ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রকৌশলীকে বদলী করার ক্ষমতা নাকি মন্ত্রী ও সচিবের নেই: মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক প্রকৌশলীর ৬ বছরের দুর্নীতির রাজত্ব! শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুই অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১। ধামরাই গ্যাসের বিস্ফোরণে দম্পতি দগ্ধ, স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর। চট্টগ্রামের সাবেক এমপি মুজিবের বাসায় গুলি: লুট হওয়া অস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার। মালিক বিহীন ২২ বোতল ভারতীয় মদ আটক। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আগামীর বাংলাদেশে আমলাতন্ত্রের আশু সংস্কার প্রয়োজন। যাত্রাবাড়ীতে চার লক্ষ টাকার ১২৯৫ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন। প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে মাদারীপুর। আলমগীর হত্যার পর ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ব্যাপক তাণ্ডব। বাদিয়াখালীতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক অর্ধ বয়সী নারীর মৃত্যু।

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার গণেশ পাগল সেবাশ্রম মাঠে ঐতিহ্যবাহী হোলি উৎসব-২০২৬ উদযাপিত।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ১৪০ জন সংবাদটি পড়েছেন

মাদারীপুরের রাজৈর প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঐতিহ্যবাহী হোলি উৎসব ২০২৬, শুরু হয়েছে আজ কদমবাড়ী মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রম মেলার মাঠে।

 

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬)  সকাল ১১:০০ টার সময় পবিত্র গীতা পাঠ ও গণেশ পাগলের ডঙ্কা বাহিনীর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা সুরু। এরপর দুপুরে শ্রীকৃষ্ণের গানের তালে তালে সম্মিলিত নৃত্য, বিকেলে চিরায়ত বাংলার বাউল সংগীত এবং সন্ধ্যায় দর্শনার্থীদের মাতাতে থাকছে ব্যান্ড সংগীতের বিশেষ আয়োজন। শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের মেলার মাঠে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত, আবিরের রঙ্গে নিজেকে রাঙ্গিয়ে আনন্দ উল্লাস ভাগাভাগি করছে নিয়েছে প্রিয়জনের সাথে। মাঠের চারদিকে কানায় কানায় ভরে গেছে ভক্ত বৃন্দদের পদচারণায়। মুখরিত হয়েছে চারপাশ।

ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি রাজিব সরকার সাংবাদিকদের বলেন ,দোলপূর্ণিমা বা হোলি রঙের উৎসব তথা আনন্দ উদযাপনের উৎসব। হোলি একটি সনাতনী উৎসব যা ভারতের প্রতিটি অংশে অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহ নিয়ে উদযাপন করা হয়। হোলির দিনে মানুষ তাদের বন্ধুদের এবং পরিবারের সাথে রং খেলে এবং সন্ধ্যায় আবির মাখিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। ফ্রেন্ডস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ সরকার বলেন

হোলি এবং দোলযাত্রা অনুষ্ঠান একসাথে পর পর দুদিন সারা ভারতবর্ষে উদযাপন করা হলেও দুটি উৎসবের আলাদা মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য রয়েছে। হোলি সাধারণত সারা ভারতবর্ষে ও নেপালে খেলা হয় আর তার ঠিক একদিন আগে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ, আসাম ও ওড়িশায় পালন করা হয় দোল পূর্ণিমা উৎসব। দুটো উৎসব পালন করার যেমন কিছু মিল আছে, আবার তেমনি আছে বেশ কিছু অমিল। দোলযাত্রার ইতিহাস নিয়ে প্রথমে আলোচনা করছি। দোল পূর্ণিমার দিনটি শ্রীকৃষ্ণের জন্য উৎসর্গকৃত। দোলপূর্ণিমাকে মনে করা হয় রাধা এবং কৃষ্ণের দিন। এই দিন কৃষ্ণ তার রাধার প্রতি ভালবাসা নিবেদন করেন। দোলযাত্রার সময়টা সাধারণত পূর্ণিমার দিন দেখেই নির্ধারণ করা হয় বলে এটি দোলপূর্ণিমা বলেও জানা যায়। এই দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে চলে লক্ষ্মী ও নারায়ণ পুজো। ফুল আর আবিরের খেলা চলে নানা জায়গায় এবং সাথে থাকে শ্রীকৃষ্ণের গান ও পালা। এটা বাঙালিদের মধ্যে “বসন্ত উৎসব” হিসেবেও পরিচিত। বসন্ত উৎসবটি নোবেল বিজয়ী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার শান্তিনিকেতনে শুরু করেছিলেন। দোলপূর্ণিমা বাঙালিদের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটিই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মদিন। তিনি রাধা ও কৃষ্ণের আবেগ ও প্রেমকে এক অনন্য আধ্যাত্মিক মর্যাদা দান করেছেন। সাধারণ লোকজন ওই দিন ন্যাড়াপোড়া ও হরির লুটের আয়োজন করেন এবং ভাবেন ওই ন্যাড়াপোড়ার মধ্য দিনে সকল অশুভ শক্তিকে তারা শেষ করে দিচ্ছেন। দেউলের দ্বিতীয় দিন ভোর-দেউল নামে পরিচিত – যার প্রধান অর্থ দোল। ভোর দেউল চৈত্রমাসে একদিনের জন্য এবং ফালগুন মাসে তিনদিনের জন্য পালিত হয়। দোল পূর্ণিমার শেষ ও চতুর্থ দিনটি সুরি নামে পরিচিত। সেই দিন, ভগবান কৃষ্ণ ঘুনুচের ঘর থেকে মা লক্ষ্মীর ঘরে ফিরে যান। বৈষ্ণবেরা খোল করতাল বাজিয়ে কীর্তন করেন, আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দেন বিভিন্ন রঙের আবির। বলা হয় , যখন কৃষ্ণকে নিয়ে অনুগামীদের মিছিল মা লক্ষ্মীর দুয়ারে পৌঁছায়, মা লক্ষ্মী বাঁশ নিয়ে গেট রুখে দাঁড়ান, কারণ তিনি কৃষ্ণের ওপর রাগান্বিত হয়েছিলেন, কারণ তিনি এই দিনগুলোতে ঘুনুছের স্থানে অবস্থান করেছিলেন। কিন্তু মা লক্ষ্মীর শত চেষ্টা ব্যর্থ করে, শ্রীকৃষ্ণ ভেতরে প্রবেশ করেন এবং কীর্তন ঘরের সাত বার পরিক্রমণ করেন। এরপর সাথে আনা মণি মুক্ত স¤পদ দিয়ে মা লক্ষ্মীর মান ভাঙান। এই দিন শেষ হয় দোল উৎসব। এবার আলোচনা করা যাক হোলি উৎসব নিয়ে। হোলি উৎসব ভারতের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে পালিত হয়। এটি কখনও কখনও “প্রেমের উৎসব” হিসাবেও পরিচিত হয়।

