ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

যাত্রাবাড়ীতে চার লক্ষ টাকার ১২৯৫ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অটল থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ১০ মার্চ ,২৬ তারিখ রাত অনুমান ৩:০০ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

গোপন সংবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিএসসি লালবাগ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ১০ মার্চ, ২০২৬ তারিখ রাত অনুমান .০০ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার পাড়াডগাইর এলাকা হতে ১২৯৫ (বারো শত পঁচানব্বই) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০২ টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩৯০০/- (উনচল্লিশত) টাকা সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার অবৈধ বাজার মূল্য আনুমানিক ৩,৮৮,৫০০/- (তিন লক্ষ আটাশি হাজার পাঁচ শত) টাকা প্রায়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম দুস মোহাম্মদ (৪৮), পিতা- রাজ্জাক আলী, সাং-রঙ্গী খালি, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়।

প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কক্সবাজারের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদক সমাজের ভয়াবহ একটি ব্যাধি, যা যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, পারিবারিক বন্ধনকে নষ্ট করছে এবং যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। র‌্যাব-১০ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতেও র‌্যাবের এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

যাত্রাবাড়ীতে চার লক্ষ টাকার ১২৯৫ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

আপডেট সময় : ০১:০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অটল থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ১০ মার্চ ,২৬ তারিখ রাত অনুমান ৩:০০ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

গোপন সংবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিএসসি লালবাগ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গতকাল ১০ মার্চ, ২০২৬ তারিখ রাত অনুমান .০০ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার পাড়াডগাইর এলাকা হতে ১২৯৫ (বারো শত পঁচানব্বই) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০২ টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩৯০০/- (উনচল্লিশত) টাকা সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার অবৈধ বাজার মূল্য আনুমানিক ৩,৮৮,৫০০/- (তিন লক্ষ আটাশি হাজার পাঁচ শত) টাকা প্রায়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম দুস মোহাম্মদ (৪৮), পিতা- রাজ্জাক আলী, সাং-রঙ্গী খালি, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়।

প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কক্সবাজারের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদক সমাজের ভয়াবহ একটি ব্যাধি, যা যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, পারিবারিক বন্ধনকে নষ্ট করছে এবং যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। র‌্যাব-১০ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতেও র‌্যাবের এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।