ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
জেলা গোয়েন্দা শাখা, নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার। সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক দস্যুতাকালে ৫ জন দুষ্কৃতিকারী গ্রেফতার। মাদারীপুর রাজৈরের টেকেরহাটে দুধ কান্ডে ভাইরাল এনামুল বাঘা গ্রেফতার। ৭১-এর শরণার্থী ইতিহাসের বৃহত্তম মানবিক ট্র্যাজেডি, গণহত্যার মুখে ঘর ছাড়ে দেশের প্রতি সাতজন মানুষের একজন। নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ‎ জাতীয় সংলাপে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়নে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান। বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ?  ওসমানীনগরে ডিবির বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে।

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি দিল দুদক।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬২২ জন সংবাদটি পড়েছেন

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিগত কমিশনগুলো এ অভিযোগটির পরিসমাপ্তি না করলেও বর্তমান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করেছে।

দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মদের স্বাক্ষরিত গত ১০ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে মো. লিয়াকত আলী খানের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. কামিয়াব আফতাহি-উন-নবীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক ২০১৭ সালে অনুসন্ধান শুরু করে। পরে ২০২৩ সালে নতুন করে আরও একটি অভিযোগ যুক্ত হয়। বিগত কমিশনগুলো এ অভিযোগটির পরিসমাপ্তি না করলেও বর্তমান কমিশন তা পরিসমাপ্ত করেছে।

 

পরিসমাপ্তির কারণ জানতে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদের মোবাইলফোন নম্বরে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এছাড়া দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কল রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো প্রশ্নেরও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, “জোর তদবিরের কারণে কমিশন অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করেছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও তদারককারী কর্মকর্তা কেবল কমিশনের আদেশ পালন করেছেন। দুদক আইনে বলা রয়েছে, নতুন করে কোনো অভিযোগ এলে আগের অভিযোগটির পুনরায় অনুসন্ধান শুরু করতে পারে কমিশন। কেউ রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দিলে পুনরায় অনুসন্ধান চালু করতে পারবে কমিশন।”

এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ডেপুটি টাউন প্ল্যানার কামরুল হাসান সোহাগসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে রূপায়ন হাউজিংকে প্ল্যান পাস করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে দুদক ২০২৩ সালে অনুসন্ধান শুরু করে।

এ ঘটনায় রাজউকের এক পরিচালকসহ ছয় কর্মকর্তাকে তলব করে দুদক। তাদের ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়।

তলবকৃত কর্মকর্তারা হলেন— পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) তৌফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) জ্ঞানময় চাকমা, নকশাকারক এমাদুল হক মুন্সী, কার্টোগ্রাফিক অ্যাসিসট্যান্ট এমরান হোসেন সুমন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নাজমুল হক এবং প্রধান ইমারত পরিদর্শক আবু শামস রকিব উদ্দিন আহমেদ।

দুদকের অনুসন্ধান দলের প্রধান উপপরিচালক আহসানুল কবীর পলাশ ও উপসহকারী পরিচালক আফিয়া খাতুন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা গোয়েন্দা শাখা, নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার।

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যানকে অব্যাহতি দিল দুদক।

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিগত কমিশনগুলো এ অভিযোগটির পরিসমাপ্তি না করলেও বর্তমান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করেছে।

দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মদের স্বাক্ষরিত গত ১০ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে মো. লিয়াকত আলী খানের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করা হয়।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. কামিয়াব আফতাহি-উন-নবীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক ২০১৭ সালে অনুসন্ধান শুরু করে। পরে ২০২৩ সালে নতুন করে আরও একটি অভিযোগ যুক্ত হয়। বিগত কমিশনগুলো এ অভিযোগটির পরিসমাপ্তি না করলেও বর্তমান কমিশন তা পরিসমাপ্ত করেছে।

 

পরিসমাপ্তির কারণ জানতে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদের মোবাইলফোন নম্বরে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এছাড়া দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কল রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো প্রশ্নেরও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, “জোর তদবিরের কারণে কমিশন অভিযোগটি পরিসমাপ্ত করেছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও তদারককারী কর্মকর্তা কেবল কমিশনের আদেশ পালন করেছেন। দুদক আইনে বলা রয়েছে, নতুন করে কোনো অভিযোগ এলে আগের অভিযোগটির পুনরায় অনুসন্ধান শুরু করতে পারে কমিশন। কেউ রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খানের (মুকুল) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দিলে পুনরায় অনুসন্ধান চালু করতে পারবে কমিশন।”

এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ডেপুটি টাউন প্ল্যানার কামরুল হাসান সোহাগসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে রূপায়ন হাউজিংকে প্ল্যান পাস করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে দুদক ২০২৩ সালে অনুসন্ধান শুরু করে।

এ ঘটনায় রাজউকের এক পরিচালকসহ ছয় কর্মকর্তাকে তলব করে দুদক। তাদের ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়।

তলবকৃত কর্মকর্তারা হলেন— পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) তৌফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) জ্ঞানময় চাকমা, নকশাকারক এমাদুল হক মুন্সী, কার্টোগ্রাফিক অ্যাসিসট্যান্ট এমরান হোসেন সুমন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নাজমুল হক এবং প্রধান ইমারত পরিদর্শক আবু শামস রকিব উদ্দিন আহমেদ।

দুদকের অনুসন্ধান দলের প্রধান উপপরিচালক আহসানুল কবীর পলাশ ও উপসহকারী পরিচালক আফিয়া খাতুন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।