মেলার মাঠের ভেতর কোনো ধরনের সাউন্ড বক্স যুক্ত গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। উৎসব প্রাঙ্গণে মাদক বহন বা সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দর্শনার্থী নারীদের পোশাকের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখতে শাড়ি বা থ্রি-পিস পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে টি-শার্ট বা ফতুয়া (গেঞ্জি) পরে উৎসবে অংশ নেওয়া যাবে না। কেউ যদি উৎসব প্রাঙ্গণে গণ্ডগোল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তবে তাকে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের ক্ষতিপূরণ বা খরচ বহন করতে হবে।

নিরাপত্তার স্বার্থে নারীদের জন্য উৎসব প্রাঙ্গণে অবস্থানের সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর রাত ১১টায় উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে এবং সবাইকে মাঠ ত্যাগ করতে হবে।

বিশেষ নিরাপত্তার দিক দিয়ে সাদা পোশাকে পুলিশের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকৌশলীকে বদলী করার ক্ষমতা নাকি মন্ত্রী ও সচিবের নেই: মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক প্রকৌশলীর ৬ বছরের দুর্নীতির রাজত্ব!

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার গণেশ পাগল সেবাশ্রম মাঠে ঐতিহ্যবাহী হোলি উৎসব-২০২৬ উদযাপিত।

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

মাদারীপুরের রাজৈর প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঐতিহ্যবাহী হোলি উৎসব ২০২৬, শুরু হয়েছে আজ কদমবাড়ী মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রম মেলার মাঠে।

 

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬)  সকাল ১১:০০ টার সময় পবিত্র গীতা পাঠ ও গণেশ পাগলের ডঙ্কা বাহিনীর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা সুরু। এরপর দুপুরে শ্রীকৃষ্ণের গানের তালে তালে সম্মিলিত নৃত্য, বিকেলে চিরায়ত বাংলার বাউল সংগীত এবং সন্ধ্যায় দর্শনার্থীদের মাতাতে থাকছে ব্যান্ড সংগীতের বিশেষ আয়োজন। শ্রী শ্রী গনেশ পাগলের মেলার মাঠে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত, আবিরের রঙ্গে নিজেকে রাঙ্গিয়ে আনন্দ উল্লাস ভাগাভাগি করছে নিয়েছে প্রিয়জনের সাথে। মাঠের চারদিকে কানায় কানায় ভরে গেছে ভক্ত বৃন্দদের পদচারণায়। মুখরিত হয়েছে চারপাশ।

ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি রাজিব সরকার সাংবাদিকদের বলেন ,দোলপূর্ণিমা বা হোলি রঙের উৎসব তথা আনন্দ উদযাপনের উৎসব। হোলি একটি সনাতনী উৎসব যা ভারতের প্রতিটি অংশে অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহ নিয়ে উদযাপন করা হয়। হোলির দিনে মানুষ তাদের বন্ধুদের এবং পরিবারের সাথে রং খেলে এবং সন্ধ্যায় আবির মাখিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। ফ্রেন্ডস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ সরকার বলেন

