সংগীতাঙ্গনের এক সময়ের জনপ্রিয় দম্পতি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী–এর বিচ্ছেদ ছিল ভক্তদের জন্য এক বড় ধাক্কা। ভালোবেসে গড়া সংসার কেন ভেঙে গেল—এই প্রশ্ন বহুদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছিল সবার মনে। অবশেষে দীর্ঘ সময় পর এক পডকাস্টে এসে সেই নীরবতা ভাঙলেন রবি।
রবির দাবি অনুযায়ী, তাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপড়েনের পেছনে ছিলেন ‘বিপ্লব’ নামের এক ব্যক্তি, যিনি কোরিয়ায় থাকাকালীন তাদের গাড়িচালক ছিলেন। সেখান থেকেই পরিচয়, আর সেই পরিচয় পরবর্তীতে সম্পর্কের জটিলতায় রূপ নেয়—এমনটাই অভিযোগ রবির।
রবি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা একটি নম্বর তার মনে সন্দেহের জন্ম দেয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেই নম্বরের আসল পরিচয় বিপ্লব। বিষয়টি যাচাই করতে ডলির বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডাকা হলে দেখা যায়, তাদের পরিবারের কোনো ‘দুলাভাই’ এ নামে নেই। এরপরই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন রবি।
তার আরও অভিযোগ, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে বিচ্ছেদের কয়েক মাস পর ডলির বিপ্লবের গ্রামের বাড়ি ‘ফুলজানি’তে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এলে আবারও আলোচনায় আসে বিষয়টি। রবির ভাষ্য—এই ঘটনাই তার সন্দেহকে সত্য প্রমাণ করে।
তবে সব তিক্ততার মাঝেও রবি জানান, ডলি তার সন্তানের মা। তাই অতীত নিয়ে তিনি আর বেশি কিছু বলতে চান না। তার মতে, “সত্য শেষ পর্যন্ত সত্য হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়।”
ভালোবাসা, বিশ্বাস আর ভাঙনের এই গল্প আবারও মনে করিয়ে দেয়—তারকাদের জীবনও সাধারণ মানুষের মতোই আবেগ, ভুল বোঝাবুঝি আর বাস্তবতার জটিলতায় বাঁধা।
সারাক্ষণ ডেস্ক 
























