জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে ২৪ রঙের গ্রাফিতি ও চিত্র অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। এই প্রতিযোগিতায় মাগুরা জেলার মোট ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করে। কলেজ পর্যায়ে ৩ টি এবং মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে ৩ টি।
প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাগুরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ( মডেল স্কুল) দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পুরষ্কার লাভ করে।
গত ৯ ডিসেম্বর খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ছাত্রদের পুরষ্কারের চেক বিতরণ করেন।
পুরষ্কার হিসাবে মাগুরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ২ লাখ টাকার চেক পান।
সরকারের নির্দেশনা ছিল যে,
এই পুরষ্কারের টাকা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। কিন্তু চেক গ্রহনের বয়স প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম সেই টাকা ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করেন নি। অন্যান্য জেলার স্কুল ও কলেজগুলো পুরষ্কারের টাকা জানুয়ারী মাসে বিতরণ করলেও মাগুরায় তার ব্যতিক্রম ঘটেছে।
এ বিষয়ে অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষককে প্রশ্ন করলে তিনি বলেছেন, স্কুলের নামে আসা টাকা ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করার কোন বিধান নেই।
উল্লেখ্য যে, এই প্রধান শিক্ষক ২০২২ সালে স্কুলের গাছ কেটে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করার দায়ে এক মামলায় ১৭ দিন জেল খেটেছিলেন।
এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তিনি বিদ্যালয়ের এসেম্বলিতে মাগুরা -১ আসনের জামায়াত নেতাদের ভোট চাওয়ার সুযোগ করে দেন।
এ ঘটনায় ছাত্ররা তখন ক্লাস বর্জন করে তার অপসারণ দাবী করেছিল। তিনি জামায়াতের একজন অন্ধ সমর্থক বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুরষ্কারের টাকা ছাত্রদের মধ্যে বিতরণ করার কোন বিধান নেই। ঐ টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা আছে। ওপরের নির্দেশনা পেলে বিতরণ করা হবে।
প্রধান শিক্ষকের এমন আচরণে ছাত্ররা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছে।
তারা এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার মহাপরিচালকের পদক্ষেপ কামনা করেছে।
সারাক্ষণ ডেস্ক 

















