ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সুন্দরগঞ্জে ৩.৫০ গ্রাম হেরোইনসহ ভাই-বোন গ্রেফতার। প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় প্রকৌশলী সমাজ। আমতলীতে পরোয়ানাভুক্ত ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী বেল্লাল সর্দার গ্রেফতার। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেইজ স্কুলের ‘ও’ লেভেলের মেধাবী ছাত্র ইয়াছিন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন; ০৯ মাস পর গ্রেফতার ৩। এক জনের আদালতে স্বীকারোক্তি। ইংল্যান্ডে হবিগঞ্জের তরুণ বার্ডফুড এ কাউন্সিলর নির্বাচিত। আমতলীতে অবৈধ জমি দখলের দায়ে নারীর ১৫ দিনের কারাদণ্ড, উচ্ছেদ করে মালিককে দখল ফিরিয়ে দিলেন আদালত। এক হাত নাই তো তাতে কি হয়েছে? প্লে গ্রুপের ছাত্র মোঃ মোস্তাকিম এখন সেনবাগের বিস্ময়। বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সম্পাদক মশিউর রহমান নির্বাচিত। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা: সড়কের পাশে বসবে না পশুর হাট। এখন এদেশে মনে হয় কোনো আওয়ামীলীগ নেই- সাকিব।

রমনা কালী মন্দিরের অজানা ইতিহাস।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

“স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে শ্রী শ্রী রমনা ভদ্র কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের জায়গায় একবারই কালী পূজার অনুমতি পাওয়া যায়”

আমরা শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রম পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং ১৯৮২ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ‍্যানে রমনা মন্দিরে পূজা করার অনুমতি চেয়ে এরশাদের সামরিক সরকারের উপ- আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক বরাবর আবেদন করি এবং উপ – আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক কালী পূজার দিন ১৪/১১/১৯৮২ ইং তারিখ হইতে পাঁচ দিনের জন্য রমনা কালী মন্দিরে পূজা করার অনুমতি প্রদান করেন। ‘

ঢাক – ঢোল পিটিয়ে আমরা রমনা কালী মন্দিরে শ্রী শ্রী ভদ্র কালীমাতার পূজার্চনা করি।

আমি বিকাশ রায় এই অনুমতি পাবার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করা সহ আবেদন পত্রে সাক্ষর করি।

এভাবে রমনা ভদ্রকালী মন্দিরে পূজা অর্চনা করার পর তৎকালীন এরশাদের সামরিক সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের নাজেহাল করার চেষ্টা করতে থাকে এবং এক পর্যায়ে আমাদের ওপর হুলিয়া জারি করে।

আমি জাতীয় জনতা পার্টি ( ওসমানী ) এর দপ্তর সম্পাদক ছিলাম, সেইহেতু আমি আমার শ্রদ্ধেয় স‍্যার মহান মুক্তিযুদ্ধের সবাধির্নায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম,এ,জি, ওসমানী সাহেবের সাহায্যের জন্য স্মরনাপন্ন হই। ওসমানী সাহেবের সক্রিয় সহযোগিতায় এরশাদের সামরিক সরকারের হুলিয়া থেকে রক্ষা পাই।

৪৩ বছর পূর্বে মন্দির পূনঃনির্মান বা পুনপ্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন আমরা শুরু করেছিলাম আজ সেটা স্বার্থক। জীবদ্দশায় মন্দির পূনঃনির্মান দেখতে পেলাম।

১৯৮১ সালে শ্রী শ্রী রমনা ভদ্রকালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম পূনরুদ্ধার করার জন্য যে কমিটি করা হয়েছিল তার সাধারন সম্পাদক ছিলাম আমি বিকাশ রায় এবং সভাপতি ছিলেন শ্রী রতন কুমার সরকার। কথাগুলো বলছিলেন বিকাশ রায় তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির কমিটি।

বর্তমানে শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দিরের সভাপতি হলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি মিল্টন বৈদ্য। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের কালের সাক্ষী হয়ে আছো টিকে আছে শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে ৩.৫০ গ্রাম হেরোইনসহ ভাই-বোন গ্রেফতার।

রমনা কালী মন্দিরের অজানা ইতিহাস।

আপডেট সময় : ১১:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

“স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে শ্রী শ্রী রমনা ভদ্র কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রমের জায়গায় একবারই কালী পূজার অনুমতি পাওয়া যায়”

আমরা শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির ও শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রম পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং ১৯৮২ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ‍্যানে রমনা মন্দিরে পূজা করার অনুমতি চেয়ে এরশাদের সামরিক সরকারের উপ- আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক বরাবর আবেদন করি এবং উপ – আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক কালী পূজার দিন ১৪/১১/১৯৮২ ইং তারিখ হইতে পাঁচ দিনের জন্য রমনা কালী মন্দিরে পূজা করার অনুমতি প্রদান করেন। ‘

ঢাক – ঢোল পিটিয়ে আমরা রমনা কালী মন্দিরে শ্রী শ্রী ভদ্র কালীমাতার পূজার্চনা করি।

আমি বিকাশ রায় এই অনুমতি পাবার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করা সহ আবেদন পত্রে সাক্ষর করি।

এভাবে রমনা ভদ্রকালী মন্দিরে পূজা অর্চনা করার পর তৎকালীন এরশাদের সামরিক সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের নাজেহাল করার চেষ্টা করতে থাকে এবং এক পর্যায়ে আমাদের ওপর হুলিয়া জারি করে।

আমি জাতীয় জনতা পার্টি ( ওসমানী ) এর দপ্তর সম্পাদক ছিলাম, সেইহেতু আমি আমার শ্রদ্ধেয় স‍্যার মহান মুক্তিযুদ্ধের সবাধির্নায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম,এ,জি, ওসমানী সাহেবের সাহায্যের জন্য স্মরনাপন্ন হই। ওসমানী সাহেবের সক্রিয় সহযোগিতায় এরশাদের সামরিক সরকারের হুলিয়া থেকে রক্ষা পাই।

৪৩ বছর পূর্বে মন্দির পূনঃনির্মান বা পুনপ্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন আমরা শুরু করেছিলাম আজ সেটা স্বার্থক। জীবদ্দশায় মন্দির পূনঃনির্মান দেখতে পেলাম।

১৯৮১ সালে শ্রী শ্রী রমনা ভদ্রকালী মন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম পূনরুদ্ধার করার জন্য যে কমিটি করা হয়েছিল তার সাধারন সম্পাদক ছিলাম আমি বিকাশ রায় এবং সভাপতি ছিলেন শ্রী রতন কুমার সরকার। কথাগুলো বলছিলেন বিকাশ রায় তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির কমিটি।

বর্তমানে শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দিরের সভাপতি হলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অপর্ণা রায় দাস এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি মিল্টন বৈদ্য। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের কালের সাক্ষী হয়ে আছো টিকে আছে শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির।