ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ৬৫ পিস ইয়াবা ও ১১০ পুরিয়া হেরোইন সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত-২ ৪০০ টাকার ঔষধ ৫০ টাকায় ! ইউনিটেক ইউনানির বিতর্কিত সিরাপে কী উপাদান আছে ? প্রতারণার নতুন কৌশল! জনস্বাস্থ্য নিয়ে ঘোরতর আতঙ্ক, তদন্তের দাবি !   টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে মালয়েশিয়াগামী বোট থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯ মানব পাচারকারী। জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক ১,৫০০ পিস ইয়াবাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, নিঃস্ব বহু পরিবার। মাদকসেবী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৩। রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম। হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৭০ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার অবৈধ মালামালসহ ২টি কাভার্ড ভ্যান জব্দ।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৮৪ জন সংবাদটি পড়েছেন
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ৬৫ পিস ইয়াবা ও ১১০ পুরিয়া হেরোইন সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।