হোলি এবং দোলযাত্রা অনুষ্ঠান একসাথে পর পর দুদিন সারা ভারতবর্ষে উদযাপন করা হলেও দুটি উৎসবের আলাদা মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য রয়েছে। হোলি সাধারণত সারা ভারতবর্ষে ও নেপালে খেলা হয় আর তার ঠিক একদিন আগে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ, আসাম ও ওড়িশায় পালন করা হয় দোল পূর্ণিমা উৎসব। দুটো উৎসব পালন করার যেমন কিছু মিল আছে, আবার তেমনি আছে বেশ কিছু অমিল। দোলযাত্রার ইতিহাস নিয়ে প্রথমে আলোচনা করছি। দোল পূর্ণিমার দিনটি শ্রীকৃষ্ণের জন্য উৎসর্গকৃত। দোলপূর্ণিমাকে মনে করা হয় রাধা এবং কৃষ্ণের দিন। এই দিন কৃষ্ণ তার রাধার প্রতি ভালবাসা নিবেদন করেন। দোলযাত্রার সময়টা সাধারণত পূর্ণিমার দিন দেখেই নির্ধারণ করা হয় বলে এটি দোলপূর্ণিমা বলেও জানা যায়। এই দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে চলে লক্ষ্মী ও নারায়ণ পুজো। ফুল আর আবিরের খেলা চলে নানা জায়গায় এবং সাথে থাকে শ্রীকৃষ্ণের গান ও পালা। এটা বাঙালিদের মধ্যে “বসন্ত উৎসব” হিসেবেও পরিচিত। বসন্ত উৎসবটি নোবেল বিজয়ী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার শান্তিনিকেতনে শুরু করেছিলেন। দোলপূর্ণিমা বাঙালিদের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটিই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মদিন। তিনি রাধা ও কৃষ্ণের আবেগ ও প্রেমকে এক অনন্য আধ্যাত্মিক মর্যাদা দান করেছেন। সাধারণ লোকজন ওই দিন ন্যাড়াপোড়া ও হরির লুটের আয়োজন করেন এবং ভাবেন ওই ন্যাড়াপোড়ার মধ্য দিনে সকল অশুভ শক্তিকে তারা শেষ করে দিচ্ছেন। দেউলের দ্বিতীয় দিন ভোর-দেউল নামে পরিচিত – যার প্রধান অর্থ দোল। ভোর দেউল চৈত্রমাসে একদিনের জন্য এবং ফালগুন মাসে তিনদিনের জন্য পালিত হয়। দোল পূর্ণিমার শেষ ও চতুর্থ দিনটি সুরি নামে পরিচিত। সেই দিন, ভগবান কৃষ্ণ ঘুনুচের ঘর থেকে মা লক্ষ্মীর ঘরে ফিরে যান। বৈষ্ণবেরা খোল করতাল বাজিয়ে কীর্তন করেন, আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দেন বিভিন্ন রঙের আবির। বলা হয় , যখন কৃষ্ণকে নিয়ে অনুগামীদের মিছিল মা লক্ষ্মীর দুয়ারে পৌঁছায়, মা লক্ষ্মী বাঁশ নিয়ে গেট রুখে দাঁড়ান, কারণ তিনি কৃষ্ণের ওপর রাগান্বিত হয়েছিলেন, কারণ তিনি এই দিনগুলোতে ঘুনুছের স্থানে অবস্থান করেছিলেন। কিন্তু মা লক্ষ্মীর শত চেষ্টা ব্যর্থ করে, শ্রীকৃষ্ণ ভেতরে প্রবেশ করেন এবং কীর্তন ঘরের সাত বার পরিক্রমণ করেন। এরপর সাথে আনা মণি মুক্ত স¤পদ দিয়ে মা লক্ষ্মীর মান ভাঙান। এই দিন শেষ হয় দোল উৎসব। এবার আলোচনা করা যাক হোলি উৎসব নিয়ে। হোলি উৎসব ভারতের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে পালিত হয়। এটি কখনও কখনও “প্রেমের উৎসব” হিসাবেও পরিচিত হয়।

মেলার মাঠের ভেতর কোনো ধরনের সাউন্ড বক্স যুক্ত গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। উৎসব প্রাঙ্গণে মাদক বহন বা সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দর্শনার্থী নারীদের পোশাকের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখতে শাড়ি বা থ্রি-পিস পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে টি-শার্ট বা ফতুয়া (গেঞ্জি) পরে উৎসবে অংশ নেওয়া যাবে না। কেউ যদি উৎসব প্রাঙ্গণে গণ্ডগোল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তবে তাকে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের ক্ষতিপূরণ বা খরচ বহন করতে হবে।

নিরাপত্তার স্বার্থে নারীদের জন্য উৎসব প্রাঙ্গণে অবস্থানের সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর রাত ১১টায় উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে এবং সবাইকে মাঠ ত্যাগ করতে হবে।

বিশেষ নিরাপত্তার দিক দিয়ে সাদা পোশাকে পুলিশের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো।