ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ। মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রম কমিটির আগামীদিনের কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা।

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ জন সংবাদটি পড়েছেন
14

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে

Tag :
About Author Information

Sanjib Das

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
14

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে