ঢাকা ০১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাকে কাঁধে করে ছেলের ভিক্ষাবৃত্তি। কুমিল্লার লাকসামের সোহান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পার্কিং করা গাড়িতে আগুন। সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ। উচ্ছেদ নয়, আগে পুনর্বাসন: মিটফোর্ড সুইপার কলোনির সংকট রাষ্ট্রের মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও সংবিধানের পরীক্ষা। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ। সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র:  মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন বিতর্কিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও চুক্তিভিত্তিক সচিব! জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান: ইতিহাসের ভাষ্য, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। কুমিল্লার হোমনা, মেঘনা ও দাউদকান্দির সব নৌযান নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

মাগুরায় জামায়াত নেতা বি এম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গংদের কীর্তিকলাপ প্রসঙ্গে এড.মমতাজ বেগমের অভিযোগ।

 

মাগুরায় জামায়াত নেতা বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গং কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিল্ডিং তৈরি করে যাচ্ছেন এবং ১৮ ইঞ্চি ছাদবর্ধিত করে প্রায় আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন। পাঁচিলের সঙ্গে এক ইঞ্চিও না ছেড়েও পাচিল তৈরি করে যাচ্ছেন।

এখনো কোর্টের নিষেধাজ্ঞা আদেশ বহাল আছে। গত সাড়ে তিন বছর কাজ বন্ধ থাকার পর তারা এ কার্যক্রম শুরু করছেন। কোনভাবে তাদেরকে থামানো যাচ্ছে না বা কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

আমি ছয় সাত মাস ধরে প্রচন্ড অসুস্থ্য। কোর্ট থেকে আবারো নতুন করে আদেশ দিয়েছে কিন্তু বারবার থানায় যেয়েও কোন লাভ হয়নি। এখন আমি কোর্টে যেতে পারছিনা অসুস্থতার কারণে। বাধ্য হয়ে আমাকে চেয়ে চেয়ে এগুলো দেখতে হচ্ছে।

আমার বাড়ির পাঁচিল দেওয়া হয়েছে ৯২ সালে অর্থাৎ রায় ৩৪ বছর আগে। আর এই জায়গাটা আমার আব্বার কেনা তার থেকেও ১৫ বছর আগে। আমার জায়গার পরিমাণ ৭ শতক। পৌর বিধির অনুসারে ছেড়ে দিয়ে আমার পাঁচিল এর মধ্যে মোট জায়গা ছিল ৪. ৭৪ শতাংশ। এখন আবার নতুন করে পৌরসভার ড্রেন করতে গিয়ে নতুন করে ভাঙা লাগছে। এটা তো রাস্তার প্রয়োজনে লাগবেই। এ রাস্তাগুলো মালিকানা সম্পত্তিতে হচ্ছে। সরকার থেকে কোন অনুদান আমরা কখনোই নেইনি। বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ যে জায়গায় কিনেছে আমার বাড়ির পাঁচিলের সাথে। দলিলে একটা রাস্তা উল্লেখ আছে। সেই রাস্তার ওইপাশে বিএমএরশাদ উল্লাহ ওহীদের জায়গা।

তার মোট জায়গা ১২ শতক। সে পর্চা তৈরি করছে ১৫ শতক। আর প্ল্যান পাস করেছে ১৪ শতকের উপর। যার কারণে কোর্ট থেকে তাকে পরপর দুইবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ সহ আরো ৪-৫ জন এখানে দশ তালা একটা হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি করছেন যা তৈরি করতে গেলে আইনত কমপক্ষে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি সাইট থেকে জমি ছাড়া লাগে। কিন্তু সে মাত্র ৩ ফুট ছেড়েছে । তার উপর কার্নিস ১৮ ইঞ্চি বর্ধিত করে আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে প্রায় লাগিয়ে দিয়েছেন।

আমি ২৭ বছর ধরে সরকারি চাকরি করেছি। পরবর্তীতে স্বেচ্ছায় রিটায়ার্ড করে ২০১৬ সাল থেকে মাগুরায় ওকালতি করে যাচ্ছি। আমার অর্জিত সিংহভাগ টাকায়ই বাড়ির মধ্যে দেওয়া।

