ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ধামরাইয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে রাখার অভিযোগ, বারংবার বিচারেও মিলছে না সমাধান। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। ধামরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৩। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার পুনর্বহাল নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন। বীরগঞ্জে ২ মাদক সেবী কারাদণ্ডে দণ্ডিত।  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাতে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ: বাইরে থেকে তালা মেরে বসতঘরে আগুন, প্রাণনাশের চেষ্টা। ভোলাহাট সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১। আমার রক্তে বাঁচুক প্রাণ ব্লাড ডোনার্স সোসাইটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাদারীপুরের রাজৈরে ঐতিহ্যবাহী হোলি উৎসব ২০২৬, অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মাত্রায়, নতুন কলেবরে কদমবাড়ী দিঘীর পাড়।  মাদারীপুরের রাজৈরে স্বচ্ছ সাংবাদিকতা,পেশাগত দায়িত্ববোধ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ ও সামাজিক অঙ্গীকারকে সামনে রেখে সারাক্ষণ বার্তা পরিবারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর, প্রাণবন্ত, ব্যতিক্রমধর্মী আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল।

মাগুরায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৭ লাখ টাকা উধাও: গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়

সোনালী ব্যাংক লিঃ পিএলসি মাগুরা শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মোঃ টিটুল অভিযোগ করেছেন, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতারক চক্র তার অ্যাকাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে টাকা তুলে নিয়েছে।

মোঃ টিটুল, পিতা-মৃত কাজী আকিম, গ্রাম ইসলামপুর পাড়া, শহীদ মিন্টু সড়ক, মাগুরা। তিনি উষা এস.সি. লিঃ এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকের চলতি হিসাব নম্বর ২৪১৪২০০০১৮৩৫২ রয়েছে। অভিযোগে তিনি জানান, নিজে টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও উক্ত হিসাবে মোট ৮৭ লাখ টাকা জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি কখনো চেক বই গ্রহণ করেননি।

তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার অ্যাকাউন্ট থেকে পুরো অর্থ তুলে নিয়েছে। তার দাবি, হিসাব খোলার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬ পরিবর্তন করে প্রতারকদের ব্যবহৃত অপরিচিত নম্বর বসানো হয়। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের টাকা (৫০ হাজারের বেশি) উত্তোলনের আগে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ফোনে নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। একাধিকবার ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা একসাথে তোলা হলেও তাকে কখনো জানানো হয়নি, এমনকি কোনো এসএমএসও পাঠানো হয়নি।

টিটুল অভিযোগ করেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করা হয়েছে এবং সেটি ব্যবহার করে ধাপে ধাপে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন কিন্তু আমাকে কোনো তথ্য দেননি।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখার বর্তমান ম্যানেজার জানান, “ঘটনাটি আগের ম্যানেজারের আমলে ঘটেছে। আমি অভিযোগ পাওয়ার পর গ্রাহককে ব্যাংকে আসতে বলেছি, কিন্তু তিনি আসেননি।”

অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তিনি নিজেই বাদী হয়ে প্রতারক চক্র ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যাংকে এমন ঘটনা নিরাপত্তা ও গ্রাহক আস্থার জন্য বড় হুমকি।

Tag :
About Author Information

Milon Ahammed

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে রাখার অভিযোগ, বারংবার বিচারেও মিলছে না সমাধান।

মাগুরায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৭ লাখ টাকা উধাও: গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

সোনালী ব্যাংক লিঃ পিএলসি মাগুরা শাখার এক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মোঃ টিটুল অভিযোগ করেছেন, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতারক চক্র তার অ্যাকাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে টাকা তুলে নিয়েছে।

মোঃ টিটুল, পিতা-মৃত কাজী আকিম, গ্রাম ইসলামপুর পাড়া, শহীদ মিন্টু সড়ক, মাগুরা। তিনি উষা এস.সি. লিঃ এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকের চলতি হিসাব নম্বর ২৪১৪২০০০১৮৩৫২ রয়েছে। অভিযোগে তিনি জানান, নিজে টাকা জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেও উক্ত হিসাবে মোট ৮৭ লাখ টাকা জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি কখনো চেক বই গ্রহণ করেননি।

তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার অ্যাকাউন্ট থেকে পুরো অর্থ তুলে নিয়েছে। তার দাবি, হিসাব খোলার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬ পরিবর্তন করে প্রতারকদের ব্যবহৃত অপরিচিত নম্বর বসানো হয়। ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের টাকা (৫০ হাজারের বেশি) উত্তোলনের আগে অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ফোনে নিশ্চিত করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। একাধিকবার ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকা একসাথে তোলা হলেও তাকে কখনো জানানো হয়নি, এমনকি কোনো এসএমএসও পাঠানো হয়নি।

টিটুল অভিযোগ করেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করা হয়েছে এবং সেটি ব্যবহার করে ধাপে ধাপে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন কিন্তু আমাকে কোনো তথ্য দেননি।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখার বর্তমান ম্যানেজার জানান, “ঘটনাটি আগের ম্যানেজারের আমলে ঘটেছে। আমি অভিযোগ পাওয়ার পর গ্রাহককে ব্যাংকে আসতে বলেছি, কিন্তু তিনি আসেননি।”

অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তিনি নিজেই বাদী হয়ে প্রতারক চক্র ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবেন।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যাংকে এমন ঘটনা নিরাপত্তা ও গ্রাহক আস্থার জন্য বড় হুমকি।