ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির। গণপূর্তের ‘উজির’: ক্ষমতার বলয়, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ।

হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আজ থেকে ভেঙে গেল। ইরানি বিমানকে আটকাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানা বিমানবন্দরে বিমান হামলা।

 

 

আজ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নাটকীয় ও মারাত্মক মোড় এসেছে।দীর্ঘদিন ধরে চলা ইয়েমেন-সৌদি আরব উত্তেজনা প্রশমন প্রক্রিয়া বা যুদ্ধবিরতির চেষ্টা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ভেস্তে গেছে।

 

হুথিদের দেওয়া তথ্য মতে, আজ সকালে তেহরান থেকে একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হুথি নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আল-মাসিরাহ জানায়, বিমানটি কোনো সামরিক বিমান ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের অবরোধের পর ইয়েমেনের আটকে পড়া সাধারণ নাগরিক, প্রতিনিধি দল ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিয়ে আসা একটি বেসামরিক বিমান ছিল। বিমানটি যেন কোনোভাবেই ইয়েমেনের মাটিতে নামতে না পারে, সেজন্য সৌদি আরবের যুদ্ধবিমানগুলো সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে লক্ষ্য করে তীব্র বিমান হামলা চালায়।

 

তবে হামলার পরপরই সৌদি-সমর্থিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের অফিশিয়াল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনার দায় তারা স্বীকার করে। তারা জানায়, হুথিরা ইয়েমেনি জাতীয় বিমান সংস্থাকে সানায় নামতে বাধা দিচ্ছিল, অথচ অবৈধভাবে একটি ইরানি বিমানকে আকাশসীমা লঙ্ঘন করে অবতরণের সুযোগ করে দিচ্ছিল।দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে হুথিরা ইরানি বিমানকে জোরপূর্বক অবতরণ করানোর চেষ্টা করছিল, তাই তারা এই রানওয়েতে স্ট্রাইক করেছে এবং সৌদি সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা দায় স্বীকার করেনি।

 

এই হামলার কারণে সানার রানওয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ইরানি বিমানটি চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে দিক পরিবর্তন করে এবং লোহিত সাগর উপকূলের হুথি-নিয়ন্ত্রিত অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর—হোদেইদাহ বিমানবন্দরে গিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সফলভাবে অবতরণ করে।

 

এই ঘটনার পর হুথিদের সামরিক মুখপাত্র জেনারেল ইয়াহিয়া সারি কড়া হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “সৌদি আরবের এই সরাসরি আগ্রাসন সব ধরণের যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটালো। এই হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং এর সব পরিণতির জন্য সৌদি আরবকে সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ।

হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আজ থেকে ভেঙে গেল। ইরানি বিমানকে আটকাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানা বিমানবন্দরে বিমান হামলা।

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

 

 

আজ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নাটকীয় ও মারাত্মক মোড় এসেছে।দীর্ঘদিন ধরে চলা ইয়েমেন-সৌদি আরব উত্তেজনা প্রশমন প্রক্রিয়া বা যুদ্ধবিরতির চেষ্টা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ভেস্তে গেছে।

 

হুথিদের দেওয়া তথ্য মতে, আজ সকালে তেহরান থেকে একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হুথি নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আল-মাসিরাহ জানায়, বিমানটি কোনো সামরিক বিমান ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের অবরোধের পর ইয়েমেনের আটকে পড়া সাধারণ নাগরিক, প্রতিনিধি দল ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিয়ে আসা একটি বেসামরিক বিমান ছিল। বিমানটি যেন কোনোভাবেই ইয়েমেনের মাটিতে নামতে না পারে, সেজন্য সৌদি আরবের যুদ্ধবিমানগুলো সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে লক্ষ্য করে তীব্র বিমান হামলা চালায়।

 

তবে হামলার পরপরই সৌদি-সমর্থিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের অফিশিয়াল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনার দায় তারা স্বীকার করে। তারা জানায়, হুথিরা ইয়েমেনি জাতীয় বিমান সংস্থাকে সানায় নামতে বাধা দিচ্ছিল, অথচ অবৈধভাবে একটি ইরানি বিমানকে আকাশসীমা লঙ্ঘন করে অবতরণের সুযোগ করে দিচ্ছিল।দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে হুথিরা ইরানি বিমানকে জোরপূর্বক অবতরণ করানোর চেষ্টা করছিল, তাই তারা এই রানওয়েতে স্ট্রাইক করেছে এবং সৌদি সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা দায় স্বীকার করেনি।

 

এই হামলার কারণে সানার রানওয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ইরানি বিমানটি চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে দিক পরিবর্তন করে এবং লোহিত সাগর উপকূলের হুথি-নিয়ন্ত্রিত অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর—হোদেইদাহ বিমানবন্দরে গিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সফলভাবে অবতরণ করে।

 

এই ঘটনার পর হুথিদের সামরিক মুখপাত্র জেনারেল ইয়াহিয়া সারি কড়া হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “সৌদি আরবের এই সরাসরি আগ্রাসন সব ধরণের যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটালো। এই হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং এর সব পরিণতির জন্য সৌদি আরবকে সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।