ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ: বিদ্যুৎ সংকট নয়, এটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পরীক্ষা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ। গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক। মান্দায় ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে, ৪ মাস পর তরুণীকে নিয়ে উধাও যুবক: আতঙ্কে পরিবার। গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন অ্যাডিশনাল ডিআইজির। মাগুরার আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটলুর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।  সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, ইয়াবা ও অস্ত্রসহ মাদক কারবারি আটক। ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ডলার সহ প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার। অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগে পাসপোর্ট অফিসের ডিডি শাহজাহান কবির বদলি, স্থলাভিষিক্ত হালিমা খাতুন। পুলিশ দাঁড়িয়ে, নারী আক্রান্ত—রাষ্ট্র তখন কোথায়?

যুক্তরাজ্যে কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে রাজৈর-মাদারীপুরের গর্ব শেখ রিপন।

  • মোঃ আলী শেখ
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ২০০ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

প্রবাসের মাটিতে নতুন সম্ভাবনার আলো জ্বালিয়ে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন মাদারীপুরের কৃতি সন্তান শেখ রিপন। তিনি “Reform Party UK” দলের মনোনয়ন নিয়ে লন্ডনের Barking & Dagenham এলাকার Parsloes Ward থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শেখ রিপনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার পিতা মান্নান শেখ ও মাতা রওশান নারা। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর গ্রামে। শৈশব-কৈশোর কাটানো এই গ্রামের মাটির টান বুকে নিয়েই ২০০৮ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। পরবর্তীতে ২০১০ সালে লন্ডনের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে নিজেকে গড়ে তোলেন একজন সম্ভাবনাময় তরুণ হিসেবে।

নির্বাচনী প্রচারণায় শেখ রিপন নিজেকে “স্থানীয় মানুষের কণ্ঠস্বর” হিসেবে তুলে ধরে বলেন, মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেই তিনি কাজ করতে চান। একটি শক্তিশালী, নিরাপদ ও ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। তার এই প্রত্যয় ও অংশগ্রহণ ইতোমধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

জানা গেছে, আগামী ৭ মে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে তিনি ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। ইতোমধ্যে তার প্রচারণা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং বিভিন্ন মহলে তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

প্রবাসের মাটিতে থেকেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সচেতন মহল। সংশ্লিষ্টদের মতে, শেখ রিপনের এই অংশগ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে বাংলাদেশ: বিদ্যুৎ সংকট নয়, এটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পরীক্ষা।

যুক্তরাজ্যে কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে রাজৈর-মাদারীপুরের গর্ব শেখ রিপন।

আপডেট সময় : ১০:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

প্রবাসের মাটিতে নতুন সম্ভাবনার আলো জ্বালিয়ে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন মাদারীপুরের কৃতি সন্তান শেখ রিপন। তিনি “Reform Party UK” দলের মনোনয়ন নিয়ে লন্ডনের Barking & Dagenham এলাকার Parsloes Ward থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শেখ রিপনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার পিতা মান্নান শেখ ও মাতা রওশান নারা। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর গ্রামে। শৈশব-কৈশোর কাটানো এই গ্রামের মাটির টান বুকে নিয়েই ২০০৮ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। পরবর্তীতে ২০১০ সালে লন্ডনের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে নিজেকে গড়ে তোলেন একজন সম্ভাবনাময় তরুণ হিসেবে।

নির্বাচনী প্রচারণায় শেখ রিপন নিজেকে “স্থানীয় মানুষের কণ্ঠস্বর” হিসেবে তুলে ধরে বলেন, মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেই তিনি কাজ করতে চান। একটি শক্তিশালী, নিরাপদ ও ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। তার এই প্রত্যয় ও অংশগ্রহণ ইতোমধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

জানা গেছে, আগামী ৭ মে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে তিনি ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। ইতোমধ্যে তার প্রচারণা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং বিভিন্ন মহলে তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

প্রবাসের মাটিতে থেকেও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সচেতন মহল। সংশ্লিষ্টদের মতে, শেখ রিপনের এই অংশগ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।