ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হেলালের বিরুদ্ধে মারধরের হুমকি! ড.ইউনুস সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমের নতুন আলিশান বাড়ির কাজ চলছে।  মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে এমদাদুল হক খান সভাপতি ও শাকিল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। কুমিল্লার নিমসার দৈনিক  কাঁচা বাজার রক্ষায় ব্যবসায়ী ও মালিকদের মানববন্ধন। বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে আতিকুর রহমান রাসেলকে দেখতে চায় তৃণমূল। বীরগঞ্জে কুখ্যাত ডাকাত আটক, একাধিক মামলার আসামি আদালতে প্রেরণ। সংসদে ‘সাউন্ড কেলেঙ্কারি’—নতুন মোড় : একই ঠিকাদার, একই সিন্ডিকেট, একের পর এক কোটি কোটি টাকার প্রকল্প দখল। চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢালে, ৪১ হাজার বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম শুরু। কিশোরগঞ্জে ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা।

প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।

মাদারীপুরের ডাসার নবগ্রাম ইউনিয়নের মেয়ে অনুশীলা প্রেমের যে নজির সৃষ্টি করতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে হয়তো কোন দম্পতির মধ্যে বিশ্বাসের যে বন্ধন তৈরি হবে তা সুদূর পরাহত। কেননা ১০ বছর বিবাহিত সংসার যাপন করে অভিনব কায়দায় বিবাহকে অস্বীকার এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।যা স্বাভাবিক সমাজ ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাতের নামান্তর নয় কী? প্রশ্ন রইলো জনান্তিকের কাছে।

মেয়েটি বিবাহের কথা,কোর্ট ম্যারেজের কথাও স্বীকার করল, টাকা নিয়ে নার্সিং পড়াশোনা করার কথাও স্বীকার করল! তাহলে এই মেয়েটির এখন সংসার করতে অসুবিধা কোথায়? লোভের উচ্চাকাঙ্ক্ষার আশায় যদি এই ছেলেটিকে ত্যাগ করে তার ফল ভোগ করতে হবে! আমি দেখেছি অনেক নার্সিং চাকরি করা হিন্দু মেয়ের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি, অনেকের বিয়ে হলেও সংসার হয়নি, এই ধরনের উচ্চাভিলাষী স্বভাবের মেয়েদের শেষে ট্রাজেডি বরণ করতে হয়- কথাগুলো বলছিলেন ক্ষুব্ধ এক এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ১০ লাখ টাকা খরচ করে প্রেমিকা কে নার্সিং পড়ানো শেষে চাকরি পেয়েই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে এক প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘লাইলি-মজনুর’ প্রেমের গল্পের সাথে তুলনা করছেন।

জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে। বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। চার বছর আগে তারা আইনগতভাবে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিশ্বজিৎ বাড়ৈ সাংবাদিকদের জানান, “অনুশীলার সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়াশোনার জন্য আমি প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমরা ঢাকায় দীর্ঘ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছি। সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে সে পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় আমি নিরুপায় হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, “তার সঙ্গে একসময় সম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু সে জোর করে আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করিয়েছিল। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে আইনগতভাবে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।

প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরের ডাসার নবগ্রাম ইউনিয়নের মেয়ে অনুশীলা প্রেমের যে নজির সৃষ্টি করতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে হয়তো কোন দম্পতির মধ্যে বিশ্বাসের যে বন্ধন তৈরি হবে তা সুদূর পরাহত। কেননা ১০ বছর বিবাহিত সংসার যাপন করে অভিনব কায়দায় বিবাহকে অস্বীকার এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।যা স্বাভাবিক সমাজ ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাতের নামান্তর নয় কী? প্রশ্ন রইলো জনান্তিকের কাছে।

মেয়েটি বিবাহের কথা,কোর্ট ম্যারেজের কথাও স্বীকার করল, টাকা নিয়ে নার্সিং পড়াশোনা করার কথাও স্বীকার করল! তাহলে এই মেয়েটির এখন সংসার করতে অসুবিধা কোথায়? লোভের উচ্চাকাঙ্ক্ষার আশায় যদি এই ছেলেটিকে ত্যাগ করে তার ফল ভোগ করতে হবে! আমি দেখেছি অনেক নার্সিং চাকরি করা হিন্দু মেয়ের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি, অনেকের বিয়ে হলেও সংসার হয়নি, এই ধরনের উচ্চাভিলাষী স্বভাবের মেয়েদের শেষে ট্রাজেডি বরণ করতে হয়- কথাগুলো বলছিলেন ক্ষুব্ধ এক এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ১০ লাখ টাকা খরচ করে প্রেমিকা কে নার্সিং পড়ানো শেষে চাকরি পেয়েই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে এক প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘লাইলি-মজনুর’ প্রেমের গল্পের সাথে তুলনা করছেন।

জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে। বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। চার বছর আগে তারা আইনগতভাবে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিশ্বজিৎ বাড়ৈ সাংবাদিকদের জানান, “অনুশীলার সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়াশোনার জন্য আমি প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমরা ঢাকায় দীর্ঘ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছি। সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে সে পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় আমি নিরুপায় হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, “তার সঙ্গে একসময় সম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু সে জোর করে আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করিয়েছিল। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে আইনগতভাবে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।