমাণে কম। টেন্ডার সিডিউল চুক্তি মোতাবেক থানগজের পরিমাপ হওয়ার কথা ১৮ গজ,সেখানে দেওয়া হয়েছে ৬ গজ। তুলা হওয়ার কথা ৪০০ থেকে ৪৫০ গ্রাম সেখানে দেওয়া হয়েছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম। থান ব্যান্ডেজ হওয়ার কথা ১৮ গজ সেখানে দেওয়া হয়েছে ৬ গজ পরিমাপের। এভাবে অন্যান্য আইটেমেও অতি নিম্নমানের সামগ্রী সাপ্লায় দেওয়া হয়েছে।

যে ঔষধ সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে তা একেবারেই মানহীন। এসব ওষুধ রোগীদের রোগ সারাতে সক্ষম নয় বলে মন্তব্য করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এ সব ওষুধের ষ্রাম্পুল কালেকশন করে ল্যাব টেষ্ট করালেই তাদের জালিয়াতি ধরা পড়বে। এ ছাড়া যে কেমিকেল সরবরাহ করা হয়েছে তা এতাটাই নিন্মমানের যে,এইসব কেমিকেল দ্বারা পরীক্ষিত কোন প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টই সঠিক আসবে না। ফলে রোগীরা ভুল চিকিতসার শিকার হবেন। অধিকাংশ চায়না যন্ত্রপাতি সাপ্লায় দেওয়া হয়েছে। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (টেন্ডার বোর্ড) অজ্ঞাত কারণে অন্ধের মত সেগুলে গ্রহন করেছেন। এতে করে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা যেমন প্রতারিত হতে যাচ্ছে। তেমন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (টেন্ডার বোর্ডের সদস্যরা) অনৈতিক লাভবান হচ্ছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেও তাদের নাগাল পাওয়া যায়নি। সবাই রহস্যজনক নিরব ভুমিকা পালন করছেন।

মাগুরাবাসীর দাবী: হাসপাতালের স্টোরে স্টক থাকা এই সব গজ,ব্যান্ডেজ,তুলা,কেমিকেল,ওষুধ,

ও যন্ত্রপাতির মান পুন: যাচাই করার জন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করে মাগুরায় পাঠানো হোক। এবং ওষুধ ও কেমিকেলগুলো মহাখালিস্থ ওষুধ টেষ্টিং ল্যাবরেটরী থেকে টেষ্টিং করা হোক।

এ বিষয়ে তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা,সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মহাপরিচালক ওষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ড্রাগ সুপার ঝিনাইদহের পদক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তারা দুদকের অভিযান প্রত্যাশা করেছেন।