ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের সেবা প্রদানে খুশি সাধারণ মানুষ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের সেবা প্রদানে খুশি সাধারণ মানুষ।

আপডেট সময় : ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।