ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে। কালীগঞ্জে নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে আটকের পর পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল পরিবারের মহিলা ও নেতাকর্মীরা। সংবাদ প্রকাশ করেছি, অপরাধ করিনি, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের প্রতিবাদ। ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত। নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার। খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত ছোবল : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পুরোনো সিন্ডিকেটের নতুন মুখ, নিম্নমানের পশুখাদ্যে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা। নিয়োগ-বদলী-কেনাকাটা সব তার হাতে, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে মহাপরিচালকের ভুমিকায় ডিএডি শামস আরমান। একদিনে দু’দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ..ঘনঘন কম্পনে বাড়ছে শঙ্কা, প্রয়োজন প্রস্তুতি ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ।

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের সেবা প্রদানে খুশি সাধারণ মানুষ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২২ জন সংবাদটি পড়েছেন

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু।

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের সেবা প্রদানে খুশি সাধারণ মানুষ।

আপডেট সময় : ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।