ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যশোর ডিবির তিন এসআইকে আইজিপি ব্যাজ প্রদান । গ্রামীণ সংস্কৃতি ও কাছারির গল্প- অধ্যক্ষ সৈয়দ রবিউল আলম। কিশোরগঞ্জে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার। জৈন্তাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন সুনন্দা রায়। সব রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের জানাজা অনুষ্ঠিত। ওমানে গাড়ির ভেতর চট্টগ্রামের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু। প্রতিমন্ত্রী করলেন বরখাস্ত প্রধান নির্বাহী আদেশ দিলেন যোগদানের। আসলে বড় কে? জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘তারুণ্যের বাজেট ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদের জামাত আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান।

শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়তে পারে আগামী কয়েকদিন।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

গত কয়েক দিন ধরেই কনকনে ঠান্ডায় স্থবিরতা স্বাভাবিক জীবনে। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁসহ নয়টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে আবওহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

আর চলতি মাসে দেশে দুইটি থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবওহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। সেগুলোর মধ্যে একটি বা দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপান্তরিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েক দিনে আরও বাড়তে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি আবওহাওয়ার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে, তবে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নাই। জানুয়ারি মাসজুড়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

এছাড়া জানুয়ারি মাসজুড়ে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়তে পারে।

তবে কখনও কখনও কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে। জানুয়ারি মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

এদিকে, হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ। শয্যার তুলনায় ভর্তি রয়েছে কয়েকগুণ বেশি। বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও বৃদ্ধরা

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোর ডিবির তিন এসআইকে আইজিপি ব্যাজ প্রদান ।

শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়তে পারে আগামী কয়েকদিন।

আপডেট সময় : ০১:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

গত কয়েক দিন ধরেই কনকনে ঠান্ডায় স্থবিরতা স্বাভাবিক জীবনে। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁসহ নয়টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে আবওহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

আর চলতি মাসে দেশে দুইটি থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবওহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। সেগুলোর মধ্যে একটি বা দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপান্তরিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের উপর দিয়ে মুদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েক দিনে আরও বাড়তে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি আবওহাওয়ার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে, তবে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নাই। জানুয়ারি মাসজুড়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

এছাড়া জানুয়ারি মাসজুড়ে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়তে পারে।

তবে কখনও কখনও কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে। জানুয়ারি মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

এদিকে, হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ। শয্যার তুলনায় ভর্তি রয়েছে কয়েকগুণ বেশি। বেশি ঝুঁকিতে শিশু ও বৃদ্ধরা