এখন পর্যন্ত আমি পুরাবাড়ি কমপ্লিট করতে পারিনি। অর্থাৎ আড়াই তলা বাড়ি আমার। (আমি১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চাকরি করেছি।)

আমি মাগুরাবাসীর কাছে এই জবর দখল ও বেআইনি কর্মকান্ডের বিচার চাই।

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাকে কাঁধে করে ছেলের ভিক্ষাবৃত্তি।

মাগুরায় জামায়াত নেতা বি এম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গংদের কীর্তিকলাপ প্রসঙ্গে এড.মমতাজ বেগমের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাগুরায় জামায়াত নেতা বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গং কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিল্ডিং তৈরি করে যাচ্ছেন এবং ১৮ ইঞ্চি ছাদবর্ধিত করে প্রায় আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন। পাঁচিলের সঙ্গে এক ইঞ্চিও না ছেড়েও পাচিল তৈরি করে যাচ্ছেন।

এখনো কোর্টের নিষেধাজ্ঞা আদেশ বহাল আছে। গত সাড়ে তিন বছর কাজ বন্ধ থাকার পর তারা এ কার্যক্রম শুরু করছেন। কোনভাবে তাদেরকে থামানো যাচ্ছে না বা কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

আমি ছয় সাত মাস ধরে প্রচন্ড অসুস্থ্য। কোর্ট থেকে আবারো নতুন করে আদেশ দিয়েছে কিন্তু বারবার থানায় যেয়েও কোন লাভ হয়নি। এখন আমি কোর্টে যেতে পারছিনা অসুস্থতার কারণে। বাধ্য হয়ে আমাকে চেয়ে চেয়ে এগুলো দেখতে হচ্ছে।

আমার বাড়ির পাঁচিল দেওয়া হয়েছে ৯২ সালে অর্থাৎ রায় ৩৪ বছর আগে। আর এই জায়গাটা আমার আব্বার কেনা তার থেকেও ১৫ বছর আগে। আমার জায়গার পরিমাণ ৭ শতক। পৌর বিধির অনুসারে ছেড়ে দিয়ে আমার পাঁচিল এর মধ্যে মোট জায়গা ছিল ৪. ৭৪ শতাংশ। এখন আবার নতুন করে পৌরসভার ড্রেন করতে গিয়ে নতুন করে ভাঙা লাগছে। এটা তো রাস্তার প্রয়োজনে লাগবেই। এ রাস্তাগুলো মালিকানা সম্পত্তিতে হচ্ছে। সরকার থেকে কোন অনুদান আমরা কখনোই নেইনি। বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ যে জায়গায় কিনেছে আমার বাড়ির পাঁচিলের সাথে। দলিলে একটা রাস্তা উল্লেখ আছে। সেই রাস্তার ওইপাশে বিএমএরশাদ উল্লাহ ওহীদের জায়গা।

তার মোট জায়গা ১২ শতক। সে পর্চা তৈরি করছে ১৫ শতক। আর প্ল্যান পাস করেছে ১৪ শতকের উপর। যার কারণে কোর্ট থেকে তাকে পরপর দুইবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ সহ আরো ৪-৫ জন এখানে দশ তালা একটা হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি করছেন যা তৈরি করতে গেলে আইনত কমপক্ষে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি সাইট থেকে জমি ছাড়া লাগে। কিন্তু সে মাত্র ৩ ফুট ছেড়েছে । তার উপর কার্নিস ১৮ ইঞ্চি বর্ধিত করে আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে প্রায় লাগিয়ে দিয়েছেন।

আমি ২৭ বছর ধরে সরকারি চাকরি করেছি। পরবর্তীতে স্বেচ্ছায় রিটায়ার্ড করে ২০১৬ সাল থেকে মাগুরায় ওকালতি করে যাচ্ছি। আমার অর্জিত সিংহভাগ টাকায়ই বাড়ির মধ্যে দেওয়া।

এখন পর্যন্ত আমি পুরাবাড়ি কমপ্লিট করতে পারিনি। অর্থাৎ আড়াই তলা বাড়ি আমার। (আমি১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চাকরি করেছি।)

আমি মাগুরাবাসীর কাছে এই জবর দখল ও বেআইনি কর্মকান্ডের বিচার চাই।