ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর

প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।

মাদারীপুরের ডাসার নবগ্রাম ইউনিয়নের মেয়ে অনুশীলা প্রেমের যে নজির সৃষ্টি করতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে হয়তো কোন দম্পতির মধ্যে বিশ্বাসের যে বন্ধন তৈরি হবে তা সুদূর পরাহত। কেননা ১০ বছর বিবাহিত সংসার যাপন করে অভিনব কায়দায় বিবাহকে অস্বীকার এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।যা স্বাভাবিক সমাজ ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাতের নামান্তর নয় কী? প্রশ্ন রইলো জনান্তিকের কাছে।

মেয়েটি বিবাহের কথা,কোর্ট ম্যারেজের কথাও স্বীকার করল, টাকা নিয়ে নার্সিং পড়াশোনা করার কথাও স্বীকার করল! তাহলে এই মেয়েটির এখন সংসার করতে অসুবিধা কোথায়? লোভের উচ্চাকাঙ্ক্ষার আশায় যদি এই ছেলেটিকে ত্যাগ করে তার ফল ভোগ করতে হবে! আমি দেখেছি অনেক নার্সিং চাকরি করা হিন্দু মেয়ের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি, অনেকের বিয়ে হলেও সংসার হয়নি, এই ধরনের উচ্চাভিলাষী স্বভাবের মেয়েদের শেষে ট্রাজেডি বরণ করতে হয়- কথাগুলো বলছিলেন ক্ষুব্ধ এক এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ১০ লাখ টাকা খরচ করে প্রেমিকা কে নার্সিং পড়ানো শেষে চাকরি পেয়েই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে এক প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘লাইলি-মজনুর’ প্রেমের গল্পের সাথে তুলনা করছেন।

জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে। বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। চার বছর আগে তারা আইনগতভাবে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিশ্বজিৎ বাড়ৈ সাংবাদিকদের জানান, “অনুশীলার সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়াশোনার জন্য আমি প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমরা ঢাকায় দীর্ঘ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছি। সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে সে পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় আমি নিরুপায় হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, “তার সঙ্গে একসময় সম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু সে জোর করে আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করিয়েছিল। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে আইনগতভাবে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

প্রেমিকার বাড়িতে প্রেমিকের অনশন। চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মাদারীপুরের ডাসার নবগ্রাম ইউনিয়নের মেয়ে অনুশীলা প্রেমের যে নজির সৃষ্টি করতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে হয়তো কোন দম্পতির মধ্যে বিশ্বাসের যে বন্ধন তৈরি হবে তা সুদূর পরাহত। কেননা ১০ বছর বিবাহিত সংসার যাপন করে অভিনব কায়দায় বিবাহকে অস্বীকার এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।যা স্বাভাবিক সমাজ ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাতের নামান্তর নয় কী? প্রশ্ন রইলো জনান্তিকের কাছে।

মেয়েটি বিবাহের কথা,কোর্ট ম্যারেজের কথাও স্বীকার করল, টাকা নিয়ে নার্সিং পড়াশোনা করার কথাও স্বীকার করল! তাহলে এই মেয়েটির এখন সংসার করতে অসুবিধা কোথায়? লোভের উচ্চাকাঙ্ক্ষার আশায় যদি এই ছেলেটিকে ত্যাগ করে তার ফল ভোগ করতে হবে! আমি দেখেছি অনেক নার্সিং চাকরি করা হিন্দু মেয়ের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি, অনেকের বিয়ে হলেও সংসার হয়নি, এই ধরনের উচ্চাভিলাষী স্বভাবের মেয়েদের শেষে ট্রাজেডি বরণ করতে হয়- কথাগুলো বলছিলেন ক্ষুব্ধ এক এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ১০ লাখ টাকা খরচ করে প্রেমিকা কে নার্সিং পড়ানো শেষে চাকরি পেয়েই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে এক প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে ‘লাইলি-মজনুর’ প্রেমের গল্পের সাথে তুলনা করছেন।

জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে। বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। চার বছর আগে তারা আইনগতভাবে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিশ্বজিৎ বাড়ৈ সাংবাদিকদের জানান, “অনুশীলার সঙ্গে আমার ১০ বছরের সম্পর্ক। তার নার্সিং পড়াশোনার জন্য আমি প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমরা ঢাকায় দীর্ঘ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া করে থেকেছি। সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে সে পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় আমি নিরুপায় হয়ে এই পথ বেছে নিয়েছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, “তার সঙ্গে একসময় সম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু সে জোর করে আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করিয়েছিল। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে আইনগতভাবে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।