ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সদ্য বিদায়ী অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের দাবী।জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ!

  • রোস্তম মল্লিক
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

আলোচিত ও সমালোচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অনিয়ম- দুর্নীতি তদন্তের দাবী জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ন্যাশনাল এফ এফ ফাউন্ডেশন।

আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন যে,

১। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পর্যায়ক্রমে নানা অনিয়ম লক্ষ্যনীয়-উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, বীর প্রতীক জামায়াত ও রাজাকার পরিবেষ্টিত ছিলেন।

তাঁর সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালাও স্যান্ডেল দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চুড়ান্ত অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে।

২। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে আগুন দেয়া ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

৩। মিথ্যা মামলা দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জেলে দেয়া হয়েছে।

৪। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

৫। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যখন স্বাধীনতা বিরোধীরা নগ্নভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে- সেই মুহুর্তে সাবেক উপদেষ্টার ভূমিকা ছিল নিশ্চুপ এবং বোবা।

৬। অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জামায়াত পরিবেষ্টিত এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পরিপন্থি জামুকার সদস্য ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার আমলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে কোন ভূমিকা ছিল না।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে অবৈধ হস্তক্ষেপ করে প্রায় ৭৪ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেটি লংঘন করেছেন উপদেষ্টা ফারুক- ই -আজম বীর প্রতীক।

এই সব বিষয় তদন্ত করার জন্য জোর দাবী জানানো হয়েছে। আবেদনের খবরে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। দেশের অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে যে সরকার কাজ করছে তারাই যদি অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ অভিযুক্ত হয় তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা রাখার জায়গা কোথায়, ভরসা কোথায়?

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন।

সদ্য বিদায়ী অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের দাবী।জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ!

আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলোচিত ও সমালোচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অনিয়ম- দুর্নীতি তদন্তের দাবী জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ন্যাশনাল এফ এফ ফাউন্ডেশন।

আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন যে,

১। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পর্যায়ক্রমে নানা অনিয়ম লক্ষ্যনীয়-উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, বীর প্রতীক জামায়াত ও রাজাকার পরিবেষ্টিত ছিলেন।

তাঁর সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালাও স্যান্ডেল দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চুড়ান্ত অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে।

২। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে আগুন দেয়া ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

৩। মিথ্যা মামলা দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জেলে দেয়া হয়েছে।

৪। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

৫। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যখন স্বাধীনতা বিরোধীরা নগ্নভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হয়েছে- সেই মুহুর্তে সাবেক উপদেষ্টার ভূমিকা ছিল নিশ্চুপ এবং বোবা।

৬। অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জামায়াত পরিবেষ্টিত এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পরিপন্থি জামুকার সদস্য ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার আমলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে কোন ভূমিকা ছিল না।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে অবৈধ হস্তক্ষেপ করে প্রায় ৭৪ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেটি লংঘন করেছেন উপদেষ্টা ফারুক- ই -আজম বীর প্রতীক।

এই সব বিষয় তদন্ত করার জন্য জোর দাবী জানানো হয়েছে। আবেদনের খবরে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। দেশের অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে যে সরকার কাজ করছে তারাই যদি অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ অভিযুক্ত হয় তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা রাখার জায়গা কোথায়, ভরসা কোথায়?