ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও যেন রেহাই নেই। দুশ্চিন্তায় গাজীপুর বাসিন্দারা।

গাজীপুর বাসীর অভিযোগ ময়লা আবর্জনার স্তূপ।আবর্জনায় মশা ও মাছি জন্ম নেয়। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে মশার বিস্তার চরম আকার ধারণ করেছে। এতে মশার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গাজীপুর।

উপদ্রব এমন ভাবে বেড়েছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার আগে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশা কামড়ানোর পর সে স্থানে ফুলে যন্ত্রণা করে। বাসাবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। দিনের আলোতেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, সন্ধ্যার আগেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে হয়। তারপর যেন রেহাই নেই। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এমন অবস্থা যে, কয়েলের ওপরও মশা ঘোরাঘুরি করে। দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর মশা যেখানে কামড়ায় সেখানে জ্বালা-যন্ত্রণা করে ও ফুলে ওঠে। কয়েল কিনতে প্রতি দিন ১০ টাকা খরচ হয়। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের এলাকার শিক্ষার্থী আবু তালেব হোসেন বলেন, এত বেশি মশার উপদ্রব বেড়েছে যে, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। কয়েল জ্বালিয়ে মশারির ভেতরে পড়তে হচ্ছে।

সফিপুর বাজার সেলিম বলেন, এ এলাকায় মশা নিধনের তেমন একটা কার্যক্রম চোখে পড়ে না।অথচ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী।

গাজীপুর এলাকাবাসীর আকুল দাবি সরকারের কাছে এই মশা নিধন করার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন।

 

 

 

 

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও যেন রেহাই নেই। দুশ্চিন্তায় গাজীপুর বাসিন্দারা।

গাজীপুর বাসীর অভিযোগ ময়লা আবর্জনার স্তূপ।আবর্জনায় মশা ও মাছি জন্ম নেয়। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে মশার বিস্তার চরম আকার ধারণ করেছে। এতে মশার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গাজীপুর।

উপদ্রব এমন ভাবে বেড়েছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার আগে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশা কামড়ানোর পর সে স্থানে ফুলে যন্ত্রণা করে। বাসাবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। দিনের আলোতেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, সন্ধ্যার আগেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে হয়। তারপর যেন রেহাই নেই। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এমন অবস্থা যে, কয়েলের ওপরও মশা ঘোরাঘুরি করে। দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর মশা যেখানে কামড়ায় সেখানে জ্বালা-যন্ত্রণা করে ও ফুলে ওঠে। কয়েল কিনতে প্রতি দিন ১০ টাকা খরচ হয়। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের এলাকার শিক্ষার্থী আবু তালেব হোসেন বলেন, এত বেশি মশার উপদ্রব বেড়েছে যে, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। কয়েল জ্বালিয়ে মশারির ভেতরে পড়তে হচ্ছে।

সফিপুর বাজার সেলিম বলেন, এ এলাকায় মশা নিধনের তেমন একটা কার্যক্রম চোখে পড়ে না।অথচ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী।

গাজীপুর এলাকাবাসীর আকুল দাবি সরকারের কাছে এই মশা নিধন করার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন।