ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
শুধু মাদারীপুর নয় ফরিদপুর-১ আসনেরও দায়িত্ব পেলেন হেলেন জেরিন খান, বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা। স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের পচা খাবার সরবরাহের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১ জন আসামি গ্রেফতার। রাজৈরে দুই মাদক সেবীকে তিন মাসের কারাদণ্ড। “আরাফ বাংলাদেশ” মানবিক সংগঠনের ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ গঠিত।  মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ, বদলী হলেও মাগুরা ছাড়ছেন না। দ্রুত অপসারণের দাবী। শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের ওপর বর্বরোচিত হামলা। হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও ৩ জন পেশাদার মাদক কারবারী সহ চারজন গ্রেপ্তার। চেয়ারম্যান,এমডি জেলে, নিয়োগপত্র ছাড়াই আইডি কার্ড বিতরণ, মোহনা টিভিতে হচ্ছে কী? মাদারীপুরের রাজৈরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

মাগুরায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৭ লাখ টাকা উধাও: গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়

সোনালী ব্যাংক লিঃ পিএলসি মাগুরা শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মোঃ টিটুল অভিযোগ করেছেন, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতারক চক্র তার অ্যাকাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে টাকা তুলে নিয়েছে।

মোঃ টিটুল, পিতা-মৃত কাজী আকিম, গ্রাম ইসলামপুর পাড়া, শহীদ মিন্টু সড়ক, মাগুরা। তিনি উষা এস.সি. লিঃ এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকের চলতি হিসাব নম্বর ২৪১৪২০০০১৮৩৫২ রয়েছে। অভিযোগে তিনি জানান, নিজে টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও উক্ত হিসাবে মোট ৮৭ লাখ টাকা জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি কখনো চেক বই গ্রহণ করেননি।

তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার অ্যাকাউন্ট থেকে পুরো অর্থ তুলে নিয়েছে। তার দাবি, হিসাব খোলার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬ পরিবর্তন করে প্রতারকদের ব্যবহৃত অপরিচিত নম্বর বসানো হয়। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের টাকা (৫০ হাজারের বেশি) উত্তোলনের আগে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ফোনে নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। একাধিকবার ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা একসাথে তোলা হলেও তাকে কখনো জানানো হয়নি, এমনকি কোনো এসএমএসও পাঠানো হয়নি।

টিটুল অভিযোগ করেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করা হয়েছে এবং সেটি ব্যবহার করে ধাপে ধাপে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন কিন্তু আমাকে কোনো তথ্য দেননি।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখার বর্তমান ম্যানেজার জানান, “ঘটনাটি আগের ম্যানেজারের আমলে ঘটেছে। আমি অভিযোগ পাওয়ার পর গ্রাহককে ব্যাংকে আসতে বলেছি, কিন্তু তিনি আসেননি।”

অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তিনি নিজেই বাদী হয়ে প্রতারক চক্র ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যাংকে এমন ঘটনা নিরাপত্তা ও গ্রাহক আস্থার জন্য বড় হুমকি।

Tag :
About Author Information

Milon Ahammed

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু মাদারীপুর নয় ফরিদপুর-১ আসনেরও দায়িত্ব পেলেন হেলেন জেরিন খান, বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা।

মাগুরায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৭ লাখ টাকা উধাও: গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

সোনালী ব্যাংক লিঃ পিএলসি মাগুরা শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মোঃ টিটুল অভিযোগ করেছেন, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতারক চক্র তার অ্যাকাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে টাকা তুলে নিয়েছে।

মোঃ টিটুল, পিতা-মৃত কাজী আকিম, গ্রাম ইসলামপুর পাড়া, শহীদ মিন্টু সড়ক, মাগুরা। তিনি উষা এস.সি. লিঃ এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকের চলতি হিসাব নম্বর ২৪১৪২০০০১৮৩৫২ রয়েছে। অভিযোগে তিনি জানান, নিজে টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও উক্ত হিসাবে মোট ৮৭ লাখ টাকা জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি কখনো চেক বই গ্রহণ করেননি।

তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার অ্যাকাউন্ট থেকে পুরো অর্থ তুলে নিয়েছে। তার দাবি, হিসাব খোলার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬ পরিবর্তন করে প্রতারকদের ব্যবহৃত অপরিচিত নম্বর বসানো হয়। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের টাকা (৫০ হাজারের বেশি) উত্তোলনের আগে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ফোনে নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। একাধিকবার ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা একসাথে তোলা হলেও তাকে কখনো জানানো হয়নি, এমনকি কোনো এসএমএসও পাঠানো হয়নি।

টিটুল অভিযোগ করেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করা হয়েছে এবং সেটি ব্যবহার করে ধাপে ধাপে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন কিন্তু আমাকে কোনো তথ্য দেননি।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখার বর্তমান ম্যানেজার জানান, “ঘটনাটি আগের ম্যানেজারের আমলে ঘটেছে। আমি অভিযোগ পাওয়ার পর গ্রাহককে ব্যাংকে আসতে বলেছি, কিন্তু তিনি আসেননি।”

অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তিনি নিজেই বাদী হয়ে প্রতারক চক্র ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যাংকে এমন ঘটনা নিরাপত্তা ও গ্রাহক আস্থার জন্য বড় হুমকি।